ফেসবুক-টুইটারে ‘রাগী’ মানুষদের ফলোয়ার বেশি!
jugantor
ফেসবুক-টুইটারে ‘রাগী’ মানুষদের ফলোয়ার বেশি!

  অনলাইন ডেস্ক  

২৫ জুন ২০২১, ১৮:১৬:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশি লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার পাওয়ার হাতিয়ার হলো রাজনৈতিক ট্রল করা। এছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ায় খ্যাপাটে টাইপের ব্যক্তিদের ফলোয়ার বেশি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ে সম্প্রতি এক গবেষণায় এমন চিত্র উঠে এসেছে। গবেষণাটি করেছে ইংল্যান্ডের বিখ্যাত কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়। গবেষণাটিতে দেখা হয়েছে, মানুষ অনলাইন বার্তার ওপর কেমন প্রতিক্রিয়া দেখায়।

গবেষণাটির উদ্দেশ্য ছিল অনলাইনে ভাইরাল হওয়া আধেয় (কন্টেন্ট) বের করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মনোরম পরিবেশ নিশ্চিত করা।

এ গবেষণায় উঠে এসেছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় কাউকে সমর্থন করে পজিটিভ পোস্টের চেয়ে বিরোধী রাজনৈতিকদের আক্রমণ করা পোস্ট ভাইরাল হয়।

সমীক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন গণমাধ্যম এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ২৭ লাখ টুইটার এবং ফেসবুক পোস্ট বিশ্লেষণ করা হয়।

ফলাফলে পাওয়া গেছে, নেগেটিভ পোস্টে অশ্চার্যজনকভাবে বেশি মনোযোগ আকষর্ণ করে এবং দ্বিগুণ কমেন্ট এবং প্রতিক্রিয়া পায়।

উদাহরণ হিসেবে ‘প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তিন হাজারের বেশি মিথ্যা বলেছেন, কিন্তু রিপাবলিকানরা ট্রাম্পকে মিথ্যাবাদীমানতে চান না’ এই পোস্টে নেটিজেনদের ব্যাপক সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।

গবেষণায় বলা হয়েছে- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘মেরুকরণে’ ভূমিকা রাখছে- ব্যাপকভাবে এমন আলোচনার মধ্যে ফেসবুক অ্যালগরিদম পরিবর্তন করার ঘোষণা দিয়েছে। ফেসবুকের সেই পরিবর্তন হলো- মানুষকে গভীর সংযোগে যুক্ত করা। অর্থাৎ যারা যে জিনিস বা বিষয় পছন্দ করেন তাদের মধ্যে সংযোগ করে দেওয়া।

কিন্তু কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ গবেষণায় দুর্ভাগ্যজনকভাবে দেখা গেছে, এসব গভীর সংযোগ বিশেষ গোষ্ঠীর মানুষদের মধ্যে আরও বিদ্বেষপূর্ণ বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।

সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড

ফেসবুক-টুইটারে ‘রাগী’ মানুষদের ফলোয়ার বেশি!

 অনলাইন ডেস্ক 
২৫ জুন ২০২১, ০৬:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশি লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার পাওয়ার হাতিয়ার হলো রাজনৈতিক ট্রল করা। এছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ায় খ্যাপাটে টাইপের ব্যক্তিদের ফলোয়ার বেশি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ে সম্প্রতি এক গবেষণায় এমন চিত্র উঠে এসেছে। গবেষণাটি করেছে ইংল্যান্ডের বিখ্যাত কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়। গবেষণাটিতে দেখা হয়েছে, মানুষ অনলাইন বার্তার ওপর কেমন প্রতিক্রিয়া দেখায়। 

গবেষণাটির উদ্দেশ্য ছিল অনলাইনে ভাইরাল হওয়া আধেয় (কন্টেন্ট) বের করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মনোরম পরিবেশ নিশ্চিত করা।

এ গবেষণায় উঠে এসেছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় কাউকে সমর্থন করে পজিটিভ পোস্টের চেয়ে বিরোধী রাজনৈতিকদের আক্রমণ করা পোস্ট ভাইরাল হয়।

সমীক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন গণমাধ্যম এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ২৭ লাখ টুইটার এবং ফেসবুক পোস্ট বিশ্লেষণ করা হয়।

ফলাফলে পাওয়া গেছে, নেগেটিভ পোস্টে অশ্চার্যজনকভাবে বেশি মনোযোগ আকষর্ণ করে এবং দ্বিগুণ কমেন্ট এবং প্রতিক্রিয়া পায়।

উদাহরণ হিসেবে ‘প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তিন হাজারের বেশি মিথ্যা বলেছেন, কিন্তু রিপাবলিকানরা ট্রাম্পকে মিথ্যাবাদী মানতে চান না’ এই পোস্টে নেটিজেনদের ব্যাপক সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।  

গবেষণায় বলা হয়েছে- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘মেরুকরণে’ ভূমিকা রাখছে- ব্যাপকভাবে এমন আলোচনার মধ্যে ফেসবুক অ্যালগরিদম পরিবর্তন করার ঘোষণা দিয়েছে। ফেসবুকের সেই পরিবর্তন হলো- মানুষকে গভীর সংযোগে যুক্ত করা। অর্থাৎ যারা যে জিনিস বা বিষয় পছন্দ করেন তাদের মধ্যে সংযোগ করে দেওয়া।

কিন্তু কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ গবেষণায় দুর্ভাগ্যজনকভাবে দেখা গেছে, এসব গভীর সংযোগ বিশেষ গোষ্ঠীর মানুষদের মধ্যে আরও বিদ্বেষপূর্ণ বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। 

সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন