অস্ত্রবিরতির জন্য যে শর্ত দিল তালেবান
jugantor
অস্ত্রবিরতির জন্য যে শর্ত দিল তালেবান

  অনলাইন ডেস্ক  

২৩ জুলাই ২০২১, ১৬:৪৬:৫৩  |  অনলাইন সংস্করণ

আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্র সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই দেশটিতে সংঘাত বাড়তে থাকে। জেলার পর জেলা দখলে নেয় তালেবান। নিরপত্তা বাহিনীও লড়ছে সমান তালে। ইতোমধ্যে তালেবান ২১৫ জেলার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সশস্ত্র গোষ্ঠীটি জানিয়ে দিল, একচেটিয়া ক্ষমতা তারা চায় না।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তলেবানের মুখপাত্র সোহাইল শাহীন এ কথা বলেন।

সোহাইল বলেন, তালেবান দেশে একচেটিয়া ক্ষমতা চায় না। সমঝোতার মাধ্যমে নতুন সরকার গঠন না করা পর্যন্ত আফগানিস্তানে শান্তি আসবে না। একই সঙ্গে আশরাফ ঘানিকে সরাতে হবে।

আফগানিস্তানে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য তালেবান যুদ্ধের ময়দানে যেমন আছে ঠিক তেমনই রয়েছে আলোচনার টেবিলেও।

আলোচক দলের সদস্য এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীটির মুখপাত্র সোহাইল বলেন, ঘানির সরকারকে অপসারণের মাধ্যমে সমঝোতার ভিত্তিতে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য সরকার গঠন করা হলে তালেবান অস্ত্র ফেলে দেবে।

তিনি বলেন, আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমরা একচেটিয়া ক্ষমতায় বিশ্বাস করি না। কেননা, যারাই পূর্বে একচেটিয়া ক্ষমতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছে তারা সফল হয়নি। সুতরাং আমরা পুনরায় এ ফর্মুলা প্রয়োগ করতে চাই না।

তালেবানের এ মুখপাত্র বলেন, যুদ্ধবিরতির আগে ‘আমাদের এবং অন্যান্যদের কাছে গ্রহণযোগ্য’ নতুন সরকার নিয়ে একটি চুক্তি হতে হবে। চুক্তি হয়ে গেলে এরপর আর কোনো যুদ্ধ হবে না।

‘নতুন সরকারের অধীনে নারীরা কাজের অনুমতি পাবে, স্কুলে যাওয়ার অনুমতি পাবে এবং সুযোগ পাবে রাজনীতিতে অংশ নেওয়ার। তবে সবক্ষেত্রে তাদের হিজাব পরতে হবে অথবা মাথায় ওড়না রাখতে হবে’, যোগ করেন সোহাইল।

দীর্ঘ ২০ বছরের যুদ্ধের ইতি ঘটিয়ে ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে সব সেনা প্রত্যাহার করবে যুক্তরাষ্ট্র। এ সেনা প্রত্যাহার প্রক্রিয়া শুরুর পর থেকে গত দুই মাসে দুশর বেশি জেলা দখলে নিয়েছে তালেবান। সম্প্রতি তারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ কিছু স্থলবন্দরও দখলে নিয়েছে। এ ছাড়া তালেবানের দাবি, তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে দেশটির ৮৫ শতাংশ এলাকা।

অস্ত্রবিরতির জন্য যে শর্ত দিল তালেবান

 অনলাইন ডেস্ক 
২৩ জুলাই ২০২১, ০৪:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্র সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই দেশটিতে সংঘাত বাড়তে থাকে। জেলার পর জেলা দখলে নেয় তালেবান। নিরপত্তা বাহিনীও লড়ছে সমান তালে। ইতোমধ্যে তালেবান ২১৫ জেলার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সশস্ত্র গোষ্ঠীটি জানিয়ে দিল, একচেটিয়া ক্ষমতা তারা চায় না।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তলেবানের মুখপাত্র সোহাইল শাহীন এ কথা বলেন।

সোহাইল বলেন, তালেবান দেশে একচেটিয়া ক্ষমতা চায় না। সমঝোতার মাধ্যমে নতুন সরকার গঠন না করা পর্যন্ত আফগানিস্তানে শান্তি আসবে না। একই সঙ্গে আশরাফ ঘানিকে সরাতে হবে।

আফগানিস্তানে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য তালেবান যুদ্ধের ময়দানে যেমন আছে ঠিক তেমনই রয়েছে আলোচনার টেবিলেও।

আলোচক দলের সদস্য এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীটির মুখপাত্র সোহাইল বলেন, ঘানির সরকারকে অপসারণের মাধ্যমে সমঝোতার ভিত্তিতে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য সরকার গঠন করা হলে তালেবান অস্ত্র ফেলে দেবে।

তিনি বলেন, আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমরা একচেটিয়া ক্ষমতায় বিশ্বাস করি না। কেননা, যারাই পূর্বে একচেটিয়া ক্ষমতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছে তারা সফল হয়নি। সুতরাং আমরা পুনরায় এ ফর্মুলা প্রয়োগ করতে চাই না।

তালেবানের এ মুখপাত্র বলেন, যুদ্ধবিরতির আগে ‘আমাদের এবং অন্যান্যদের কাছে গ্রহণযোগ্য’ নতুন সরকার নিয়ে একটি চুক্তি হতে হবে। চুক্তি হয়ে গেলে এরপর আর কোনো যুদ্ধ হবে না।

‘নতুন সরকারের অধীনে নারীরা কাজের অনুমতি পাবে, স্কুলে যাওয়ার অনুমতি পাবে এবং সুযোগ পাবে রাজনীতিতে অংশ নেওয়ার। তবে সবক্ষেত্রে তাদের হিজাব পরতে হবে অথবা মাথায় ওড়না রাখতে হবে’, যোগ করেন সোহাইল।

দীর্ঘ ২০ বছরের যুদ্ধের ইতি ঘটিয়ে ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে সব সেনা প্রত্যাহার করবে যুক্তরাষ্ট্র।  এ সেনা প্রত্যাহার প্রক্রিয়া শুরুর পর থেকে গত দুই মাসে দুশর বেশি জেলা দখলে নিয়েছে তালেবান।  সম্প্রতি তারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ কিছু স্থলবন্দরও দখলে নিয়েছে। এ ছাড়া তালেবানের দাবি, তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে দেশটির ৮৫ শতাংশ এলাকা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর