জম্মু-কাশ্মীরে ১১ সরকারি কর্মকর্তা বরখাস্ত
jugantor
জম্মু-কাশ্মীরে ১১ সরকারি কর্মকর্তা বরখাস্ত

  যুগান্তর ডেস্ক  

১১ জুলাই ২০২১, ১৪:০৭:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

জম্মু-কাশ্মীরে ১১ সরকারি কর্মকর্তা বরখাস্ত

সন্ত্রাসবাদে অর্থ জোগানে সহায়তার অভিযোগে জম্মু-কাশ্মীরে ১১ সরকারি কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। শনিবার জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন তাদের বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, হিজবুল মুজাহিদিনের প্রধান সাইদ সালাহুদ্দিনের দুই ছেলেসহ ১১ জন কর্মীকে অপসারন করা হয়েছে। তারা শিক্ষা দফতর, পুলিশ, কৃষি দফতর, দক্ষতা বিকাশ দফতর, শক্তি দফতর, স্বাস্থ্য দফতর এবং শের-ই-কাশ্মীর ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেসের মতো জায়গায় কাজ করত।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হিজবুল মুজাহিদিনের প্রধানের দুই ছেলে সাইদ আহমেদ শাকিল এবং শাহিদ ইউসুফকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের একজন শ্রীনগরের শের-ই-কাশ্মীর ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেসে কর্মরত ছিল। অন্যজন শিক্ষা দফতরে কাজ করত। সন্ত্রাসবাদে অর্থ জোগানের ক্ষেত্রে তাদের সংযোগ খুঁজে পায় ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআই)।

তদন্তে জানা যায়, বাবার সংগঠনের জন্য অর্থ জোগাড়, সংগ্রহ এবং লেনদেনের সঙ্গে জড়িতে ছিলেন তারা। সবমিলিয়ে ১১ জনকে বরখাস্ত করা হয়েছে, তাদের মধ্যে চারজন অনন্তনাগ, তিনজন বদগাম এবং শ্রীনগর, বারামুল্লা, কুপাওয়ারা ও পুলওয়ামার একজন করে বাসিন্দা রয়েছে।

সংবিধানের ১১ নম্বর ধারায় আওতায় বরখাস্ত করা হওয়ায় এখন শুধুমাত্র হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে পারবেন তারা।

কীভাবে ওই কর্মীদের বরখাস্ত করা হয়েছে, সেই ব্যাখ্যাও দিয়েছেন জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসনের কর্মকর্তারা

তারা বলেছেন, ‘কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের যে দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি এসব ঘটনার পর্যালোচনা করে, সেই কমিটির তৃতীয় এবং চতুর্থ বৈঠকে যথাক্রমে তিনজন এবং আটজন কর্মীকে সরকারি চাকরি থেকে বরখাস্ত করার সুপারিশ করা হয়।’

জম্মু-কাশ্মীরে ১১ সরকারি কর্মকর্তা বরখাস্ত

 যুগান্তর ডেস্ক 
১১ জুলাই ২০২১, ০২:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
জম্মু-কাশ্মীরে ১১ সরকারি কর্মকর্তা বরখাস্ত
ছবি: হিন্দুস্তান টাইমস

সন্ত্রাসবাদে অর্থ জোগানে সহায়তার অভিযোগে জম্মু-কাশ্মীরে ১১ সরকারি কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। শনিবার জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন তাদের বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। 

হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, হিজবুল মুজাহিদিনের প্রধান সাইদ সালাহুদ্দিনের দুই ছেলেসহ ১১ জন কর্মীকে অপসারন করা হয়েছে। তারা শিক্ষা দফতর, পুলিশ, কৃষি দফতর, দক্ষতা বিকাশ দফতর, শক্তি দফতর, স্বাস্থ্য দফতর এবং শের-ই-কাশ্মীর ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেসের মতো জায়গায় কাজ করত। 

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হিজবুল মুজাহিদিনের প্রধানের দুই ছেলে সাইদ আহমেদ শাকিল এবং শাহিদ ইউসুফকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের একজন শ্রীনগরের শের-ই-কাশ্মীর ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেসে কর্মরত ছিল। অন্যজন শিক্ষা দফতরে কাজ করত। সন্ত্রাসবাদে অর্থ জোগানের ক্ষেত্রে তাদের সংযোগ খুঁজে পায় ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআই)। 

তদন্তে জানা যায়, বাবার সংগঠনের জন্য অর্থ জোগাড়, সংগ্রহ এবং লেনদেনের সঙ্গে জড়িতে ছিলেন তারা। সবমিলিয়ে ১১ জনকে বরখাস্ত করা হয়েছে, তাদের মধ্যে চারজন অনন্তনাগ, তিনজন বদগাম এবং শ্রীনগর, বারামুল্লা, কুপাওয়ারা ও পুলওয়ামার একজন করে বাসিন্দা রয়েছে। 

সংবিধানের ১১ নম্বর ধারায় আওতায় বরখাস্ত করা হওয়ায় এখন শুধুমাত্র হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে পারবেন তারা।

কীভাবে ওই কর্মীদের বরখাস্ত করা হয়েছে, সেই ব্যাখ্যাও দিয়েছেন জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসনের কর্মকর্তারা

তারা বলেছেন, ‘কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের যে দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি এসব ঘটনার পর্যালোচনা করে, সেই কমিটির তৃতীয় এবং চতুর্থ বৈঠকে যথাক্রমে তিনজন এবং আটজন কর্মীকে সরকারি চাকরি থেকে বরখাস্ত করার সুপারিশ করা হয়।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : কাশ্মীর সংকট