ভোটের পর খোঁজ মিলছে না এমপির, সন্ধান চেয়ে পোস্টার
jugantor
ভোটের পর খোঁজ মিলছে না এমপির, সন্ধান চেয়ে পোস্টার

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৪ জুন ২০২১, ১৭:৫৯:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোটের পর খোঁজ মিলছে না এমপির, সন্ধান চেয়ে পোস্টার

ভোট হয়ে গেছে। এরপর থেকেই আর দেখা নেই এমপির। একেবারেই ‘নিখোঁজ’। খোঁজ পেতে তাই এলাকায় রাস্তার মোড়ে মোড়ে সাঁটানো হয়েছে পোস্টার।

শুধু তাই নয় খোঁজ দিতে পারলে পুরস্কারের ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে। এমন ঘটনা ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে। এই পোস্টারকে কেন্দ্র করেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের।

সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। এতে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন বিজেপির ভরাডুবি হয়েছে। বিপুল জয় পেয়েছে মমতা ব্যানার্জির তৃণমূল কংগ্রেস।

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাবুল সুপ্রিয়র ছবিসহ সেই পোস্টারে লেখা হয়েছে, গুমশুদা কি তালাশ। যার অর্থ-নিরুদ্দেশের খোঁজে।

এ ছাড়াও উল্লেখ করা হয়েছে বাবুলের বিস্তারিত বিবরণও। পরিচিতি হিসাবে লেখা হয়েছে, ‘তার রং ফর্সা এবং কাজ হলো মিথ্যা কথা বলা। আসানসোল লোকসভা এলাকার কোনো সমস্যা সম্পর্কেই তার কোনো ধারণা নেই। বিষয়টি নিয়ে এলাকার মানুষ অত্যন্ত বিরক্ত। একই সঙ্গে পোস্টারে উল্লেখ করা হয়েছে, কেউ যদি বাবুলকে খুঁজে দিতে পারেন, তা হলে পুরস্কার দেওয়া হবে।’

জামুরিয়া বাজার ও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বাবুলের খোঁজে এ পোস্টার লাগানো হয়েছে। পোস্টারগুলো লাগানো হয়েছে জামুরিয়া নাগরিকদের ব্যানারে।

এ নিয়ে বিরোধী বিজেপির পক্ষ থেকে ক্ষমতাসীন দল তৃণমূলকে দায়ী করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসই এ কাজ করেছে। স্থানীয় একজন বিজেপি নেতার অভিযোগ, এর আগেও সাংসদের বিরুদ্ধে এ ধরনের পোস্টার লাগানো হয়েছিল।

বিজেপির অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এর আগেও সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়র নামে নিখোঁজ ডায়েরি করেছিল রানীগঞ্জের একটি স্কুলের ছাত্রছাত্রী। ফলাফলের পর থেকেই দীর্ঘদিন ধরে নাকি সাংসদকে দেখা যায় না এলাকায়।

সেই কারণেই এই বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী এই পোস্টারগুলো লাগিয়েছেন বলে অনুমান। যদিও এ বিষয়ে কেউ মুখ খুলতে রাজি নয়। বাবুল সুপ্রিয় আসানসোলের সাংসদ হওয়ার পর একাধিকবার দাবি করে এসেছেন তিনি আসানসোলের প্রচুর উন্নতি করেছেন। কারও কোনো ক্ষোভ নেই।তৃণমূল নেতাদের উদ্দেশে বাবুল সুপ্রিয় কটাক্ষ করে আসানসোলে ঘুরে আসার আহ্বানও জানিয়েছিলেন।

ভোটের পর খোঁজ মিলছে না এমপির, সন্ধান চেয়ে পোস্টার

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৪ জুন ২০২১, ০৫:৫৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ভোটের পর খোঁজ মিলছে না এমপির, সন্ধান চেয়ে পোস্টার
ছবি: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

ভোট হয়ে গেছে। এরপর থেকেই আর দেখা নেই এমপির। একেবারেই ‘নিখোঁজ’। খোঁজ পেতে তাই এলাকায় রাস্তার মোড়ে মোড়ে সাঁটানো হয়েছে পোস্টার। 

শুধু তাই নয় খোঁজ দিতে পারলে পুরস্কারের ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে। এমন ঘটনা ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে। এই পোস্টারকে কেন্দ্র করেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের। 

সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। এতে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন বিজেপির ভরাডুবি হয়েছে। বিপুল জয় পেয়েছে মমতা ব্যানার্জির তৃণমূল কংগ্রেস। 

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাবুল সুপ্রিয়র ছবিসহ সেই পোস্টারে লেখা হয়েছে, গুমশুদা কি তালাশ। যার অর্থ-নিরুদ্দেশের খোঁজে। 

এ ছাড়াও উল্লেখ করা হয়েছে বাবুলের বিস্তারিত বিবরণও। পরিচিতি হিসাবে লেখা হয়েছে, ‘তার রং ফর্সা এবং কাজ হলো মিথ্যা কথা বলা। আসানসোল লোকসভা এলাকার কোনো সমস্যা সম্পর্কেই তার কোনো ধারণা নেই। বিষয়টি নিয়ে এলাকার মানুষ অত্যন্ত বিরক্ত। একই সঙ্গে পোস্টারে উল্লেখ করা হয়েছে, কেউ যদি বাবুলকে খুঁজে দিতে পারেন, তা হলে পুরস্কার দেওয়া হবে।’ 

জামুরিয়া বাজার ও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বাবুলের খোঁজে এ পোস্টার লাগানো হয়েছে। পোস্টারগুলো লাগানো হয়েছে জামুরিয়া নাগরিকদের ব্যানারে। 

এ নিয়ে বিরোধী বিজেপির পক্ষ থেকে ক্ষমতাসীন দল তৃণমূলকে দায়ী করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসই এ কাজ করেছে। স্থানীয় একজন বিজেপি নেতার অভিযোগ, এর আগেও সাংসদের বিরুদ্ধে এ ধরনের পোস্টার লাগানো হয়েছিল। 

বিজেপির অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এর আগেও সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়র নামে নিখোঁজ ডায়েরি করেছিল রানীগঞ্জের একটি স্কুলের ছাত্রছাত্রী। ফলাফলের পর থেকেই দীর্ঘদিন ধরে নাকি সাংসদকে দেখা যায় না এলাকায়।

সেই কারণেই এই বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী এই পোস্টারগুলো লাগিয়েছেন বলে অনুমান। যদিও এ বিষয়ে কেউ মুখ খুলতে রাজি নয়। বাবুল সুপ্রিয় আসানসোলের সাংসদ হওয়ার পর একাধিকবার দাবি করে এসেছেন তিনি আসানসোলের প্রচুর উন্নতি করেছেন। কারও কোনো ক্ষোভ নেই। তৃণমূল নেতাদের উদ্দেশে বাবুল সুপ্রিয় কটাক্ষ করে আসানসোলে ঘুরে আসার আহ্বানও জানিয়েছিলেন।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন