অসহযোগ আন্দোলনের জেরে মিয়ানমারে নতুনভাবে শিক্ষক নিয়োগ
jugantor
অসহযোগ আন্দোলনের জেরে মিয়ানমারে নতুনভাবে শিক্ষক নিয়োগ

  অনলাইন ডেস্ক  

০২ জুলাই ২০২১, ২১:৫৬:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে গত ৫ ফেব্রুয়ারি  মিয়ানমারের শিক্ষকদের রাজপথে বিক্ষোভের চিত্র। ফাইল ছবি: রয়টার্স

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীর ৯০০ নাগরিককে হত্যা করা হয়েছে।বিক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে পুরো দেশ।

মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলনের জেরে দেশটির বর্তমান প্রশাসন নতুনভাবে শিক্ষক নিয়োগে বাধ্য হয়েছে।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়, বিক্ষোভে অংশ নেয়ার অভিযোগে ১ লাখ ২৫ হাজার ৯০০ শিক্ষককে বরখাস্ত করেছে দেশটির সামরিক সরকার।

দেশটির মোট স্কুল শিক্ষক সংখ্যা ৪ লাখ ৩০ হাজার। এছাড়াও সাড়ে ১৯ হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টাফকেও বরখাস্ত করেছে জান্তা সরকার।

মানুষ হত্যা ছাড়াও মিন অং হ্লাই আর কী করেছেন? যারা তার বিরোধিতা করে তাদের প্রত্যেককে তিনি গ্রেফতার করছেন এবং যারা পালিয়ে গেছেন তাদের ধরার জন্য পরোয়ানা জারি করেছেন। প্রায় পুরো দেশ তার বিরোধিতা করলেও বিউটিশিয়ান, শিল্পী ও ডাক্তার থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ বিভিন্ন পেশার লোকেরা ওয়ান্টেড তালিকায় রয়েছেন।

সরকারের বিরুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলনের জেরে প্রশাসন নতুনভাবে শিক্ষক নিয়োগে বাধ্য হয়েছে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিত্সক ও নার্সের অভাব তৈরি হয়েছে।

মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের ৫মাস শেষ হয়েছে বৃহস্পতিবার (১ জুলাই)। অভ্যুত্থান-পরবর্তী এই ১৫০ দিনে ৯০০ নিরীহ নাগরিককে হত্যা করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। আটক করেছে প্রায় আট হাজার গণতন্ত্রকামী বিক্ষোভকারীকে। যাদের প্রত্যেকের শরীরেই রয়েছে জান্তার অসহনীয় অত্যাচারের ক্ষতচিহ্ন।

গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে সেনাবাহিনীর মর্মস্পর্শী অপরাধের শিকার হয়েছে মিয়ানমার। সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে রাজপথে নামা তরুণ নেতাকর্মীদের মাথায় গুলি করা হয়েছে। সামরিক হেফাজতে লোকজনকে রাতারাতি হত্যা করা হয়েছে, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে স্বজনদের কাছে মৃতদেহ ফেরত দেওয়া হয়নি। জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইয়ের নাতি-নাতনিদের মতো একই বয়সের শিশুদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। বহু মানুষ পালিয়ে গিয়ে বিভিন্ন অঞ্চলে শরণার্থী জীবনযাপন শুরু করেছেন। বেকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বহু মানুষ। গ্রামগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যেখানে জীবিত দগ্ধ হয়েছে বয়স্ক মানুষগুলো। সেনাসদস্যরা এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়েছে পথচারীদের ওপরও।

অসহযোগ আন্দোলনের জেরে মিয়ানমারে নতুনভাবে শিক্ষক নিয়োগ

 অনলাইন ডেস্ক 
০২ জুলাই ২০২১, ০৯:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে গত ৫ ফেব্রুয়ারি  মিয়ানমারের শিক্ষকদের রাজপথে বিক্ষোভের চিত্র। ফাইল ছবি: রয়টার্স
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে গত ৫ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের শিক্ষকদের রাজপথে বিক্ষোভের চিত্র। ফাইল ছবি: রয়টার্স

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীর ৯০০ নাগরিককে হত্যা করা হয়েছে। বিক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে পুরো দেশ। 

মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলনের জেরে দেশটির বর্তমান প্রশাসন নতুনভাবে শিক্ষক নিয়োগে বাধ্য হয়েছে।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়, বিক্ষোভে অংশ নেয়ার অভিযোগে ১ লাখ ২৫ হাজার ৯০০ শিক্ষককে বরখাস্ত করেছে দেশটির সামরিক সরকার। 

দেশটির মোট স্কুল শিক্ষক সংখ্যা ৪ লাখ ৩০ হাজার। এছাড়াও সাড়ে ১৯ হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টাফকেও বরখাস্ত করেছে জান্তা সরকার।

মানুষ হত্যা ছাড়াও মিন অং হ্লাই আর কী করেছেন? যারা তার বিরোধিতা করে তাদের প্রত্যেককে তিনি গ্রেফতার করছেন এবং যারা পালিয়ে গেছেন তাদের ধরার জন্য পরোয়ানা জারি করেছেন। প্রায় পুরো দেশ তার বিরোধিতা করলেও বিউটিশিয়ান, শিল্পী ও ডাক্তার থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ বিভিন্ন পেশার লোকেরা ওয়ান্টেড তালিকায় রয়েছেন। 

সরকারের বিরুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলনের জেরে প্রশাসন নতুনভাবে শিক্ষক নিয়োগে বাধ্য হয়েছে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিত্সক ও নার্সের অভাব তৈরি হয়েছে।

মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের ৫ মাস শেষ হয়েছে বৃহস্পতিবার (১ জুলাই)। অভ্যুত্থান-পরবর্তী এই ১৫০ দিনে ৯০০ নিরীহ নাগরিককে হত্যা করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। আটক করেছে প্রায় আট হাজার গণতন্ত্রকামী বিক্ষোভকারীকে। যাদের প্রত্যেকের শরীরেই রয়েছে জান্তার অসহনীয় অত্যাচারের ক্ষতচিহ্ন।

গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে সেনাবাহিনীর মর্মস্পর্শী অপরাধের শিকার হয়েছে মিয়ানমার। সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে রাজপথে নামা তরুণ নেতাকর্মীদের মাথায় গুলি করা হয়েছে। সামরিক হেফাজতে লোকজনকে রাতারাতি হত্যা করা হয়েছে, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে স্বজনদের কাছে মৃতদেহ ফেরত দেওয়া হয়নি। জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইয়ের নাতি-নাতনিদের মতো একই বয়সের শিশুদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। বহু মানুষ পালিয়ে গিয়ে বিভিন্ন অঞ্চলে শরণার্থী জীবনযাপন শুরু করেছেন। বেকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বহু মানুষ। গ্রামগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যেখানে জীবিত দগ্ধ হয়েছে বয়স্ক মানুষগুলো। সেনাসদস্যরা এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়েছে পথচারীদের ওপরও।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : অং সান সু চি আটক

আরও খবর