সিরিয়ার কারাগারে আটক ১০ হাজার আইএস জঙ্গি
jugantor
সিরিয়ার কারাগারে আটক ১০ হাজার আইএস জঙ্গি

  অনলাইন ডেস্ক  

২৯ জুন ২০২১, ১৪:৫৪:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে মার্কিন সমর্থিত কুর্দি বিদ্রোহী গোষ্ঠী এসডিএফের নিয়ন্ত্রিত কারাগারে প্রায় ১০ হাজার আইএস জঙ্গি আটক রয়েছে।

আটক আইএস জঙ্গির বেশিরভাগই আমেরিকা ও ইউরোপীয় দেশগুলোর বাসিন্দা। খবর রয়টার্সের।

এদের নিজ নিজ দেশে ফের পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন।

ইতালির রাজধানী রোমে সোমবার মার্কিন নেতৃত্বাধীন আইএসবিরোধী আন্তর্জাতিক জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এক সম্মেলনে এ আহ্বান জানান তিনি।

২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের পর এই প্রথম এ জোটের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সিরিয়ায় আইএস সন্ত্রাসীদের স্থায়ীভাবে আটক রাখার সুযোগ নেই। এসব সন্ত্রাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠালে তাদের বিচার করা বা সংশোধানাগারে পাঠানোর সুযোগ তৈরি হবে।

অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন বলেন, আইএস সন্ত্রাসীদের বর্তমানে যে অবস্থায় রাখা হয়েছে তা বর্ণনার অযোগ্য এবং এ অবস্থা চিরকাল চলতে পারে না।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে একবার ওয়াশিংটনের এ ধরনের প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছিল ফ্রান্স ও ব্রিটেন।

ইরাক ও সিরিয়ায় আইএসের দৌরাত্ম্যের সময় ব্রিটেন ও ফ্রান্স থেকে হাজার হাজার যুবক এসে ওই জঙ্গি সংগঠনে যোগ দিয়েছিল।

এ কারণে দেশ দুটি আইএস নিয়ে শঙ্কিত।তারা মনে করছে— এসব উগ্র চিন্তাধারার সন্ত্রাসীকে ফেরত নিলে তারা ফ্রান্স ও ব্রিটিশ সমাজে নিরাপত্তা সংকট তৈরি করবে।

সিরিয়ার কারাগারে আটক ১০ হাজার আইএস জঙ্গি

 অনলাইন ডেস্ক 
২৯ জুন ২০২১, ০২:৫৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে মার্কিন সমর্থিত কুর্দি বিদ্রোহী গোষ্ঠী এসডিএফের নিয়ন্ত্রিত কারাগারে প্রায় ১০ হাজার আইএস জঙ্গি আটক রয়েছে।

আটক আইএস জঙ্গির বেশিরভাগই আমেরিকা ও ইউরোপীয় দেশগুলোর বাসিন্দা। খবর রয়টার্সের।

এদের নিজ নিজ দেশে ফের পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন।

ইতালির রাজধানী রোমে সোমবার মার্কিন নেতৃত্বাধীন আইএসবিরোধী আন্তর্জাতিক জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এক সম্মেলনে এ আহ্বান জানান তিনি।  

২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের পর এই প্রথম এ জোটের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সিরিয়ায় আইএস সন্ত্রাসীদের স্থায়ীভাবে আটক রাখার সুযোগ নেই। এসব সন্ত্রাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠালে তাদের বিচার করা বা সংশোধানাগারে পাঠানোর সুযোগ তৈরি হবে।

অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন বলেন, আইএস সন্ত্রাসীদের বর্তমানে যে অবস্থায় রাখা হয়েছে তা বর্ণনার অযোগ্য এবং এ অবস্থা চিরকাল চলতে পারে না।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে একবার ওয়াশিংটনের এ ধরনের প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছিল ফ্রান্স ও ব্রিটেন।

ইরাক ও সিরিয়ায় আইএসের দৌরাত্ম্যের সময় ব্রিটেন ও ফ্রান্স থেকে হাজার হাজার যুবক এসে ওই জঙ্গি সংগঠনে যোগ দিয়েছিল।  

এ কারণে দেশ দুটি আইএস নিয়ে শঙ্কিত।তারা মনে করছে— এসব উগ্র চিন্তাধারার সন্ত্রাসীকে ফেরত নিলে তারা ফ্রান্স ও ব্রিটিশ সমাজে নিরাপত্তা সংকট তৈরি করবে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : সিরিয়া যুদ্ধ