এবার আফগান-তাজিকিস্তান সীমান্ত দখলে নিল তালেবান
jugantor
এবার আফগান-তাজিকিস্তান সীমান্ত দখলে নিল তালেবান

  অনলাইন ডেস্ক  

২২ জুন ২০২১, ২১:২৯:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

বিশ্লেষকরা বলছেন আফগানিস্তান থেকে বিদেশি সেনা প্রত্যাহারের পর তালেবান দেশটির ক্ষমতা গ্রহণ করবে

এবার তাজিকিস্তানের সঙ্গে আফগানিস্তানের প্রধান সীমান্ত শির খান বন্দর দখল করে নিয়েছে তালেবান।

বার্তা সংস্থা এএফপি সরকারি কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে, আফগান বাহিনীর সদস্যরা শির খান বন্দর সংলগ্ন নিরাপত্তা চৌকি ত্যাগ করেছে। অনেকে সীমান্ত পার হয়ে পালিয়ে গেছেন। খবরে এই ঘটনাকে গত দুই মাসের মধ্যে তালেবানের সর্বোচ্চ অর্জন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত দুই মাসে আফগানিস্তানে তালেবান অন্তত ৩০টি জেলা দখল করে নিয়েছে। আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মঙ্গলবার তালেবানের সঙ্গে অন্তত ১৩টি প্রদেশে তাদের সংঘর্ষ হয়েছে।

তালেবানের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ সীমান্ত দখলের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমাদের মুজাহিদিনরা শির খান বন্দর ও তাজিকিস্তিনা সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

কুন্দুজের প্রাদেশিক কাউন্সিল সদস্য খালিদিন হাকমি বলেন, মঙ্গলবার সকালে এক ঘণ্টার সংঘর্ষে শির খান বন্দর, শহর ও তাজিকিস্তান সীমান্তের সকল নিরাপত্তা চৌকি দখল করে নিয়েছে তালেবান।

এএফপিকে এক সেনা কর্মকর্তা বলেন, সেখানে শত শত তালেবান যোদ্ধা ছিল। আমরা নিরাপত্তা সব নিরাপত্তা চৌকি ত্যাগ করতে বাধ্য হয়।

তাজিকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তটি একটি সেতু দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নে ২০০৭ সালে ৭০০ মিটার সেতুটি নির্মিত হয়েছিল মধ্য এশীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে। শুকনো প্রশস্ত বন্দর শির খানে দৈনিক এক হাজার গাড়ি পরিচালনায় হয়।

কুন্দুজ প্রদেশের চেম্বার অব কমার্সের মুখপাত্র মাসুদ ওয়াহদাত বলেন, এটি হবে একটি বিশাল অর্থনৈতিক ক্ষতি। তালেবান যখন শির খান বন্দর দখল করে তখণও সেখানে ১৫০টি পণ্যবাহী ট্রাক ছিল। আমরা জানিনা এগুলোর কী হয়েছে।

আফগানিস্তানের প্রভাবশালী সংসদ সদস্য সাদিক কাদেরি বলেছেন, কোনো কোনো এলাকা একদম প্রতিরোধ ছাড়াই তালেবানের কাছে ছেড়ে দেওয়া হয়। আফগানিস্তানের এসব অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম তালেবান ব্যবহার করছে। কেন বিনা লড়াইয়ে হঠাৎ করে এই সমস্ত এলাকা তালেবানের কাছে ছেড়ে দেয়া হলো তা অবশ্যই খতিয়ে দেখতে হবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আফগানিস্তান থেকে বিদেশি সেনা প্রত্যাহারের পর তালেবান দেশটির ক্ষমতা গ্রহণ করতে পারে।

এবার আফগান-তাজিকিস্তান সীমান্ত দখলে নিল তালেবান

 অনলাইন ডেস্ক 
২২ জুন ২০২১, ০৯:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বিশ্লেষকরা বলছেন আফগানিস্তান থেকে বিদেশি সেনা প্রত্যাহারের পর তালেবান দেশটির ক্ষমতা গ্রহণ করবে
বিশ্লেষকরা বলছেন আফগানিস্তান থেকে বিদেশি সেনা প্রত্যাহারের পর তালেবান দেশটির ক্ষমতা গ্রহণ করবে। ছবি: রয়টার্স

এবার তাজিকিস্তানের সঙ্গে আফগানিস্তানের প্রধান সীমান্ত শির খান বন্দর দখল করে নিয়েছে তালেবান। 

বার্তা সংস্থা এএফপি সরকারি কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে, আফগান বাহিনীর সদস্যরা শির খান বন্দর সংলগ্ন নিরাপত্তা চৌকি ত্যাগ করেছে। অনেকে সীমান্ত পার হয়ে পালিয়ে গেছেন। খবরে এই ঘটনাকে গত দুই মাসের মধ্যে তালেবানের সর্বোচ্চ অর্জন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত দুই মাসে আফগানিস্তানে তালেবান অন্তত ৩০টি জেলা দখল করে নিয়েছে। আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মঙ্গলবার তালেবানের সঙ্গে অন্তত ১৩টি প্রদেশে তাদের সংঘর্ষ হয়েছে।

তালেবানের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ সীমান্ত দখলের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমাদের মুজাহিদিনরা শির খান বন্দর ও তাজিকিস্তিনা সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। 

কুন্দুজের প্রাদেশিক কাউন্সিল সদস্য খালিদিন হাকমি বলেন, মঙ্গলবার সকালে এক ঘণ্টার সংঘর্ষে শির খান বন্দর, শহর ও তাজিকিস্তান সীমান্তের সকল নিরাপত্তা চৌকি দখল করে নিয়েছে তালেবান।  

এএফপিকে এক সেনা কর্মকর্তা বলেন, সেখানে শত শত তালেবান যোদ্ধা ছিল। আমরা নিরাপত্তা সব নিরাপত্তা চৌকি ত্যাগ করতে বাধ্য হয়। 

তাজিকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তটি একটি সেতু দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নে ২০০৭ সালে ৭০০ মিটার সেতুটি নির্মিত হয়েছিল মধ্য এশীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে। শুকনো প্রশস্ত বন্দর শির খানে দৈনিক এক হাজার গাড়ি পরিচালনায় হয়। 

কুন্দুজ প্রদেশের চেম্বার অব কমার্সের মুখপাত্র মাসুদ ওয়াহদাত বলেন, এটি হবে একটি বিশাল অর্থনৈতিক ক্ষতি। তালেবান যখন শির খান বন্দর দখল করে তখণও সেখানে ১৫০টি পণ্যবাহী ট্রাক ছিল। আমরা জানিনা এগুলোর কী হয়েছে।

আফগানিস্তানের প্রভাবশালী সংসদ সদস্য সাদিক কাদেরি বলেছেন, কোনো কোনো এলাকা একদম প্রতিরোধ ছাড়াই তালেবানের কাছে ছেড়ে দেওয়া হয়। আফগানিস্তানের এসব অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম তালেবান ব্যবহার করছে। কেন বিনা লড়াইয়ে হঠাৎ করে এই সমস্ত এলাকা তালেবানের কাছে ছেড়ে দেয়া হলো তা অবশ্যই খতিয়ে দেখতে হবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আফগানিস্তান থেকে বিদেশি সেনা প্রত্যাহারের পর তালেবান দেশটির ক্ষমতা গ্রহণ করতে পারে।  

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন