পশ্চিমবঙ্গে সর্বদলীয় বৈঠকে কেন অনুপস্থিত শুভেন্দু অধিকারী?
jugantor
পশ্চিমবঙ্গে সর্বদলীয় বৈঠকে কেন অনুপস্থিত শুভেন্দু অধিকারী?

  অনলাইন ডেস্ক  

২৮ জুন ২০২১, ১৯:৪০:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যেআগামী ৭ জুলাই পেশ হবে বাজেট। তাই বিধানসভার অধিবেশনের আগে আজ সোমবার ছিল সর্বদলীয় বৈঠক। রাজে্যরবিরোধী দলের মধ্যে৭৫ জন বিজেপি বিধায়ক ও এক আইএসএফ বিধায়ক। বিজেপি বিধায়করা সবাই সর্বদলীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণভাবে বিধানসভায় উপস্থিত থেকেও সর্বদলীয় বৈঠকে যোগ দেননি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

আগামী ৭ জুলাই পেশ হবে বাজেট। কিন্তু আজ শুভেন্দুর অনুপস্থিতি নিয়ে বিধানসভার অভ্যন্তরে ব্যাপক জল্পনা শুরু হয়েছে।

তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন বিধায়ক সাংবাদিকদের বললেন, মুখ দেখাতে লজ্জা পাচ্ছে। তাই আসেনি। আবার কেউ কেউ বললেন, অন্য ছক কষছে। তাই আসেনি। আবার এও শোনা গেল, আলোচনায় থাকার জন্যই এই অনুপস্থিতি।

হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়, সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে শুরু হয় এই সর্বদলীয় বৈঠক। এই বৈঠক ও বিজনেস অ্যাডভাইজরি কমিটির বৈঠকের জন্যে বিজেপি ৬ জনের নাম পাঠিয়েছিল। তাতে নাম ছিল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। কিন্তু এদিন দুপুর ২টা নাগাদ বিধানসভায় আসেন শুভেন্দু অধিকারী। যদিও স্পিকারের চেম্বারে না এসে তিনি বসে থাকেন নিজের ঘরে। বৈঠকে যোগ দিতে চলে আসেন বিজেপির দুই বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল ও তাপসী মণ্ডল। কিন্তু তাদের নাম স্পিকারের কাছে না থাকায় তাদের অনুমতি দেওয়া হয়নি।

হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে আরও বলা হয়, আসন্ন অধিবেশনে ভুয়া ভ্যাকসিন কাণ্ড নিয়ে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে বিজেপি সরব হবে, এ নিয়ে স্ট্র্যাটেজি ঠিক করা হয়েছে। আবার পিএসি চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক মুকুল রায়। আর সদ্য বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসা মুকুলকে কেন্দ্র করে চাপানউতোর তৈরি হয়েছে। দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজ করার জন্য ইতিমধ্যেই স্পিকারের দ্বারস্থ হয়েছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। কিন্তু তাতে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তাই এই বৈঠক এড়িয়ে গিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

বৈঠক শেষে তৃণমূল নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মোটামুটি সবাই। ‌সর্বদলীয় বৈঠকে বিরোধী দলনেতার উপস্থিতি কাম্য ছিল। তিনি থাকলে ভাল হতো। কারণ, এই বৈঠকেই বিধান পরিষদ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’‌

শুভেন্দু আগেই জানিয়েছেন, আগামী ১৬ জুলাই স্পিকারের কাছে মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের স্বপক্ষে তথ্য ও নথি তুলে ধরবেন তিনি। শুনানিতে উপস্থিত থাকবেন তিনি নিজে। যদিও খাতায়–কলমে বিজেপির বিধায়ক হওয়ায় মুকুলের ওই পদে বসায় কোনও বাধা নেই।

পশ্চিমবঙ্গে সর্বদলীয় বৈঠকে কেন অনুপস্থিত শুভেন্দু অধিকারী?

 অনলাইন ডেস্ক 
২৮ জুন ২০২১, ০৭:৪০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। 
পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ফাইল ছবি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে আগামী ৭ জুলাই পেশ হবে বাজেট। তাই বিধানসভার অধিবেশনের আগে আজ সোমবার ছিল সর্বদলীয় বৈঠক। রাজে্যর বিরোধী দলের মধ্যে ৭৫ জন বিজেপি বিধায়ক ও এক আইএসএফ বিধায়ক। বিজেপি বিধায়করা সবাই সর্বদলীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণভাবে বিধানসভায় উপস্থিত থেকেও সর্বদলীয় বৈঠকে যোগ দেননি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। 

আগামী ৭ জুলাই পেশ হবে বাজেট। কিন্তু আজ শুভেন্দুর অনুপস্থিতি নিয়ে বিধানসভার অভ্যন্তরে ব্যাপক জল্পনা শুরু হয়েছে। 

তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন বিধায়ক সাংবাদিকদের বললেন, মুখ দেখাতে লজ্জা পাচ্ছে। তাই আসেনি। আবার কেউ কেউ বললেন, অন্য ছক কষছে। তাই আসেনি। আবার এও শোনা গেল, আলোচনায় থাকার জন্যই এই অনুপস্থিতি।

হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়, সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে শুরু হয় এই সর্বদলীয় বৈঠক। এই বৈঠক ও বিজনেস অ্যাডভাইজরি কমিটির বৈঠকের জন্যে বিজেপি ৬ জনের নাম পাঠিয়েছিল। তাতে নাম ছিল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। কিন্তু এদিন দুপুর ২টা নাগাদ বিধানসভায় আসেন শুভেন্দু অধিকারী। যদিও স্পিকারের চেম্বারে না এসে তিনি বসে থাকেন নিজের ঘরে। বৈঠকে যোগ দিতে চলে আসেন বিজেপির দুই বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল ও তাপসী মণ্ডল। কিন্তু তাদের নাম স্পিকারের কাছে না থাকায় তাদের অনুমতি দেওয়া হয়নি।

হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে আরও বলা হয়, আসন্ন অধিবেশনে ভুয়া ভ্যাকসিন কাণ্ড নিয়ে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে  বিজেপি সরব হবে, এ নিয়ে স্ট্র্যাটেজি ঠিক করা হয়েছে। আবার পিএসি চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক মুকুল রায়। আর সদ্য বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসা মুকুলকে কেন্দ্র করে চাপানউতোর তৈরি হয়েছে। দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজ করার জন্য ইতিমধ্যেই স্পিকারের দ্বারস্থ হয়েছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। কিন্তু তাতে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তাই এই বৈঠক এড়িয়ে গিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

বৈঠক শেষে তৃণমূল নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মোটামুটি সবাই। ‌সর্বদলীয় বৈঠকে বিরোধী দলনেতার উপস্থিতি কাম্য ছিল। তিনি থাকলে ভাল হতো। কারণ, এই বৈঠকেই বিধান পরিষদ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’‌ 

শুভেন্দু আগেই জানিয়েছেন, আগামী ১৬ জুলাই স্পিকারের কাছে মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের স্বপক্ষে তথ্য ও নথি তুলে ধরবেন তিনি। শুনানিতে উপস্থিত থাকবেন তিনি নিজে। যদিও খাতায়–কলমে বিজেপির বিধায়ক হওয়ায় মুকুলের ওই পদে বসায় কোনও বাধা নেই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন ২০২১