ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
jugantor
ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

  অনলাইন ডেস্ক  

০৭ জুলাই ২০২১, ০৯:১২:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের ইরবিল শহরের বিমানবন্দরে মার্কিন সেনাঘাঁটিতে মঙ্গলবার গভীর রাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা হয়েছে।


বিমানবন্দরটিতে ড্রোনের সাহায্যে বোমা হামলা এবং অন্তত ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে।খবর রয়টার্সের।


ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি বিস্ফোরক বোঝাই পাইলটবিহীন বিমান বা ড্রোন দিয়েও বিমানবন্দরটিতে হামলা চালানো হয়।


হামলার পরই বিমানবন্দরের সব কার্যক্রম স্থগিত করে এর সব বাতি নিভিয়ে ফেলা হয়। তবে মার্কিন সেনাবাহিনী জানিয়েছে, এতে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।


এর আগে গত সোমবার ইরানের আনবার প্রদেশে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটি আইন আল-আসাদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়।


একই দিন রাতে বাগদাদস্থ মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা হয় এবং মার্কিন সেনারা একটি ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করার দাবি করেন।


এখন পর্যন্ত কেউ এসব হামলার দায় স্বীকার না করলেও যুক্তরাষ্ট্রের দিকে অভিযোগের আঙুল ইরানের।


ইরাকের জনগণ আর তাদের দেশে মার্কিন সেনা উপস্থিতি মেনে নিতে রাজি নয়। দেশটির পার্লামেন্ট ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে একটি আইনও পাস করে ইরাক থেকে সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে।গত এপ্রিল থেকে ইরাকের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ড্রোন হামলা শুরু হয়।

ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

 অনলাইন ডেস্ক 
০৭ জুলাই ২০২১, ০৯:১২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
ইরবিল শহরের বিমানবন্দর

ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের ইরবিল শহরের বিমানবন্দরে মার্কিন সেনাঘাঁটিতে মঙ্গলবার গভীর রাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা হয়েছে।


বিমানবন্দরটিতে ড্রোনের সাহায্যে বোমা হামলা এবং অন্তত ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে।খবর রয়টার্সের।


ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি বিস্ফোরক বোঝাই পাইলটবিহীন বিমান বা ড্রোন দিয়েও বিমানবন্দরটিতে হামলা চালানো হয়।


হামলার পরই বিমানবন্দরের সব কার্যক্রম স্থগিত করে এর সব বাতি নিভিয়ে ফেলা হয়। তবে মার্কিন সেনাবাহিনী জানিয়েছে, এতে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।


এর আগে গত সোমবার ইরানের আনবার প্রদেশে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটি আইন আল-আসাদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়।


একই দিন রাতে বাগদাদস্থ মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা হয় এবং মার্কিন সেনারা একটি ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করার দাবি করেন।


এখন পর্যন্ত কেউ এসব হামলার দায় স্বীকার না করলেও যুক্তরাষ্ট্রের দিকে অভিযোগের আঙুল ইরানের।


ইরাকের জনগণ আর তাদের দেশে মার্কিন সেনা উপস্থিতি মেনে নিতে রাজি নয়। দেশটির পার্লামেন্ট ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে একটি আইনও পাস করে ইরাক থেকে সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে।গত এপ্রিল থেকে ইরাকের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ড্রোন হামলা শুরু হয়।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ইরাকে মার্কিন-ইরান ছায়াযুদ্ধ