বিজেপি কর্মীদের ‘ভাইরাসমুক্ত’ করতে স্যানিটাইজার ছিটিয়ে দলে নিল তৃণমূল
jugantor
বিজেপি কর্মীদের ‘ভাইরাসমুক্ত’ করতে স্যানিটাইজার ছিটিয়ে দলে নিল তৃণমূল

  অনলাইন ডেস্ক  

২৪ জুন ২০২১, ১৭:৩৯:০৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ইলামবাজারে এভাবেই তৃণমূল কংগ্রেসে বরণ করে নেওয়া হল বিজেপি কর্মীদের।

লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন বিজেপি কর্মীরা। একে একে তারা যোগ দেবেন তৃণমূলে। সেই দলবদলের আগেই বিজেপি কর্মীদের ‘ভাইরাসমুক্ত’ করতে স্যানিটাইজার ছিটিয়ে ‘শুদ্ধ’ করছেন তৃণমূল কর্মীরা।

বৃহস্পতিবার অনুব্রত মণ্ডলের এলাকা বীরভূমের ইলামবাজারে এভাবেই তৃণমূল কংগ্রেসে বরণ করে নেওয়া হল বিজেপি কর্মীদের। এর আগে এই জেলার লাভপুরে বিজেপি কর্মীদের একাংশ এলাকা ঘুরে প্রচার করেছিলেন— বিজেপি করে অন্যায় করেছেন। এবার তৃণমূলে ফিরতে চান। তাদের ফেরানোও হয়েছিল। এর পর রাজ্যের কোথাও বিজেপি কর্মীদের গঙ্গা জল দিয়ে ‘শুদ্ধ’ করে তৃণমূলে ফেরানো হয়েছে। কোথাও আবার বিজেপি কর্মীকে মাথা ন্যাড়া ‘প্রায়শ্চিত্ত’ করিয়ে দলে নেয় তৃণমূল। এ বার দলে নেওয়া হল স্যানিটাইজার ছিটিয়ে, ‘ভাইরাসমুক্ত’ করে।

আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়, বোলপুর বিধানসভা এলাকার ইলামবাজার এলাকায় দেবীপুরে বিজেপির দেড়শতাধিক কর্মী বৃহস্পতিবার গেরুয়া শিবির ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। সেই অনুষ্ঠানের জন্য মঞ্চ বেধে শুরু করা হয় যোগদান অনুষ্ঠান। এই যোগদান কর্মসূচিতে বেশিরভাগই বিজেপির মহিলা মোর্চার সদস্য ছিলেন। সেখানে একটি যন্ত্র দিয়ে স্যানিটাইজার ছিটিয়ে দেওয়ার পর যোগদানকারীদের তৃণমূলে নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে ইলামবাজার তৃণমূলে নেতা দুলাল রায় বলেন, ‘‘যারা বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে ভাইরাস ছিল। তাই দলে নেওয়ার আগে ওদের ভাইরাসমুক্ত করার লক্ষ্যে স্যানিটাইজ করা হল। এর পরেই ওই বিজেপি কর্মীদের দলে নেওয়া হয়েছে।’

বিজেপি নেতাকর্মীদের দলে ভেড়ানোর ওই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বোলপুর বিজেপির নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘তৃণমূল সবচেয়ে বড় ভাইরাস। জেলা জুড়ে যে অরাজকতা সৃষ্টি করছে ওরা, এ ঘটনাই তার প্রমাণ। বিজেপির সাধারণ কর্মীরা নিজেদের রক্ষা করতে তৃণমূলে যাচ্ছেন। কারণ একটাই, তাদের ওপর নির্মম অত্যাচার চলছে।’

বিজেপি কর্মীদের ‘ভাইরাসমুক্ত’ করতে স্যানিটাইজার ছিটিয়ে দলে নিল তৃণমূল

 অনলাইন ডেস্ক 
২৪ জুন ২০২১, ০৫:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ইলামবাজারে এভাবেই তৃণমূল কংগ্রেসে বরণ করে নেওয়া হল বিজেপি কর্মীদের।
ইলামবাজারে এভাবেই স্যানিটাইজার তৃণমূল কংগ্রেসে বরণ করে নেওয়া হল বিজেপি কর্মীদের। ছবি: আনন্দবাজার পত্রিকা

লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন বিজেপি কর্মীরা। একে একে তারা যোগ দেবেন তৃণমূলে। সেই দলবদলের আগেই বিজেপি কর্মীদের ‘ভাইরাসমুক্ত’ করতে স্যানিটাইজার ছিটিয়ে ‘শুদ্ধ’ করছেন তৃণমূল কর্মীরা। 

বৃহস্পতিবার অনুব্রত মণ্ডলের এলাকা বীরভূমের ইলামবাজারে এভাবেই তৃণমূল কংগ্রেসে বরণ করে নেওয়া হল বিজেপি কর্মীদের। এর আগে এই জেলার লাভপুরে বিজেপি কর্মীদের একাংশ এলাকা ঘুরে প্রচার করেছিলেন— বিজেপি করে অন্যায় করেছেন। এবার তৃণমূলে ফিরতে চান। তাদের ফেরানোও হয়েছিল। এর পর রাজ্যের কোথাও বিজেপি কর্মীদের গঙ্গা জল দিয়ে ‘শুদ্ধ’ করে তৃণমূলে ফেরানো হয়েছে। কোথাও আবার বিজেপি কর্মীকে মাথা ন্যাড়া ‘প্রায়শ্চিত্ত’ করিয়ে দলে নেয় তৃণমূল। এ বার দলে নেওয়া হল স্যানিটাইজার ছিটিয়ে, ‘ভাইরাসমুক্ত’ করে।

আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়, বোলপুর বিধানসভা এলাকার ইলামবাজার এলাকায় দেবীপুরে বিজেপির দেড়শতাধিক কর্মী বৃহস্পতিবার গেরুয়া শিবির ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। সেই অনুষ্ঠানের জন্য মঞ্চ বেধে শুরু করা হয় যোগদান অনুষ্ঠান। এই যোগদান কর্মসূচিতে বেশিরভাগই বিজেপির মহিলা মোর্চার সদস্য ছিলেন। সেখানে একটি যন্ত্র দিয়ে স্যানিটাইজার ছিটিয়ে দেওয়ার পর যোগদানকারীদের তৃণমূলে নেওয়া হয়। 

এ বিষয়ে ইলামবাজার তৃণমূলে নেতা দুলাল রায় বলেন, ‘‘যারা বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে ভাইরাস ছিল। তাই দলে নেওয়ার আগে ওদের ভাইরাসমুক্ত করার লক্ষ্যে স্যানিটাইজ করা হল। এর পরেই ওই বিজেপি কর্মীদের দলে নেওয়া হয়েছে।’
 
বিজেপি নেতাকর্মীদের দলে ভেড়ানোর ওই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বোলপুর বিজেপির নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘তৃণমূল সবচেয়ে বড় ভাইরাস। জেলা জুড়ে যে অরাজকতা সৃষ্টি করছে ওরা, এ ঘটনাই তার প্রমাণ। বিজেপির সাধারণ কর্মীরা নিজেদের রক্ষা করতে তৃণমূলে যাচ্ছেন। কারণ একটাই, তাদের ওপর নির্মম অত্যাচার চলছে।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন ২০২১