খাসোগিকে ইনজেকশন প্রয়োগ করে মিসর নেওয়া হয়!
jugantor
খাসোগিকে ইনজেকশন প্রয়োগ করে মিসর নেওয়া হয়!
হত্যা মামলা নিয়ে নতুন তথ্য

  অনলাইন ডেস্ক  

১৬ জুন ২০২১, ১৩:০৬:৩৯  |  অনলাইন সংস্করণ

সৌদি আরবের রাজপরিবারের কঠোর সমালোচক হিসেবে পরিচিত নির্বাসিত সাংবাদিক জামাল খাসোগির হত্যাকাণ্ড নিয়ে নতুন তথ্য পাওয়া গেছে।

ইয়াহু নিউজের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, তুরস্কের সৌদি কনস্যুলেটে ইনজেকশন প্রয়োগ করে বিমানে তুলে মিসরের রাজধানী কায়রোতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। খবর মিডলইস্ট আইয়ের।

ইয়াহুর ওই প্রতিবেদনে সৌদি কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বলা হয়, হত্যাকারীরা সৌদি গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদে বলেছে— অবৈধ মাদক পাচারে ব্যবহৃত একটি বিমানে করে ২০১৮ সালে খাসোগিকে মিসর নিয়ে যাওয়া হয়।

গালফস্ট্রিম জেটের একটি বিমানে করে ২০১৮ সালের ২ অক্টোবর ইস্তানবুল থেকে প্রাণঘাতী ইনজেকশন প্রয়োগ করে খাসোগিকে হত্যা করে কায়রোতে আনা হয়।

কিন্তু কারা তাদের ওই সাংবাদিককে অপহরণ ও হত্যা করতে বলেছে, তা ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

সৌদি আদালতের এক আইনজীবী জানান, হত্যাকারীরা আদালতে বলেছে— ইস্তানবুলে সৌদি কনস্যুলেটে পৌঁছার পরই জামাল খাসোগি টের পান তাকে জোর করে ইনজেকশন পুশ করে অচেতন করা হবে। এ সময় তিনি সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

তাকে তখন তারা ধরে একটি চেয়ারে জোর করে বসিয়ে বাম হাতে একটি ইনজেকশন প্রয়োগ করেন তখনকার সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিযুক্ত ফরেনসিক চিকিৎসক সালাহ তুবেইগি।

এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, তুরস্কের সৌদি কনস্যুলেটের ভেতর ওয়াশিংটন পোস্টের কলামিস্ট জামাল খাসোগিকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে তারা সৌদি রাজপরিবারের একটি বিশেষ বিমান ব্যবহার করে তুরস্ক থেকে পালিয়ে যায়। জামাল খাসোগি হত্যাকাণ্ডে সৌদি রাজপরিবার বিশেষত যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান জড়িত থাকার জোর অভিযোগ ওঠে। যদিও সৌদি সরকার তা অস্বীকার করে আসছে।

খাসোগিকে ইনজেকশন প্রয়োগ করে মিসর নেওয়া হয়!

হত্যা মামলা নিয়ে নতুন তথ্য
 অনলাইন ডেস্ক 
১৬ জুন ২০২১, ০১:০৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সৌদি আরবের রাজপরিবারের কঠোর সমালোচক হিসেবে পরিচিত নির্বাসিত সাংবাদিক জামাল খাসোগির হত্যাকাণ্ড নিয়ে নতুন তথ্য পাওয়া গেছে।

ইয়াহু নিউজের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, তুরস্কের সৌদি কনস্যুলেটে ইনজেকশন প্রয়োগ করে বিমানে তুলে মিসরের রাজধানী কায়রোতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।  খবর মিডলইস্ট আইয়ের।

ইয়াহুর ওই প্রতিবেদনে সৌদি কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বলা হয়, হত্যাকারীরা সৌদি গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদে বলেছে— অবৈধ মাদক পাচারে ব্যবহৃত একটি বিমানে করে ২০১৮ সালে খাসোগিকে মিসর নিয়ে যাওয়া হয়।

গালফস্ট্রিম জেটের একটি বিমানে করে ২০১৮ সালের ২ অক্টোবর ইস্তানবুল থেকে প্রাণঘাতী ইনজেকশন প্রয়োগ করে খাসোগিকে হত্যা করে কায়রোতে আনা হয়।

কিন্তু কারা তাদের ওই সাংবাদিককে অপহরণ ও হত্যা করতে বলেছে, তা ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

সৌদি আদালতের এক আইনজীবী জানান, হত্যাকারীরা আদালতে বলেছে— ইস্তানবুলে সৌদি কনস্যুলেটে পৌঁছার পরই জামাল খাসোগি টের পান তাকে জোর করে ইনজেকশন পুশ করে অচেতন করা হবে। এ সময় তিনি সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

তাকে তখন তারা ধরে একটি চেয়ারে জোর করে বসিয়ে বাম হাতে একটি ইনজেকশন প্রয়োগ করেন তখনকার সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিযুক্ত ফরেনসিক চিকিৎসক সালাহ তুবেইগি।

এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, তুরস্কের সৌদি কনস্যুলেটের ভেতর ওয়াশিংটন পোস্টের কলামিস্ট জামাল খাসোগিকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে তারা সৌদি রাজপরিবারের একটি বিশেষ বিমান ব্যবহার করে তুরস্ক থেকে পালিয়ে যায়। জামাল খাসোগি হত্যাকাণ্ডে সৌদি রাজপরিবার বিশেষত যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান জড়িত থাকার জোর অভিযোগ ওঠে। যদিও সৌদি সরকার তা অস্বীকার করে আসছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : সাংবাদিক জামাল খাসোগি নিখোঁজ