তালেবানের একের পর এক এলাকা জয়ের রহস্য জানালেন গভর্নর
jugantor
তালেবানের একের পর এক এলাকা জয়ের রহস্য জানালেন গভর্নর

  অনলাইন ডেস্ক  

২৪ জুন ২০২১, ২২:২৬:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে আফগানিস্তানের পাকতিয়া প্রদেশের নয়টি জেলা দখল করে নিয়েছে তালেবান

আফগানিস্তানের বিভিন্ন এলাকা দখলে সরকারি বাহিনী এবং তালেবানের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ চলছে। গত মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দেশটি থেকে বিদেশি সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিলে দেশজুড়ে আক্রমণ বাড়িয়েছে তালেবান।

আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত দেবরাহ লিওনস জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে আফগানিস্তানের ৩৭০টি জেলার মধ্যে তালেবান ৫০ অধিক জেলা দখল করে নিয়েছে।

আফগান সরকারের আমলা, কর্মকর্তারা তালেবানের সাম্প্রতিক অগ্রসর সন্দেহের চোখে দেখছেন। তালেবানের গোপন শক্তি যখন তাদের চিন্তিত করে তুলেছে এমন সময়ে বিস্ময়কর তথ্য জানালপাকতিয়া প্রদেশের বাসিন্দা, গভর্নর ও এমপি।

মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে আফগানিস্তানের এই প্রদেশটির নয়টি জেলা দখল করে নিয়েছে তালেবান। প্রদেশটির বাসিন্দারা বলছে, আফগান বাহিনী প্রতিরোধ ছাড়াই নিরাপত্তা চৌকি ত্যাগ করছে।

বৃহস্পতিবার পাকতিয়ার গভর্নর হালিম ফিদাই বলেন, সেনাবাহিনীর মধ্যে কিছু সদস্য ভেতরে ভেতরে তালেবানকে সহায়তা করছে।নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে তালেবানেরঅনুপ্রবেশ ঘটেছে। তালেবানের অঞ্চল দখলে এটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এছাড়া উপজাতি ‘বড় ভাই’রাও তালেবানকে সহযোগিতা করছে।

হালিম ফিদাই বলেন, উপজাতি বড় ভাই এবং সেনাবাহিনীর মধ্যে তালেবান থেকে অনুপ্রবেশকারীদের উপস্থিতি বিপজ্জনকহারে বেড়েছে। এর ফলে তালেবান একের পর এক এলাকা দখল করে নিতে সক্ষম হচ্ছে।

পাকতিয়ার এমপি ইয়ারবাজ হামিদি বলেন, নিরাপত্তা বাহিনী এবং উপজাতিদের মধ্যে কিছু এজেন্ট আফগান বাহিনীর মনোবল ভেঙ্গে দিতে কাজ করছে। কিন্তু আফগান বাহিনীর মনোবল অনেক শক্ত, তারা সেনাবাহিনীর মনোবল ভাঙতে পারবে না।

পাকতিয়ার জাজাই আরিউব জেলার বাসিন্দা বারিলাই মাফতুন বলেন, ব্যাপক সংখ্যক তালেবান সদস্য আসার পর উপজাতি ভাইয়েরা তাদের সঙ্গে মধ্যস্থতা শুরু করে। এরপর নিরপত্তা বাহিনীর সকল সদস্য তাদের নিকট আত্মসমর্পন করে।

আফগানিস্তানের পাকতিয়া প্রদেশের ১৪টি জেলা রয়েছে।গত সাতদিনেনয়টি জেলা কেন্দ্র দখল করে নিয়েছে তালেবান।

আফগানিস্তানের প্রভাবশালী সংসদ সদস্য সাদিক কাদেরি বলেছেন, কোনো কোনো এলাকা একদম প্রতিরোধ ছাড়াই তালেবানের কাছে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। আফগানিস্তানের এসব অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম তালেবান ব্যবহার করছে। কেন বিনা লড়াইয়ে হঠাৎ করে এই সমস্ত এলাকা তালেবানের কাছে ছেড়ে দেয়া হলো তা অবশ্যই খতিয়ে দেখতে হবে।

তালেবানের একের পর এক এলাকা জয়ের রহস্য জানালেন গভর্নর

 অনলাইন ডেস্ক 
২৪ জুন ২০২১, ১০:২৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে আফগানিস্তানের পাকতিয়া প্রদেশের নয়টি জেলা দখল করে নিয়েছে তালেবান
মাত্র সাতদিনে আফগানিস্তানের পাকতিয়া প্রদেশের ৯টি জেলা দখল করে নিয়েছে তালেবান। ছবি: এএফপি

আফগানিস্তানের বিভিন্ন এলাকা দখলে সরকারি বাহিনী এবং তালেবানের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ চলছে। গত মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দেশটি থেকে বিদেশি সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিলে দেশজুড়ে আক্রমণ বাড়িয়েছে তালেবান।

আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত দেবরাহ লিওনস জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে আফগানিস্তানের ৩৭০টি জেলার মধ্যে তালেবান ৫০ অধিক জেলা দখল করে নিয়েছে। 

আফগান সরকারের আমলা, কর্মকর্তারা তালেবানের সাম্প্রতিক অগ্রসর সন্দেহের চোখে দেখছেন। তালেবানের গোপন শক্তি যখন তাদের চিন্তিত করে তুলেছে এমন সময়ে বিস্ময়কর তথ্য জানাল পাকতিয়া প্রদেশের বাসিন্দা, গভর্নর ও এমপি।

মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে আফগানিস্তানের এই প্রদেশটির নয়টি জেলা দখল করে নিয়েছে তালেবান। প্রদেশটির বাসিন্দারা বলছে, আফগান বাহিনী প্রতিরোধ ছাড়াই নিরাপত্তা চৌকি ত্যাগ করছে। 

বৃহস্পতিবার পাকতিয়ার গভর্নর হালিম ফিদাই বলেন, সেনাবাহিনীর মধ্যে কিছু সদস্য ভেতরে ভেতরে তালেবানকে সহায়তা করছে। নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে তালেবানের অনুপ্রবেশ ঘটেছে। তালেবানের অঞ্চল দখলে এটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এছাড়া উপজাতি ‘বড় ভাই’রাও তালেবানকে সহযোগিতা করছে। 

হালিম ফিদাই বলেন, উপজাতি বড় ভাই এবং সেনাবাহিনীর মধ্যে তালেবান থেকে অনুপ্রবেশকারীদের উপস্থিতি বিপজ্জনকহারে বেড়েছে। এর ফলে তালেবান একের পর এক এলাকা দখল করে নিতে সক্ষম হচ্ছে।  

পাকতিয়ার এমপি ইয়ারবাজ হামিদি বলেন, নিরাপত্তা বাহিনী এবং উপজাতিদের মধ্যে কিছু এজেন্ট আফগান বাহিনীর মনোবল ভেঙ্গে দিতে কাজ করছে। কিন্তু আফগান বাহিনীর মনোবল অনেক শক্ত, তারা সেনাবাহিনীর মনোবল ভাঙতে পারবে না। 

পাকতিয়ার জাজাই আরিউব জেলার বাসিন্দা বারিলাই মাফতুন বলেন, ব্যাপক সংখ্যক তালেবান সদস্য আসার পর উপজাতি ভাইয়েরা তাদের সঙ্গে মধ্যস্থতা শুরু করে। এরপর নিরপত্তা বাহিনীর সকল সদস্য তাদের নিকট আত্মসমর্পন করে। 

আফগানিস্তানের পাকতিয়া প্রদেশের ১৪টি জেলা রয়েছে। গত সাতদিনে নয়টি জেলা কেন্দ্র দখল করে নিয়েছে তালেবান।

আফগানিস্তানের প্রভাবশালী সংসদ সদস্য সাদিক কাদেরি বলেছেন, কোনো কোনো এলাকা একদম প্রতিরোধ ছাড়াই তালেবানের কাছে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। আফগানিস্তানের এসব অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম তালেবান ব্যবহার করছে। কেন বিনা লড়াইয়ে হঠাৎ করে এই সমস্ত এলাকা তালেবানের কাছে ছেড়ে দেয়া হলো তা অবশ্যই খতিয়ে দেখতে হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন