পুলিশ হেফাজতে মারা গেলেন ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের কট্টর সমালোচক, বিক্ষোভ
jugantor
পুলিশ হেফাজতে মারা গেলেন ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের কট্টর সমালোচক, বিক্ষোভ

  অনলাইন ডেস্ক  

২৫ জুন ২০২১, ১৫:১১:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কট্টর সমালোচক হিসেবে পরিচিত নিজার বানাত পুলিশ হেফাজতে মারা গেছেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন পশ্চিমতীরের বাসিন্দারা।

বৃহস্পতিবার বিক্ষোভে অংশ নেন অসংখ্য ফিলিস্তিনি। খবর মিডল ইস্ট আইয়ের।

ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক কেন্দ্র রামাল্লায় বিক্ষোভ থেকে মাহমুদ আব্বাসের বিরুদ্ধে স্লোগান ওঠে। ‘গদি ছাড়ো আব্বাস’, ‘মানুষ এ সরকারের পতন চায়’— এ ধরনের নানা স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা।

বিক্ষোভে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লাঠিচার্জ করার পাশাপাশি বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়ার জন্য কাঁদানে গ্যাস এবং স্টান গ্রেনেড ব্যবহার করে।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায় বানাতকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেয়। গ্রেফতারের কিছুক্ষণ পরই তার মৃত্যুর খবর জানায় ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ।

চিকিৎসক সামীর জারৌর প্রাথমিক ময়নাতদন্তের ওপর ভিত্তি করে বলেন, বানাতের শরীরজুড়ে আঘাতের চিহ্ন ছিল।

বৃহস্পতিবার রামাল্লাভিত্তিক মানবাধিকার সম্পর্কিত স্বাধীন কমিশন এক সংবাদ সম্মেলনে ময়নাতদন্তের এ রিপোর্ট প্রকাশ করে।

চিকিৎসক সামীর বলেন, বানাতের মাথার, ঘাড়ে ও কাঁধে আঘাত ছিল। পাশাপাশি পাঁজর ভেঙে গেছে। ফুসফুসে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়েছিল তার। এর অর্থ হলো— ভুক্তভোগী গুরুতর কোনো রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাননি।

খবরে বলা হয়, ১০ দিনের মধ্যে ময়নাতদন্তের পুরো প্রতিবেদন মিলবে। এর পরই বানাতের মৃত্যু সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

এদিকে ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শতেয়াহ বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য বিচারমন্ত্রীর মোহাম্মদ শালালদেহের নেতৃত্বে কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষের তদন্ত কমিটির ওপর আস্থা রাখতে পারছেন অনেক ফিলিস্তিনি।

পুলিশ হেফাজতে মারা গেলেন ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের কট্টর সমালোচক, বিক্ষোভ

 অনলাইন ডেস্ক 
২৫ জুন ২০২১, ০৩:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কট্টর সমালোচক হিসেবে পরিচিত নিজার বানাত পুলিশ হেফাজতে মারা গেছেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন পশ্চিমতীরের বাসিন্দারা।

বৃহস্পতিবার বিক্ষোভে অংশ নেন অসংখ্য ফিলিস্তিনি। খবর মিডল ইস্ট আইয়ের।

ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক কেন্দ্র রামাল্লায় বিক্ষোভ থেকে মাহমুদ আব্বাসের বিরুদ্ধে স্লোগান ওঠে। ‘গদি ছাড়ো আব্বাস’, ‘মানুষ এ সরকারের পতন চায়’— এ ধরনের নানা স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা।

বিক্ষোভে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লাঠিচার্জ করার পাশাপাশি বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়ার জন্য কাঁদানে গ্যাস এবং স্টান গ্রেনেড ব্যবহার করে।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায় বানাতকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেয়। গ্রেফতারের কিছুক্ষণ পরই তার মৃত্যুর খবর জানায় ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ।

চিকিৎসক সামীর জারৌর প্রাথমিক ময়নাতদন্তের ওপর ভিত্তি করে বলেন, বানাতের শরীরজুড়ে আঘাতের চিহ্ন ছিল।

বৃহস্পতিবার রামাল্লাভিত্তিক মানবাধিকার সম্পর্কিত স্বাধীন কমিশন এক সংবাদ সম্মেলনে ময়নাতদন্তের এ রিপোর্ট প্রকাশ করে।

চিকিৎসক সামীর বলেন, বানাতের মাথার, ঘাড়ে ও কাঁধে আঘাত ছিল। পাশাপাশি পাঁজর ভেঙে গেছে। ফুসফুসে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়েছিল তার। এর অর্থ হলো— ভুক্তভোগী গুরুতর কোনো রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাননি।

খবরে বলা হয়, ১০ দিনের মধ্যে ময়নাতদন্তের পুরো প্রতিবেদন মিলবে। এর পরই বানাতের মৃত্যু সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

এদিকে ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শতেয়াহ বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য বিচারমন্ত্রীর মোহাম্মদ শালালদেহের নেতৃত্বে কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষের তদন্ত কমিটির ওপর আস্থা রাখতে পারছেন অনেক ফিলিস্তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন