ফলাফল ঘোষণার আগেই রাইসিকে অভিনন্দন প্রতিদ্বন্দ্বীদের
jugantor
ফলাফল ঘোষণার আগেই রাইসিকে অভিনন্দন প্রতিদ্বন্দ্বীদের

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৯ জুন ২০২১, ১৩:০৮:৫৮  |  অনলাইন সংস্করণ

ফলাফল ঘোষণার আগেই রাইসিকে অভিনন্দন প্রতিদ্বন্দ্বীদের

নির্বাচনের ভোটগণনা শেষ না হতেই হার স্বীকার করে সম্ভাব্য বিজয়ী ইব্রাহিম রাইসিকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রেসিডেন্ট প্রার্থীরা।

শনিবার সকালে ইরানের ১৩তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রার্থী মোহসেন রেজায়ি ও আবদুন নাসের হেম্মাতি পৃথক বার্তায় বিজয়ী প্রার্থী হিসেবে সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রাইসিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

আরেক প্রার্থী আমির হোসেন কাজিজাদেহ হাশেমিও নির্বাচনে জয়ী হওয়ায় রাইসিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বলে এক সূত্রে জানা গেছে।

ইরানের এবারের নির্বাচনে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছেন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ইব্রাহিম রাইসি।

বিভিন্ন জরিপে তিনিই এগিয়ে রয়েছেন। নাটকীয় কিছু না ঘটলে তিনিই হতে যাচ্ছেন দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট। কারণ, আহমেদিনিজাদের মতো শক্তিশালী প্রার্থীরা আগেই প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন।

যার ফলে ২০১৭ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজিত হওয়া ইব্রাহিম রাইসিই বিশ্বমিডিয়ায় ব্যাপকভাবে আলোচিত হন। ইরানের বিভিন্ন রাস্তায় দেখা যাচ্ছে তার ব্যানার, ফেস্টুন।

টেলিভিশনে প্রচারিত ভাষণে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানিও ইতোমধ্যে সেই ইঙ্গিত দিয়েছেন। নাম উল্লেখ না করেই তিনি ‘জননির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে’ অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, এর কারণ সরকারিভাবে ঘোষণা না হওয়া। আমি আনুষ্ঠানিক অভিনন্দন জানানো পিছিয়ে দিচ্ছি। তবে এটি পরিষ্কার যে ভোটগুলো কে পাচ্ছেন।

এবারে নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে লড়াইয়ের জন্য নিবন্ধন করেছিলেন মোট ৫২৯ জন। এর মধ্যে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসাবে অনুমোদন পেয়েছিলেন সাতজন। সংস্কারপন্থি ও মধ্যপন্থি প্রার্থীদের বাদ দেওয়া হয়। একেবারে শেষ সময়ে এসে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন তিন প্রার্থী।

কে এই রাইসি?

ইব্রাহিম রাইসি বর্তমান ইরানের প্রধান বিচারপতি। ৬০ বছর বয়সী রাইসি বর্তমানে দেশটির ক্ষমতাসীন সরকারের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম। এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচনী দৌড়ে শামিল হয়েছেন তিনি। এর আগে ২০১৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও একবার ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন, ওই সময় তিনি হাসান রুহানির কাছে পরাজিত হন।

ইরানের সর্বোচ্চ আধ্যাত্মিক নেতা খামেনি এবং রাইসির জন্ম একই স্থানে, দেশটির উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে। খামেনির মতো না হলেও দেশটির সংখ্যাগুরু শিয়া সম্প্রদায়ের কট্টরপন্থিমহলে তার জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা ব্যাপক।


ফলাফল ঘোষণার আগেই রাইসিকে অভিনন্দন প্রতিদ্বন্দ্বীদের

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৯ জুন ২০২১, ০১:০৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ফলাফল ঘোষণার আগেই রাইসিকে অভিনন্দন প্রতিদ্বন্দ্বীদের
ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচনের ভোটগণনা শেষ না হতেই হার স্বীকার করে সম্ভাব্য বিজয়ী ইব্রাহিম রাইসিকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রেসিডেন্ট প্রার্থীরা।

শনিবার সকালে ইরানের ১৩তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রার্থী মোহসেন রেজায়ি ও আবদুন নাসের হেম্মাতি পৃথক বার্তায় বিজয়ী প্রার্থী হিসেবে সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রাইসিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। 

আরেক প্রার্থী আমির হোসেন কাজিজাদেহ হাশেমিও নির্বাচনে জয়ী হওয়ায় রাইসিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বলে এক সূত্রে জানা গেছে। 

ইরানের এবারের নির্বাচনে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছেন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ইব্রাহিম রাইসি। 

বিভিন্ন জরিপে তিনিই এগিয়ে রয়েছেন। নাটকীয় কিছু না ঘটলে তিনিই হতে যাচ্ছেন দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট। কারণ, আহমেদিনিজাদের মতো শক্তিশালী প্রার্থীরা আগেই প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন। 

যার ফলে ২০১৭ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজিত হওয়া ইব্রাহিম রাইসিই বিশ্বমিডিয়ায় ব্যাপকভাবে আলোচিত হন। ইরানের বিভিন্ন রাস্তায় দেখা যাচ্ছে তার ব্যানার, ফেস্টুন।

টেলিভিশনে প্রচারিত ভাষণে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানিও ইতোমধ্যে সেই ইঙ্গিত দিয়েছেন। নাম উল্লেখ না করেই তিনি ‘জননির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে’ অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, এর কারণ সরকারিভাবে ঘোষণা না হওয়া। আমি আনুষ্ঠানিক অভিনন্দন জানানো পিছিয়ে দিচ্ছি। তবে এটি পরিষ্কার যে ভোটগুলো কে পাচ্ছেন। 

এবারে নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে লড়াইয়ের জন্য নিবন্ধন করেছিলেন মোট ৫২৯ জন। এর মধ্যে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসাবে অনুমোদন পেয়েছিলেন সাতজন। সংস্কারপন্থি ও মধ্যপন্থি প্রার্থীদের বাদ দেওয়া হয়। একেবারে শেষ সময়ে এসে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন তিন প্রার্থী। 

কে এই রাইসি?

ইব্রাহিম রাইসি বর্তমান ইরানের প্রধান বিচারপতি।  ৬০ বছর বয়সী রাইসি বর্তমানে দেশটির ক্ষমতাসীন সরকারের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম। এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচনী দৌড়ে শামিল হয়েছেন তিনি। এর আগে ২০১৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও একবার ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন, ওই সময় তিনি হাসান রুহানির কাছে পরাজিত হন। 

ইরানের সর্বোচ্চ আধ্যাত্মিক নেতা খামেনি এবং রাইসির জন্ম একই স্থানে, দেশটির উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে। খামেনির মতো না হলেও দেশটির সংখ্যাগুরু শিয়া সম্প্রদায়ের কট্টরপন্থিমহলে তার জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা ব্যাপক।


 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন