৮০০ নম্বরের মধ্যে ৭৯৭ পেয়ে প্রথম হলো সাদিয়া
jugantor
৮০০ নম্বরের মধ্যে ৭৯৭ পেয়ে প্রথম হলো সাদিয়া

  অনলাইন ডেস্ক  

২৪ জুলাই ২০২১, ১৩:১৮:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

ভারতে ৮০০ নম্বরের মধ্যে ৭৯৭ পেয়ে প্রথম হলো সাদিয়া

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলে ৮০০ নম্বরের মধ্যে ৭৯৭ পেয়ে মাদ্রাসা বোর্ডে প্রথম হয়েছে সাদিয়া সিদ্দিকা।

একত্রিশ বছর আগে তার বাবা মো. রুহুল ইসলামও মাদ্রাসা বোর্ডের মাধ্যমিক পরীক্ষায় নবম হয়েছিলেন। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

এবার সেই বোর্ডের একই পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি নম্বর পেল তার মেয়ে সাদিয়া সিদ্দিকা।

সেই একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মালদহের সুজাপুর নয়মৌজা সুবহানিয়া হাই মাদ্রাসা থেকে এবার রাজ্যে প্রথম হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন সাদিয়া ।

অন্য সময় বিরাট কোহালি থেকে ছোটা ভীম নিয়ে মজে থাকা এ কিশোরী খুনসুটি করে তার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়া ভাইয়ের সঙ্গে।
শিক্ষক-শিক্ষিকারা বললেন, পড়ার সময় তার মতো মনোযোগী মেয়ে খুব কমই আছে। তাই বরাবরই ভাল ফল করেছে সাদিয়া।

মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মহম্মদ আদিল হোসেন বলেন, সাদিয়া বরাবরই ক্লাসে প্রথম হতো। আমার বিশ্বাস, পরীক্ষা হলে রাজ্যের মেধা তালিকায় এমনই জায়গায় সাদিয়া থাকতো।

তার বাবা সুজাপুরের বালুপুর প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক। মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও অভাব অনটনে তিনি স্নাতক হওয়ার পরে পড়াশোনা ছেড়ে কাজের খোঁজে নেমেছিলেন।

এতোদিন বাবার কাছেই সব বিষয় পড়তো সাদিয়া, গৃহশিক্ষক ছিলেন শুধু ইংরেজিতে। মাদ্রাসার সামনে বিরাট চত্বরে দাঁড়িয়ে এ দিন বাবার মুখে হাসি ধরে না।

সমানে ফোন আসছে মোবাইলে। তার মধ্যেই এক ফাঁকে জানিয়ে গেলেন, মেয়ে যতদূর পড়তে চায়, তিনি পড়াবেন।

৮০০ নম্বরের মধ্যে ৭৯৭ পেয়ে প্রথম হলো সাদিয়া

 অনলাইন ডেস্ক 
২৪ জুলাই ২০২১, ০১:১৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ভারতে ৮০০ নম্বরের মধ্যে ৭৯৭ পেয়ে প্রথম হলো সাদিয়া
সহপাঠীদের সঙ্গে সাদিয়া সিদ্দিকা (মাঝখানে), শুক্রবার মালদহের সুজাপুর নয়মৌজা সুবহানিয়া হাই মাদ্রাসায়

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলে ৮০০ নম্বরের মধ্যে ৭৯৭ পেয়ে মাদ্রাসা বোর্ডে প্রথম হয়েছে সাদিয়া সিদ্দিকা।
 
একত্রিশ বছর আগে তার বাবা মো. রুহুল ইসলামও মাদ্রাসা বোর্ডের মাধ্যমিক পরীক্ষায় নবম হয়েছিলেন। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

এবার সেই বোর্ডের একই পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি নম্বর পেল তার মেয়ে সাদিয়া সিদ্দিকা।

সেই একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মালদহের সুজাপুর নয়মৌজা সুবহানিয়া হাই মাদ্রাসা থেকে এবার রাজ্যে প্রথম হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন সাদিয়া ।

অন্য সময় বিরাট কোহালি থেকে ছোটা ভীম নিয়ে মজে থাকা এ কিশোরী খুনসুটি করে তার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়া ভাইয়ের সঙ্গে।
শিক্ষক-শিক্ষিকারা বললেন, পড়ার সময় তার মতো মনোযোগী মেয়ে খুব কমই আছে। তাই বরাবরই ভাল ফল করেছে সাদিয়া।

মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মহম্মদ আদিল হোসেন বলেন, সাদিয়া বরাবরই ক্লাসে প্রথম হতো। আমার বিশ্বাস, পরীক্ষা হলে রাজ্যের মেধা তালিকায় এমনই জায়গায় সাদিয়া থাকতো।

তার বাবা সুজাপুরের বালুপুর প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক। মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও অভাব অনটনে তিনি স্নাতক হওয়ার পরে পড়াশোনা ছেড়ে কাজের খোঁজে নেমেছিলেন।

এতোদিন বাবার কাছেই সব বিষয় পড়তো সাদিয়া, গৃহশিক্ষক ছিলেন শুধু ইংরেজিতে। মাদ্রাসার সামনে বিরাট চত্বরে দাঁড়িয়ে এ দিন বাবার মুখে হাসি ধরে না।

সমানে ফোন আসছে মোবাইলে। তার মধ্যেই এক ফাঁকে জানিয়ে গেলেন, মেয়ে যতদূর পড়তে চায়, তিনি পড়াবেন।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন