মায়ামিতে ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে শতাধিক লোক
jugantor
মায়ামিতে ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে শতাধিক লোক

  অনলাইন ডেস্ক  

২৫ জুন ২০২১, ০৭:৪৮:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার অঙ্গরাজ্যের মায়ামির সার্ফসাইড এলাকায় ১২তলা একটি ভবনে ধসে কমপক্ষে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও শতাধিক লোক আটকা পড়েছেন বলে উদ্ধারকর্মীদের ধারনা। বৃহস্পতিবার ধসে যাওয়া ভবনের একটি অংশ এখনো দাঁড়িয়ে রয়েছে। খবর সিএনএন, বিবিসি ও রয়টার্সের।

উদ্ধারকর্মীরা ৩৫ জনকে উদ্ধার করেছেন। এদের মধ্যে ১১ জন গুরুতর আহত।উদ্ধার কাজে প্রশিক্ষিত কুকুর এবং ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে।

পুলিশ বলেছে, ওই ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছিল ১৯৮০ সালে। এতে ১৩০টি ইউনিট ছিল। এই ধসের কারণে অর্ধেক ইউনিট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর ধসের সময় ঠিক কতজন ভবনে উপস্থিত ছিলেন তা জানা যায়নি।

মিয়ামি-ডেড এলাকার মেয়র ড্যানিয়েল লেভিন ক্যাভা বলেছেন, এখন পর্যন্ত ৯৯ জন নিখোঁজ আছেন।নিখোঁজদের মধ্যে কমপক্ষে ১৮ জন লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশের নাগরিক।

ঠিক কতজন এখনো আটকা পড়ে আছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।কর্তৃপক্ষ বলেছে, ওই ভবনের কিছু অংশ সংস্কারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। এই ভবনের পাশেই আরেকটি নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে ভবনটি ধসে গেছে তা এখনো জানা যায়নি।

সার্ফসাইডের অগ্নিনির্বাপণ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৩৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

মায়ামিতে ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে শতাধিক লোক

 অনলাইন ডেস্ক 
২৫ জুন ২০২১, ০৭:৪৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার অঙ্গরাজ্যের মায়ামির সার্ফসাইড এলাকায় ১২তলা একটি ভবনে ধসে কমপক্ষে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও শতাধিক লোক আটকা পড়েছেন বলে উদ্ধারকর্মীদের ধারনা। বৃহস্পতিবার ধসে যাওয়া ভবনের একটি অংশ এখনো দাঁড়িয়ে রয়েছে। খবর সিএনএন, বিবিসি ও রয়টার্সের।

উদ্ধারকর্মীরা ৩৫ জনকে উদ্ধার করেছেন। এদের মধ্যে ১১ জন গুরুতর আহত।উদ্ধার কাজে প্রশিক্ষিত কুকুর এবং ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে।

পুলিশ বলেছে, ওই ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছিল ১৯৮০ সালে। এতে ১৩০টি ইউনিট ছিল। এই ধসের কারণে অর্ধেক ইউনিট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর ধসের সময় ঠিক কতজন ভবনে উপস্থিত ছিলেন তা জানা যায়নি।

মিয়ামি-ডেড এলাকার মেয়র ড্যানিয়েল লেভিন ক্যাভা বলেছেন, এখন পর্যন্ত ৯৯ জন নিখোঁজ আছেন।নিখোঁজদের মধ্যে কমপক্ষে ১৮ জন লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশের নাগরিক।

ঠিক কতজন এখনো আটকা পড়ে আছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।কর্তৃপক্ষ বলেছে, ওই ভবনের কিছু অংশ সংস্কারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। এই ভবনের পাশেই আরেকটি নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে ভবনটি ধসে গেছে তা এখনো জানা যায়নি।

সার্ফসাইডের অগ্নিনির্বাপণ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৩৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন