সিনোভ্যাকের কার্যকারিতা নিয়ে সন্দিহান সিঙ্গাপুর
jugantor
সিনোভ্যাকের কার্যকারিতা নিয়ে সন্দিহান সিঙ্গাপুর

  রাশিদুল ইসলাম জুয়েল, সিঙ্গাপুর থেকে  

২৩ জুন ২০২১, ০১:৪৯:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

চীনের তৈরি করোনাভাইরাসের টিকা সিনোভ্যাক নিয়ে এবার প্রশ্ন উঠল সিঙ্গাপুরে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীনা সংস্থা সিনোভ্যাকের তৈরি করা টিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন সিঙ্গাপুরের কয়েকজন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ।

ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইন্দোনেশিয়ার করোনা সংক্রমণের কথা উল্লেখ করে সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা কেনেথ ম্যাক জানিয়েছেন, সিনোভ্যাক পাওয়ার পরও যেভাবে মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন, তাতে তিনি রীতিমতো উদ্বিগ্ন। তারই মধ্যে অবশ্য শুক্রবারও সিঙ্গাপুরে চীনের তৈরি করোনা টিকা প্রদানের কাজ চলছে। মার্ককে উদ্ধৃত করে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- মনে হচ্ছে যে বিভিন্ন টিকার কার্যকারিতার উল্লেখজনকভাবে হেরফের হয়।

গত মাসে সিনোভ্যাক-করোনাভ্যাককে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের ছাড়পত্র দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। যে টিকার তৃতীয় পর্যায়ে ট্রায়ালে নাকি ৫০ থেকে ৮৪ শতাংশ কার্যকারিতার প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি করা হয়। কিন্তু সপ্তাহখানেক আগেই ইন্দোনেশিয়ার স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, চীনের তৈরি টিকা নেয়ার পর ৩৫০ জনেরও বেশি স্বাস্থ্যকর্মী এবং চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তার জেরে বেশি সংক্রামক করোনা প্রজাতির বিরুদ্ধে সিনোভ্যাক আদৌও কতটা কার্যকরি, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।

ইন্দোনেশিয়ার প্রদেশের মধ্য জাভার এক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অধিকাংশ স্বাস্থ্যকর্মীর কোনো উপসর্গ ছিল না। কিন্তু তীব্র জ্বর এবং অক্সিজেন সম্পৃক্ততার হেরফেরের কারণে ১২ জনের মতো স্বাস্থ্যকর্মীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়।
ইন্দোনেশিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের অধিকাংশই সিনোভ্যাকের টিকা দেয়া হয়েছিল। মধ্য জাভার কুদুস জেলায় মারাত্মক আকার ধারণ করেছে করোনা; যা সংক্রমণের অন্যতম কারণ ডেল্টা প্রজাতি; যে প্রজাতির প্রথম দেখা মিলেছে ভারতে।

বিষয়টি নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার গ্রিফিথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ জানান, কুদুসে ডেল্টা প্রজাতির ফলে করোনার বাড়বাড়ন্ত হয়েছে। তার ফলে আগের থেকে সংক্রমণের মাত্রা স্বভাবতই বেশি থাকবে। তাছাড়া সিনোভ্যাক্সের করোনা টিকা ডেল্টা প্রজাতির বিরুদ্ধে কতটা কার্যকর, তা নিয়ে উপযুক্ত তথ্যও নেই।

সিনোভ্যাকের কার্যকারিতা নিয়ে সন্দিহান সিঙ্গাপুর

 রাশিদুল ইসলাম জুয়েল, সিঙ্গাপুর থেকে 
২৩ জুন ২০২১, ০১:৪৯ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চীনের তৈরি করোনাভাইরাসের টিকা সিনোভ্যাক নিয়ে এবার প্রশ্ন উঠল সিঙ্গাপুরে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীনা সংস্থা সিনোভ্যাকের তৈরি করা টিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন সিঙ্গাপুরের কয়েকজন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ।

ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইন্দোনেশিয়ার করোনা সংক্রমণের কথা উল্লেখ করে সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা কেনেথ ম্যাক জানিয়েছেন, সিনোভ্যাক পাওয়ার পরও যেভাবে মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন, তাতে তিনি রীতিমতো উদ্বিগ্ন। তারই মধ্যে অবশ্য শুক্রবারও সিঙ্গাপুরে চীনের তৈরি করোনা টিকা প্রদানের কাজ চলছে। মার্ককে উদ্ধৃত করে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- মনে হচ্ছে যে বিভিন্ন টিকার কার্যকারিতার উল্লেখজনকভাবে হেরফের হয়।

গত মাসে সিনোভ্যাক-করোনাভ্যাককে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের ছাড়পত্র দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। যে টিকার তৃতীয় পর্যায়ে ট্রায়ালে নাকি ৫০ থেকে ৮৪ শতাংশ কার্যকারিতার প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি করা হয়। কিন্তু সপ্তাহখানেক আগেই ইন্দোনেশিয়ার স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, চীনের তৈরি টিকা নেয়ার পর ৩৫০ জনেরও বেশি স্বাস্থ্যকর্মী এবং চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তার জেরে বেশি সংক্রামক করোনা প্রজাতির বিরুদ্ধে সিনোভ্যাক আদৌও কতটা কার্যকরি, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। 

ইন্দোনেশিয়ার প্রদেশের মধ্য জাভার এক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অধিকাংশ স্বাস্থ্যকর্মীর কোনো উপসর্গ ছিল না। কিন্তু তীব্র জ্বর এবং অক্সিজেন সম্পৃক্ততার হেরফেরের কারণে ১২ জনের মতো স্বাস্থ্যকর্মীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। 
ইন্দোনেশিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের অধিকাংশই সিনোভ্যাকের টিকা দেয়া হয়েছিল। মধ্য জাভার কুদুস জেলায় মারাত্মক আকার ধারণ করেছে করোনা; যা সংক্রমণের অন্যতম কারণ ডেল্টা প্রজাতি; যে প্রজাতির প্রথম দেখা মিলেছে ভারতে।

বিষয়টি নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার গ্রিফিথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ জানান, কুদুসে ডেল্টা প্রজাতির ফলে করোনার বাড়বাড়ন্ত হয়েছে। তার ফলে আগের থেকে সংক্রমণের মাত্রা স্বভাবতই বেশি থাকবে। তাছাড়া সিনোভ্যাক্সের করোনা টিকা ডেল্টা প্রজাতির বিরুদ্ধে কতটা কার্যকর, তা নিয়ে উপযুক্ত তথ্যও নেই।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন