‘বাংলার মেয়ের’ হাতে পশ্চিমবঙ্গের নেতৃত্ব দিয়ে মন্ত্রী হচ্ছেন দিলীপ!
jugantor
‘বাংলার মেয়ের’ হাতে পশ্চিমবঙ্গের নেতৃত্ব দিয়ে মন্ত্রী হচ্ছেন দিলীপ!

  অনলাইন ডেস্ক  

১৯ জুন ২০২১, ১৫:১৪:৫৮  |  অনলাইন সংস্করণ

দিলীপ ঘোষ। ফাইল ছবি

চলতি বছর বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি পদে মেয়াদ হচ্ছে দিলীপ ঘোষের। বিজেপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, তার পুনর্নির্বাচনের সম্ভাবনা নেই। ফলে নতুন সভাপতি পেতে চলেছে রাজ্য সভাপতি। সেক্ষেত্রে দিলীপ ঘোষকে কেন্দ্রীয় পূর্ণমন্ত্রী করার সম্ভাবনা রয়েছে। এ নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে জিনিউজ।

খবরে বলাহয়, পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজ্য সভাপতি পদে দিলীপ ঘোষের মেয়াদ হচ্ছে চলতি বছর ডিসেম্বরে। বিজেপির গঠনতন্ত্র বলছে, পরপর দুবার অথবা সর্বোচ্চ ৬ বছর সভাপতির আসনে থাকা যায়। দিলীপের অভিষেক হয়েছিল ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে সাংগঠনিক রদবদল করেনি বিজেপি। যার কারণে মেয়াদ বৃদ্ধি হয় রাজ্য সভাপতির।

২০২০ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয়বার সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। সেই হিসেবে দিলীপের থাকার কথা ২০২৩ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত। কিন্তু সভাপতি পদের ৬ বছরের মেয়াদ পূর্ণ হচ্ছে চলতি বছর ডিসেম্বরে। তাকে কেন্দ্রীয় পূর্ণমন্ত্রী করার সম্ভাবনা রয়েছে।

আর দিলীপের পরিবর্তে একজন নারীকে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সভাপতি করার চিন্তাভাবনা করার আভাস দিয়েছে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

বিজেপির কেন্দ্রীয় সূত্রের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়, এবার দিলীপের স্থলাভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন একজন নারী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আরেক ‘বাংলার মেয়েকেই’ তারা বিজেপির কান্ডারি করতে চান তারা।

খবরে বলা হয়, বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী ও লকেট চট্টোপাধ্যায় এই দুটি নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। দেবশ্রী রায়গঞ্জের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী। আসন্ন মন্ত্রিসভার রদবদলে তাকে মন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে রাজ্য সভানেত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। রাজ্য সভাপতির তালিকায় হুগলির সংসদ সদস্য লকেট চট্টোপাধ্যায়ের নাম থাকলেও এবার বিধানসভা নির্বাচনে হেরে যাওয়ায় তার সম্ভাবনা কম। লকেট দীর্ঘদিন রাজ্যের মহিলা মোর্চার সভানেত্রী ছিলেন। বর্তমানে রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক। ফলে সংগঠন চালানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।

আর কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হওয়ার আগে দেবশ্রীও ছিলেন রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক। বিধানসভা ভোটের পারফরম্যান্সে দেবশ্রীর চেয়ে লকেট খানিকটা পিছিয়ে। তিনি নিজে প্রার্থী হয়ে হেরেছেন। তার লোকসভা কেন্দ্রে একটাও আসন জিততে পারেনি বিজেপি। দেবশ্রী ভোটে লড়েননি। তার লোকসভা কেন্দ্রে ২টি আসন জিতেছে বিজেপি- রায়গঞ্জ ও কালিয়াগঞ্জ। উপনির্বাচনে হেরে যাওয়া কালিয়াগঞ্জ পুনরুদ্ধার করেছে গেরুয়া শিবির। এছাড়াও দেবশ্রীর পরিবার আরএসএসের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। তিনি নিজেও সংঘের ঘরের মেয়ে। স্বাভাবিকভাবে রাজ্য সভানেত্রী হওয়ার দৌড়ে লকেটের চেয়ে দেবশ্রী এগিয়ে বলে মত বিজেপির একটি অংশের।

‘বাংলার মেয়ের’ হাতে পশ্চিমবঙ্গের নেতৃত্ব দিয়ে মন্ত্রী হচ্ছেন দিলীপ!

 অনলাইন ডেস্ক 
১৯ জুন ২০২১, ০৩:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
দিলীপ ঘোষ। ফাইল ছবি
দিলীপ ঘোষ। ফাইল ছবি

চলতি বছর বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি পদে মেয়াদ হচ্ছে দিলীপ ঘোষের। বিজেপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, তার পুনর্নির্বাচনের সম্ভাবনা নেই। ফলে নতুন সভাপতি পেতে চলেছে রাজ্য সভাপতি। সেক্ষেত্রে দিলীপ ঘোষকে কেন্দ্রীয় পূর্ণমন্ত্রী করার সম্ভাবনা রয়েছে। এ নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে জিনিউজ। 

খবরে বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজ্য সভাপতি পদে দিলীপ ঘোষের মেয়াদ হচ্ছে চলতি বছর ডিসেম্বরে। বিজেপির গঠনতন্ত্র বলছে, পরপর দুবার অথবা সর্বোচ্চ ৬ বছর সভাপতির আসনে থাকা যায়। দিলীপের অভিষেক হয়েছিল ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে সাংগঠনিক রদবদল করেনি বিজেপি। যার কারণে মেয়াদ বৃদ্ধি হয় রাজ্য সভাপতির। 

২০২০ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয়বার সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। সেই হিসেবে দিলীপের থাকার কথা ২০২৩ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত। কিন্তু সভাপতি পদের ৬ বছরের মেয়াদ পূর্ণ হচ্ছে চলতি বছর ডিসেম্বরে। তাকে কেন্দ্রীয় পূর্ণমন্ত্রী করার সম্ভাবনা রয়েছে। 

আর দিলীপের পরিবর্তে একজন নারীকে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সভাপতি করার চিন্তাভাবনা করার আভাস দিয়েছে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।  

বিজেপির কেন্দ্রীয় সূত্রের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়, এবার দিলীপের স্থলাভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন একজন নারী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আরেক ‘বাংলার মেয়েকেই’ তারা বিজেপির কান্ডারি করতে চান তারা।  

খবরে বলা হয়, বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী ও লকেট চট্টোপাধ্যায় এই দুটি নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। দেবশ্রী রায়গঞ্জের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী। আসন্ন মন্ত্রিসভার রদবদলে তাকে মন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে রাজ্য সভানেত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। রাজ্য সভাপতির তালিকায় হুগলির সংসদ সদস্য লকেট চট্টোপাধ্যায়ের  নাম থাকলেও এবার বিধানসভা নির্বাচনে হেরে যাওয়ায় তার সম্ভাবনা কম। লকেট দীর্ঘদিন রাজ্যের মহিলা মোর্চার সভানেত্রী ছিলেন। বর্তমানে রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক। ফলে সংগঠন চালানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। 

আর কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হওয়ার আগে দেবশ্রীও ছিলেন রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক। বিধানসভা ভোটের পারফরম্যান্সে দেবশ্রীর চেয়ে লকেট খানিকটা পিছিয়ে। তিনি নিজে প্রার্থী হয়ে হেরেছেন। তার লোকসভা কেন্দ্রে একটাও আসন জিততে পারেনি বিজেপি। দেবশ্রী ভোটে লড়েননি। তার লোকসভা কেন্দ্রে ২টি আসন জিতেছে বিজেপি- রায়গঞ্জ ও কালিয়াগঞ্জ। উপনির্বাচনে হেরে যাওয়া কালিয়াগঞ্জ পুনরুদ্ধার করেছে গেরুয়া শিবির। এছাড়াও দেবশ্রীর পরিবার আরএসএসের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। তিনি নিজেও সংঘের ঘরের মেয়ে। স্বাভাবিকভাবে রাজ্য সভানেত্রী হওয়ার দৌড়ে লকেটের চেয়ে দেবশ্রী এগিয়ে বলে মত বিজেপির একটি অংশের।  

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন