ইউক্রেনের বিমান ভূপাতিত করার সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন ইরানের কর্মকর্তারা!
jugantor
ইউক্রেনের বিমান ভূপাতিত করার সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন ইরানের কর্মকর্তারা!

  অনলাইন ডেস্ক  

২৪ জুন ২০২১, ১৭:৫৭:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

তেহরানে বিধ্বস্ত ইউক্রেনের যাত্রীবাহী উড়োজাহাজের ১৭৬ জন আরোহীর সবাই নিহত হয়

ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইউক্রেনের বিমান ভূপাতিতের ঘটনায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে কানাডা। এই রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিমান ভূপাতিত করার সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন ইরানের সিনিয়র কর্মকর্তারা। খবর আল আরাবিয়া।

গত বছরের ৮ জানুয়ারি তেহরানের খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ১৭৬ জন আরোহী নিয়ে ইউক্রেন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের একটি বিমান (ফ্লাইট- পিএস-৭৫২) উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই বিধ্বস্ত হয়। যাত্রীদের মধ্যে ইরানের ৮২ জন, কানাডার ৫৭, ইউক্রেনের ১১, সুইডেনের ১০, আফগানিস্তানের চারজন এবং যুক্তরাজ্যের তিনজন। তারা সবাই নিহত হয়।

এর আগে একই বছরের ৩ জানুয়ারি বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মার্কিন ড্রোন হামলায় ইরানি জেনারেল ও কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করা হয়।

এই ঘটনা নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছিল। কাসেম সোলাইমানি হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে ইরানের সামরিক বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়। ইরানের বিপ্লবী গার্ডইউক্রেনের বিমানটিকে শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমান মনে করে ভুল করে হামলা চালায়।

ইরান প্রথমে এটি অস্বীকার করলেও পরে কানাডা একটি স্যাটেলাইট ভিডিও সামনে নিয়ে আসলে পরে তেহরান ভুল স্বীকার করে।

ইরানের সামরিক বাহিনী জানায়, অনিচ্ছাকৃতভাবে ইউক্রেনের যাত্রীবাহী বিমানটিকে ভূপাতিত করেছে তারা। বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের রেভুল্যুশনারি গার্ডের একটি স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার কাছাকাছি যাত্রীবাহী বিমানটি চলে আসলে ‘মানব ত্রুটি’র কারণে বিমানটি ভূপাতিত হয়।

বিমানটিকে ‘শত্রু টার্গেট’ মনে করে ভুল করা হয় এবং ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয় উল্লেখ করে এ ঘটনায় জড়িতদের জবাবদিহিতার আওতায় আনারও ঘোষণা দেওয়া হয়।

গত বছরের ডিসেম্বরে কানাডা ঘটনা নিয়ে একটি তদন্ত রিপোর্ট দেয়। এরপর এ বিষয়ে তারা চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিল।

কানাডার চূড়ান্ত ফরেনসিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিমানে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপে ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ইরান সেটা বিবেচনায় নেয়নি। এর ফলে যা ঘটার তা ঘটে। এই ঘটনায় ইরানের বিপ্লবী গার্ড যথযাথ ব্যাখা প্রদানেও ব্যর্থ হয়েছে বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে।

তবে কানাডার চূড়ান্ত প্রতিবেদন নিয়ে ইরান এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি।

ইউক্রেনের বিমান ভূপাতিত করার সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন ইরানের কর্মকর্তারা!

 অনলাইন ডেস্ক 
২৪ জুন ২০২১, ০৫:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
তেহরানে বিধ্বস্ত ইউক্রেনের যাত্রীবাহী উড়োজাহাজের ১৭৬ জন আরোহীর সবাই নিহত হয়
তেহরানে বিধ্বস্ত ইউক্রেনের যাত্রীবাহী উড়োজাহাজের ১৭৬ জন আরোহীর সবাই নিহত হয়। ছবি এএফপি

ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইউক্রেনের বিমান ভূপাতিতের ঘটনায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে কানাডা। এই রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিমান ভূপাতিত করার সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন ইরানের সিনিয়র কর্মকর্তারা। খবর আল আরাবিয়া। 

গত বছরের ৮ জানুয়ারি তেহরানের খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ১৭৬ জন আরোহী নিয়ে ইউক্রেন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের একটি বিমান (ফ্লাইট- পিএস-৭৫২) উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই বিধ্বস্ত হয়। যাত্রীদের মধ্যে ইরানের ৮২ জন, কানাডার ৫৭, ইউক্রেনের ১১, সুইডেনের ১০, আফগানিস্তানের চারজন এবং যুক্তরাজ্যের তিনজন। তারা সবাই নিহত হয়। 

এর আগে একই বছরের ৩ জানুয়ারি বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মার্কিন ড্রোন হামলায় ইরানি জেনারেল ও কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করা হয়। 

এই ঘটনা নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছিল। কাসেম সোলাইমানি হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে ইরানের সামরিক বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়। ইরানের বিপ্লবী গার্ড ইউক্রেনের বিমানটিকে শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমান মনে করে ভুল করে হামলা চালায়।

ইরান প্রথমে এটি অস্বীকার করলেও পরে কানাডা একটি স্যাটেলাইট ভিডিও সামনে নিয়ে আসলে পরে তেহরান ভুল স্বীকার করে।

ইরানের সামরিক বাহিনী জানায়, অনিচ্ছাকৃতভাবে ইউক্রেনের যাত্রীবাহী বিমানটিকে ভূপাতিত করেছে তারা। বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের রেভুল্যুশনারি গার্ডের একটি স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার কাছাকাছি যাত্রীবাহী বিমানটি চলে আসলে ‘মানব ত্রুটি’র কারণে বিমানটি ভূপাতিত হয়।

বিমানটিকে ‘শত্রু টার্গেট’ মনে করে ভুল করা হয় এবং ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয় উল্লেখ করে এ ঘটনায় জড়িতদের জবাবদিহিতার আওতায় আনারও ঘোষণা দেওয়া হয়। 

গত বছরের ডিসেম্বরে কানাডা ঘটনা নিয়ে একটি তদন্ত রিপোর্ট দেয়। এরপর এ বিষয়ে তারা চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিল। 

কানাডার চূড়ান্ত ফরেনসিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিমানে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপে ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ইরান সেটা বিবেচনায় নেয়নি। এর ফলে যা ঘটার তা ঘটে। এই ঘটনায় ইরানের বিপ্লবী গার্ড যথযাথ ব্যাখা প্রদানেও ব্যর্থ হয়েছে বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে।

তবে কানাডার চূড়ান্ত প্রতিবেদন নিয়ে ইরান এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন