দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনার মারাত্মক অবনতি
jugantor
দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনার মারাত্মক অবনতি

  শওকত বিন আশরাফ, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে  

১৭ জুন ২০২১, ০০:৫১:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

দক্ষিণ আফ্রিকার চিকিৎসা বিজ্ঞানী ও গবেষকদের সব আশঙ্কাকে সত্যি করে করোনার তৃতীয় সংক্রমণ মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে দেশটিতে। দেশটির স্বাস্থ্য অধিদপ্তর করোনার তৃতীয় দফা সংক্রমণের ভয়াবহ অবনতি হওয়ায় কথা স্বীকার করেছে। দেশটির স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী মঙ্গলবার একদিনে সর্বোচ্চ ২০৮ জন করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়েছে এবং একই দিন আক্রান্ত হয়েছে ৮ হাজার ৪৪৩ জন।

করোনার দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট সারাবিশ্বে আতঙ্কের কারণ হলেও এবার নিজেদের ভ্যারিয়েন্টে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দেশটি। বর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকা ভ্যারিয়েন্ট রূপ বদলে আরও ভয়ংকর হয়ে উঠছে। সংক্রমণ ও মৃত্যু ছড়াচ্ছে আরও দ্রুত বেগে। এবার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে শিশুরা। এ পরিস্থিতিতে দক্ষিণ আফ্রিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর কমিউনিকেবল ডিজিজ বা NICD-এর পক্ষ থেকে এক টুইট বার্তায় জানানো হয়েছে- ইতোমধ্যে করোনার তৃতীয় ঢেউ দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রবেশ করেছে। করোনা কমান্ড কাউন্সিল জানিয়েছে- দেশে ৭ দিনের গড় সংক্রমণে (৫৯৫৯ জন) আগের তুলনায় ৩৩ শতাংশ বেড়ে গেছে। এটা করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের কারণেই হয়েছে। আগের ঢেউয়ের তুলনায় ৩০ শতাংশ বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে সংক্রমণ।

এদিকে এ খবর সামনে আসতেই রীতিমতো উদ্বেগ ছড়িয়েছে সাধারণ মানুষের মনে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন ভ্যারিয়েন্টের ভাইরাস দ্রুত সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম হলেও তা এড়ানোর রাস্তা একই। মাস্ক, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা, ভিড় এড়ানো। কারণ মানুষই এ ভাইরাসের বাহক। তাই সংক্রমণের গতি কমাতে কোভিড বিধি পালন করতেই হবে, একইভাবে লাইফস্টাইলও বদল করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে করোনা সংক্রমণ মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়ায় দেশটির রাষ্ট্রপতি সিরিল রামাপোসা মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেছেন। এ সময় লকডাউনের পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি রাত্রিকালীন কারফিউও ঘোষণা দিয়েছেন।

দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনার মারাত্মক অবনতি

 শওকত বিন আশরাফ, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে 
১৭ জুন ২০২১, ১২:৫১ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দক্ষিণ আফ্রিকার চিকিৎসা বিজ্ঞানী ও গবেষকদের সব আশঙ্কাকে সত্যি করে করোনার তৃতীয় সংক্রমণ মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে দেশটিতে। দেশটির স্বাস্থ্য অধিদপ্তর করোনার তৃতীয় দফা সংক্রমণের ভয়াবহ অবনতি হওয়ায় কথা স্বীকার করেছে। দেশটির স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী মঙ্গলবার একদিনে সর্বোচ্চ ২০৮ জন করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়েছে এবং একই দিন আক্রান্ত হয়েছে ৮ হাজার ৪৪৩ জন। 

করোনার দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট সারাবিশ্বে আতঙ্কের কারণ হলেও এবার নিজেদের ভ্যারিয়েন্টে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দেশটি। বর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকা ভ্যারিয়েন্ট রূপ বদলে আরও ভয়ংকর হয়ে উঠছে। সংক্রমণ ও মৃত্যু ছড়াচ্ছে আরও দ্রুত বেগে। এবার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে শিশুরা। এ পরিস্থিতিতে দক্ষিণ আফ্রিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর কমিউনিকেবল ডিজিজ বা NICD-এর পক্ষ থেকে এক টুইট বার্তায় জানানো হয়েছে- ইতোমধ্যে করোনার তৃতীয় ঢেউ দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রবেশ করেছে। করোনা কমান্ড কাউন্সিল জানিয়েছে- দেশে ৭ দিনের গড় সংক্রমণে (৫৯৫৯ জন) আগের তুলনায় ৩৩ শতাংশ বেড়ে গেছে। এটা করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের কারণেই হয়েছে। আগের ঢেউয়ের তুলনায় ৩০ শতাংশ বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে সংক্রমণ।

এদিকে এ খবর সামনে আসতেই রীতিমতো উদ্বেগ ছড়িয়েছে সাধারণ মানুষের মনে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন ভ্যারিয়েন্টের ভাইরাস দ্রুত সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম হলেও তা এড়ানোর রাস্তা একই। মাস্ক, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা, ভিড় এড়ানো। কারণ মানুষই এ ভাইরাসের বাহক। তাই সংক্রমণের গতি কমাতে কোভিড বিধি পালন করতেই হবে, একইভাবে লাইফস্টাইলও বদল করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে করোনা সংক্রমণ মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়ায় দেশটির রাষ্ট্রপতি সিরিল রামাপোসা মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেছেন। এ সময় লকডাউনের পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি রাত্রিকালীন কারফিউও ঘোষণা দিয়েছেন।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন