বেশি সন্তান থাকলেই পুরস্কার ১ লাখ, মিলবে প্রশংসাপত্র ও ট্রফি!
jugantor
বেশি সন্তান থাকলেই পুরস্কার ১ লাখ, মিলবে প্রশংসাপত্র ও ট্রফি!

  যুগান্তর ডেস্ক  

২২ জুন ২০২১, ১৬:১৫:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

বেশি সন্তান থাকলেই পুরস্কার ১ লাখ, মিলবে প্রশংসাপত্র ও ট্রফি!

মিজো সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করতে নগদ পুরস্কার ঘোষণা করেছেন মিজোরামের ক্রীড়ামন্ত্রী রবার্ট রোমাভিয়া রায়তে।

সর্বাধিক সংখ্যায় সন্তান রয়েছে এমন দম্পতির জন্য এক লাখ টাকা নগদ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন তিনি। তবে কতগুলো সন্তান থাকতে হবে, সেই সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি।

রোববার ‘পিতা দিবস’ উপলক্ষ্যে মিজোরামের ক্রীড়ামন্ত্রী রোমাভিয়া এ ঘোষণা দিয়েছেন। তার আইজল পূর্ব-২ বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে সর্বাধিক সন্তান রয়েছে এমন দম্পতিকে এক লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। এ ছাড়া পাওয়া যাবে প্রশংসাপত্র ও ট্রফি। পুরস্কারের ব্যয় বহন করবে মন্ত্রীর ছেলের মালিকানাধীন একটি নির্মাণ পরামর্শ সংস্থা।

রায়তের দাবি, বন্ধ্যত্বের হার এবং মিজো জনসংখ্যা কমার হার গুরুতর উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি বলেন, মিজোরামে জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমে যাওয়ার কারণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন বাধা পাচ্ছে। কম জনসংখ্যা মিজোদের মতো ক্ষুদ্র উপজাতির অস্তিত্ব এবং অগ্রগতির জন্য গুরুতর সমস্যা ও বাধা।

কেন্দ্র সরকারসহ অনেক রাজ্যসরকার যখন জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে জোর দিচ্ছে, তখন মিজোরামের মন্ত্রী উল্টো পথে হেঁটে এ কথা ঘোষণা করলেন। তার এমন বক্তব্যের সমালোচনাও করছেন অনেকে।

বেশি সন্তান থাকলেই পুরস্কার ১ লাখ, মিলবে প্রশংসাপত্র ও ট্রফি!

 যুগান্তর ডেস্ক 
২২ জুন ২০২১, ০৪:১৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বেশি সন্তান থাকলেই পুরস্কার ১ লাখ, মিলবে প্রশংসাপত্র ও ট্রফি!
ছবি: ইন্ডিয়া টিভি

মিজো সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করতে নগদ পুরস্কার ঘোষণা করেছেন মিজোরামের ক্রীড়ামন্ত্রী রবার্ট রোমাভিয়া রায়তে। 

সর্বাধিক সংখ্যায় সন্তান রয়েছে এমন দম্পতির জন্য এক লাখ টাকা নগদ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন তিনি। তবে কতগুলো সন্তান থাকতে হবে, সেই সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। 

রোববার ‘পিতা দিবস’ উপলক্ষ্যে মিজোরামের ক্রীড়ামন্ত্রী রোমাভিয়া এ ঘোষণা দিয়েছেন। তার আইজল পূর্ব-২ বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে সর্বাধিক সন্তান রয়েছে এমন দম্পতিকে এক লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। এ ছাড়া পাওয়া যাবে প্রশংসাপত্র ও ট্রফি। পুরস্কারের ব্যয় বহন করবে মন্ত্রীর ছেলের মালিকানাধীন একটি নির্মাণ পরামর্শ সংস্থা।

রায়তের দাবি, বন্ধ্যত্বের হার এবং মিজো জনসংখ্যা কমার হার গুরুতর উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

তিনি বলেন, মিজোরামে জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমে যাওয়ার কারণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন বাধা পাচ্ছে। কম জনসংখ্যা মিজোদের মতো ক্ষুদ্র উপজাতির অস্তিত্ব এবং অগ্রগতির জন্য গুরুতর সমস্যা ও বাধা।

কেন্দ্র সরকারসহ অনেক রাজ্যসরকার যখন জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে জোর দিচ্ছে, তখন মিজোরামের মন্ত্রী উল্টো পথে হেঁটে এ কথা ঘোষণা করলেন। তার এমন বক্তব্যের সমালোচনাও করছেন অনেকে।  

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন