মাথায় গুলি করা সেই ফিলিস্তিনি কিশোর মারা গেছে
jugantor
মাথায় গুলি করা সেই ফিলিস্তিনি কিশোর মারা গেছে

  অনলাইন ডেস্ক  

১৭ জুন ২০২১, ২২:৫০:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

পশ্চিমতীরে অবৈধ বসতি স্থাপনের বিক্ষোভে অংশ নিলে তার মাথায় গুলি করে ইসরাইলি সেনারা

মাথায় গুলি করা ফিলিস্তিনের সেই কিশোর মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, আহমাদ শামসা নামে ১৫ বছর বয়সী এই কিশোর পশ্চিমতীরের উত্তর অংশে অবৈধ বসতি স্থাপনের প্রতিবাদে বিক্ষোভে অংশ নেন। সেখানেই তার মাথায় গুলি করে ইসরাইলি সেনারা। ‘গুরুতর আহতাবস্থায়’ তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

খবরে বলা হয়, হাজার হাজার ফিলিস্তিনি তার জানাজায় অংশ নেয়। তারা আহমাদ শামসার লাশ কাঁধে করে নাবলুস শহরের বেইতা গ্রামের দিকে যায়।

ইসরাইলের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের সেনারা নাবলুস শহরের নিকট ওয়াইল্ডক্যাট ফাঁড়ির নিকট অবস্থান করছিল। একদল ফিলিস্তিনি তাদের দিকে গিয়ে সন্দেহজনক বস্তু ছুড়ে মারে, যা সেনাদের খুব কাছে গিয়ে বিস্ফোরিত হয়। সেনারা আকাশে গুলি করে, এরপর যে ওই বস্তু ছুড়ে মেরেছিল তাকে গুলি করে।

এর আগে বুধবার ইসরাইলি সেনারা মাই আফনাহ নামে ফিলিস্তিনের একজন পিএইচডি প্রোগ্রামের ছাত্রীকে গুলি করে হত্যা করে। ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযোগ, ওই নারী সেনাদের ওপর গাড়ি চালিয়ে দিচ্ছিলেন। যদিও এ বিষয়ে ইসরাইলি পুলিশ কোনো ছবি কিংবা ভিডিও প্রকাশ করেনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, হিজমা শহরের প্রবেশ মুখে নিহত ফিলিস্তিনি নারী আফনাহ’র গাড়ি পড়ে আছে। আফনাহকে গুলি করে ফেলে রাখা হলেও ঘটনাস্থলে কোনো অ্যাম্বুলেন্স আসেনি।

সাম্প্রতিক সময়ে ইসরাইলি বাহিনী বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনি নাগরিককে বিভিন্ন অভিযোগে হত্যা করেছে। মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলোর ভাষ্য, কোনোরকম হুমকি প্রদর্শন না করা সত্ত্বেও ইসরাইলি বাহিনী শুধুমাত্র ভয় সৃষ্টি করার জন্য ফিলিস্তিনি নাগরিকদের গুলি করে হত্যা করছে।

মাথায় গুলি করা সেই ফিলিস্তিনি কিশোর মারা গেছে

 অনলাইন ডেস্ক 
১৭ জুন ২০২১, ১০:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পশ্চিমতীরে অবৈধ বসতি স্থাপনের বিক্ষোভে অংশ নিলে তার মাথায় গুলি করে ইসরাইলি সেনারা
পশ্চিমতীরে অবৈধ বসতি স্থাপনের বিক্ষোভে অংশ নিলে তার মাথায় গুলি করে ইসরাইলি সেনারা। ছবি:টুইটার থেকে নেওয়া

মাথায় গুলি করা ফিলিস্তিনের সেই কিশোর মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, আহমাদ শামসা নামে ১৫ বছর বয়সী এই কিশোর পশ্চিমতীরের উত্তর অংশে অবৈধ বসতি স্থাপনের প্রতিবাদে বিক্ষোভে অংশ নেন। সেখানেই তার মাথায় গুলি করে ইসরাইলি সেনারা। ‘গুরুতর আহতাবস্থায়’ তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

খবরে বলা হয়, হাজার হাজার ফিলিস্তিনি তার জানাজায় অংশ নেয়। তারা আহমাদ শামসার লাশ কাঁধে করে নাবলুস শহরের বেইতা গ্রামের দিকে যায়। 
 
ইসরাইলের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের সেনারা নাবলুস শহরের নিকট ওয়াইল্ডক্যাট ফাঁড়ির নিকট অবস্থান করছিল। একদল ফিলিস্তিনি তাদের দিকে গিয়ে সন্দেহজনক বস্তু ছুড়ে মারে, যা সেনাদের খুব কাছে গিয়ে বিস্ফোরিত হয়। সেনারা আকাশে গুলি করে, এরপর যে ওই বস্তু ছুড়ে মেরেছিল তাকে গুলি করে। 

এর আগে বুধবার ইসরাইলি সেনারা মাই আফনাহ নামে ফিলিস্তিনের একজন পিএইচডি প্রোগ্রামের ছাত্রীকে গুলি করে হত্যা করে। ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযোগ, ওই নারী সেনাদের ওপর গাড়ি চালিয়ে দিচ্ছিলেন। যদিও এ বিষয়ে ইসরাইলি পুলিশ কোনো ছবি কিংবা ভিডিও প্রকাশ করেনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, হিজমা শহরের প্রবেশ মুখে নিহত ফিলিস্তিনি নারী আফনাহ’র গাড়ি পড়ে আছে। আফনাহকে গুলি করে ফেলে রাখা হলেও ঘটনাস্থলে কোনো অ্যাম্বুলেন্স আসেনি।

সাম্প্রতিক সময়ে ইসরাইলি বাহিনী বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনি নাগরিককে বিভিন্ন অভিযোগে হত্যা করেছে। মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলোর ভাষ্য, কোনোরকম হুমকি প্রদর্শন না করা সত্ত্বেও ইসরাইলি বাহিনী শুধুমাত্র ভয় সৃষ্টি করার জন্য ফিলিস্তিনি নাগরিকদের গুলি করে হত্যা করছে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন