ট্রাম্পের এক নম্বর শত্রু কে এই নারী
jugantor
ট্রাম্পের এক নম্বর শত্রু কে এই নারী

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৯ জুন ২০২১, ২১:৪৪:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

ট্রাম্পের এক নম্বর শত্রু কে এই নারী

যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা অঙ্গরাজ্যের সিনেটর লিসা মারকাউস্কি ২০২২ সালে পুনর্নির্বাচনের জন্য লড়বেন। ওই নির্বাচনে লিসার জয় ঠেকাতে সব রকম পদক্ষেপ নেওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সিএনএন শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছেন।

ট্রাম্প ওই নির্বাচনে লিসার প্রতিদ্বন্দ্বী কেলি শিবাকাকে নিজের সমর্থন জানিয়েছে এক বিবৃতি দিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেন, লিসা মারকাউস্কি আলস্কার জন্য সুফল বয়ে আনেনি। লিসাকে বিদায় নিতেই হবে। কেলি শিবাকা হলো সেইজন যিনি লিসাকে হঠানোর ক্ষমতা রাখেন- আর কেলি সেটা করে দেখাবে।

ট্রাম্প এই বিবৃতির মাধ্যমে লিসাকে নিজের এক নম্বর শত্রুতে পরিণত করেছেন বলে সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

প্রশ্ন হলো কেন লিসার প্রতি এতো বিরূপ ট্রাম্প? এর উত্তর খুঁজতে হলে পেছাতে হবে ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন সময়ে। মার্কিন সিনেটে অভিশংসন আদালতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া রিপাবলিকানদের মধ্যে অন্যতম লিসা মারকাউস্কি।

সিনেটে সাত রিপাবলিকান ট্রাম্পকে অভিশংসন দণ্ড দেওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন। এই সাতজনের মধ্যে একজন সিনেটর লিসা মারকাউস্কি।

আলাস্কা অঙ্গরাজ্যের সিনেটর লিসা ২০০২ সাল থেকে নির্বাচিত হয়ে আসছেন। রিপাবলিকান পার্টির এক ভিন্নধর্মী এই সিনেটর নিজের অবস্থানে থেকে সবসময় লড়াই করছেন। ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকাকালে মারকাউস্কি তার বহু সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন।

২০১৮ সালে ট্রাম্প মনোনীত সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি ব্রেট কাভানাগের বিপক্ষে ভোট দিয়েছিলেন মারকাউস্কি। ২০২০ সালে উদারনৈতিক বিচারপতি রুথ গ্রিন্সবার্গ মারা গেলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে নতুন বিচারপতি মনোনয়ন না দিতে ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি।

রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা হয়েও মারকাউস্কি সিনেটে অভিশংসন আদালতে ট্রাম্পের দণ্ডের পক্ষে ভোট দেন।
এতে সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এতটাই বিগড়ে গেছেন যে, সব ঐতিহ্য ভেঙে দলের একজন প্রার্থীর বিরুদ্ধে সরাসরি মাঠে নামার ঘোষণা দিয়েছেন।

তবে ট্রাম্পের এই বিরূপ মনোভাবের ব্যাপারে লিসার তরফ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। যদিও ট্রাস্পের বিরোধিতার পরও নির্বাচনে লিসার জেতার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ট্রাম্পের এক নম্বর শত্রু কে এই নারী

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৯ জুন ২০২১, ০৯:৪৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ট্রাম্পের এক নম্বর শত্রু কে এই নারী
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা অঙ্গরাজ্যের সিনেটর লিসা মারকাউস্কি ২০২২ সালে পুনর্নির্বাচনের জন্য লড়বেন। ওই নির্বাচনে লিসার জয় ঠেকাতে সব রকম পদক্ষেপ নেওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সিএনএন শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছেন।

ট্রাম্প ওই নির্বাচনে লিসার প্রতিদ্বন্দ্বী কেলি শিবাকাকে নিজের সমর্থন জানিয়েছে এক বিবৃতি দিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেন, লিসা মারকাউস্কি আলস্কার জন্য সুফল বয়ে আনেনি। লিসাকে বিদায় নিতেই হবে। কেলি শিবাকা হলো সেইজন যিনি লিসাকে হঠানোর ক্ষমতা রাখেন- আর কেলি সেটা করে দেখাবে। 

ট্রাম্প এই বিবৃতির মাধ্যমে লিসাকে নিজের এক নম্বর শত্রুতে পরিণত করেছেন বলে সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

প্রশ্ন হলো কেন লিসার প্রতি এতো বিরূপ ট্রাম্প? এর উত্তর খুঁজতে হলে পেছাতে হবে ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন সময়ে। মার্কিন সিনেটে অভিশংসন আদালতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া রিপাবলিকানদের মধ্যে অন্যতম লিসা মারকাউস্কি। 

সিনেটে সাত রিপাবলিকান ট্রাম্পকে অভিশংসন দণ্ড দেওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন। এই সাতজনের মধ্যে একজন সিনেটর লিসা মারকাউস্কি।

আলাস্কা অঙ্গরাজ্যের সিনেটর লিসা ২০০২ সাল থেকে নির্বাচিত হয়ে আসছেন। রিপাবলিকান পার্টির এক ভিন্নধর্মী এই সিনেটর নিজের অবস্থানে থেকে সবসময় লড়াই করছেন। ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকাকালে মারকাউস্কি তার বহু সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন।

২০১৮ সালে ট্রাম্প মনোনীত সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি ব্রেট কাভানাগের বিপক্ষে ভোট দিয়েছিলেন মারকাউস্কি। ২০২০ সালে উদারনৈতিক বিচারপতি রুথ গ্রিন্সবার্গ মারা গেলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে নতুন বিচারপতি মনোনয়ন না দিতে ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি।

রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা হয়েও মারকাউস্কি সিনেটে অভিশংসন আদালতে ট্রাম্পের দণ্ডের পক্ষে ভোট দেন।
এতে সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এতটাই বিগড়ে গেছেন যে, সব ঐতিহ্য ভেঙে দলের একজন প্রার্থীর বিরুদ্ধে সরাসরি মাঠে নামার ঘোষণা দিয়েছেন।

তবে ট্রাম্পের এই বিরূপ মনোভাবের ব্যাপারে লিসার তরফ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। যদিও ট্রাস্পের বিরোধিতার পরও নির্বাচনে লিসার জেতার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন