হিজাব নিষিদ্ধের নিন্দা জানিয়ে যা বলল তুরস্ক
jugantor
হিজাব নিষিদ্ধের নিন্দা জানিয়ে যা বলল তুরস্ক

  অনলাইন ডেস্ক  

১৮ জুলাই ২০২১, ২০:৫৯:০৬  |  অনলাইন সংস্করণ

তুরস্ক এই ঘটনাকে ‘ধর্মীয় স্বাধীনতার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। 

ইউরোপীয় ইউনিয়নেরআদালতে হিজাব (হেডস্কার্ফ) নিষিদ্ধের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তুরস্ক। এক বিবৃতিতে তুরস্ক এই ঘটনাকে ‘ধর্মীয় স্বাধীনতার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

গত বৃহস্পতিবার লুক্সেমবার্গভিত্তিক ইইউ কোর্ট অব জাস্টিস (সিজেইইউ) এক রায়ে বলে-সুনির্দিষ্ট কিছু শর্তে এই বলয়ের দেশগুলো হিজাবনিষিদ্ধ করতে পারবে। শর্তগুলোর মধ্যে যা আছে তার মর্মার্থ হলো, কাস্টমারদের কাছে নিরপেক্ষতার প্রমাণ দিতে কোম্পানিগুলো হিজাব নিষিদ্ধ করতে পারবে।

কিন্তু ইউরোপীয় ইউনিয়নের আদালতের এই রায়ের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তুরস্ক বলেছে, এটা ইসলাম ফোবিয়ার লক্ষণ। ধর্মীয় বিশ্বাস বিশেষ করে ইসলাম ধর্ম বিশ্বাসের কারণে ইউরোপের নারীরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছে।

তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, এমন এক সময় ইইউ এর আদালত হিজাব নিষিদ্ধের রায় দিলযখন-সমগ্র ইউরোপজুড়ে ইসলামফোবিয়া, বর্ণবাদ (রেসিজম) এবং ঘৃণা বাড়ছে। এটা ধর্মীয় স্বাধীনতার অসম্মান। এর মাধ্যমে ধর্মীয় পোশাক নিষিদ্ধের আইনগত বৈধতা এবং ভিত তৈরি করা হচ্ছে।

এর আগে শনিবার তুরস্কের প্রেসিডেন্টের দপ্তরের যোগাযোগ বিষয়ক পরিচালক ফাহরেতিন আলতুন ইউরোপীয় ইউনিয়নের আদালতের এমন রায়ের নিন্দা জানিয়ে বলেন, এই ভুল সিদ্ধান্তটি আইনগতভাবে বর্ণবাদ অনুমোদনের প্রচেষ্টা।

ইইউভুক্ত দেশগুলো বিভিন্ন সময় ইসলামি পোশাকের ওপর নিষেধাজ্ঞাসহ ইসলাম নিয়ে বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড করেছে। তুরস্ক বরাবরই এসব ঘটনার নিন্দা জানিয়ে আসছে। আঙ্কারার দাবি, মুসলিমদের বিরুদ্ধে বৈষম্য দূর করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো যথেষ্ট তৎপর নয়। তুরস্ক ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইসলামফোবিয়া নিয়ে বাৎসরিক রিপোর্ট প্রকাশ করবে বলেও জানিয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স

হিজাব নিষিদ্ধের নিন্দা জানিয়ে যা বলল তুরস্ক

 অনলাইন ডেস্ক 
১৮ জুলাই ২০২১, ০৮:৫৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
তুরস্ক এই ঘটনাকে ‘ধর্মীয় স্বাধীনতার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। 
তুরস্ক এই ঘটনাকে ‘ধর্মীয় স্বাধীনতার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। এএফপি

ইউরোপীয় ইউনিয়নের আদালতে হিজাব (হেডস্কার্ফ) নিষিদ্ধের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তুরস্ক। এক বিবৃতিতে তুরস্ক এই ঘটনাকে ‘ধর্মীয় স্বাধীনতার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। 

গত বৃহস্পতিবার লুক্সেমবার্গভিত্তিক ইইউ কোর্ট অব জাস্টিস (সিজেইইউ) এক রায়ে বলে-সুনির্দিষ্ট কিছু শর্তে এই বলয়ের দেশগুলো হিজাব নিষিদ্ধ করতে পারবে। শর্তগুলোর মধ্যে যা আছে তার মর্মার্থ হলো, কাস্টমারদের কাছে নিরপেক্ষতার প্রমাণ দিতে কোম্পানিগুলো হিজাব নিষিদ্ধ করতে পারবে।

কিন্তু ইউরোপীয় ইউনিয়নের আদালতের এই রায়ের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তুরস্ক বলেছে, এটা ইসলাম ফোবিয়ার লক্ষণ। ধর্মীয় বিশ্বাস বিশেষ করে ইসলাম ধর্ম বিশ্বাসের কারণে ইউরোপের নারীরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছে।

তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, এমন এক সময় ইইউ এর আদালত হিজাব নিষিদ্ধের রায় দিল যখন-সমগ্র ইউরোপজুড়ে ইসলামফোবিয়া, বর্ণবাদ (রেসিজম) এবং ঘৃণা বাড়ছে। এটা ধর্মীয় স্বাধীনতার অসম্মান। এর মাধ্যমে ধর্মীয় পোশাক নিষিদ্ধের আইনগত বৈধতা এবং ভিত তৈরি করা হচ্ছে। 

এর আগে শনিবার তুরস্কের প্রেসিডেন্টের দপ্তরের যোগাযোগ বিষয়ক পরিচালক ফাহরেতিন আলতুন ইউরোপীয় ইউনিয়নের আদালতের এমন রায়ের নিন্দা জানিয়ে বলেন, এই ভুল সিদ্ধান্তটি আইনগতভাবে বর্ণবাদ অনুমোদনের প্রচেষ্টা।

ইইউভুক্ত দেশগুলো বিভিন্ন সময় ইসলামি পোশাকের ওপর নিষেধাজ্ঞাসহ ইসলাম নিয়ে বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড করেছে। তুরস্ক বরাবরই এসব ঘটনার নিন্দা জানিয়ে আসছে। আঙ্কারার দাবি, মুসলিমদের বিরুদ্ধে বৈষম্য দূর করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো যথেষ্ট তৎপর নয়। তুরস্ক ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইসলামফোবিয়া নিয়ে বাৎসরিক রিপোর্ট প্রকাশ করবে বলেও জানিয়েছে। 

সূত্র: রয়টার্স

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন