যুক্তরাষ্ট্রে ধসে যাওয়া ভবনে পাওয়া গেল ৯৭ লাশ
jugantor
যুক্তরাষ্ট্রে ধসে যাওয়া ভবনে পাওয়া গেল ৯৭ লাশ

  অনলাইন ডেস্ক  

২৪ জুলাই ২০২১, ১৪:০৬:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের মিয়ামিতে গত ২৪ জুন মধ্যরাতে ধসে যাওয়া বহুতল ভবনটিতে উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

এ পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে ৯৭ জনের লাশ উদ্ধার করেছেন উদ্ধারকর্মীরা। নিখোঁজদের মধ্যে এখনও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। খবর বিবিসির।

মিয়ামির সাগর তীরবর্তী সার্ফসাইড এলাকায় চ্যামপ্লেইন টাওয়ার্স সাউথ নামের ১৫৬ ইউনিটের ১২তলা অ্যাপার্টমেন্টের বড় একটি অংশ স্থানীয় সময় গত ২৪ জুন রাতে ধসে পড়ে। ঘটনার সময় ভবনটির অধিকাংশ বাসিন্দাই ঘুমিয়েছিলেন।

কী কারণে ভবনটির একটি অংশ ধসে পড়ল তা এখনও পরিষ্কার হয়নি। কিন্তু ২০১৮ সালে প্রকৌশলীদের একটি নিরীক্ষা প্রতিবেদনে ৪০ বছরের পুরনো ভবনটির আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিং গ্যারেজে কাঠামোগত ত্রুটির কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।

১৯৮১ সালে নির্মিত এ ভবনটি ধসে যাওয়ার আগে সংস্কারকাজ চলছিল বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

কুকুর, ক্যামেরা, সোনার, ইনফ্রারেড স্ক্যানার ও ভারি যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে গত এক মাস ধরে উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপে খুঁজে দেখছেন, ভেতরে জীবিত কারও উপস্থিতি পাওয়া যায় কিনা।

যুক্তরাষ্ট্রে ধসে যাওয়া ভবনে পাওয়া গেল ৯৭ লাশ

 অনলাইন ডেস্ক 
২৪ জুলাই ২০২১, ০২:০৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের মিয়ামিতে গত ২৪ জুন মধ্যরাতে ধসে যাওয়া বহুতল ভবনটিতে উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

এ পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে ৯৭ জনের লাশ উদ্ধার করেছেন উদ্ধারকর্মীরা। নিখোঁজদের মধ্যে এখনও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। খবর বিবিসির।

মিয়ামির সাগর তীরবর্তী সার্ফসাইড এলাকায় চ্যামপ্লেইন টাওয়ার্স সাউথ নামের ১৫৬ ইউনিটের ১২তলা অ্যাপার্টমেন্টের বড় একটি অংশ স্থানীয় সময় গত ২৪ জুন রাতে ধসে পড়ে। ঘটনার সময় ভবনটির অধিকাংশ বাসিন্দাই ঘুমিয়েছিলেন।

কী কারণে ভবনটির একটি অংশ ধসে পড়ল তা এখনও পরিষ্কার হয়নি। কিন্তু ২০১৮ সালে প্রকৌশলীদের একটি নিরীক্ষা প্রতিবেদনে ৪০ বছরের পুরনো ভবনটির আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিং গ্যারেজে কাঠামোগত ত্রুটির কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।      

১৯৮১ সালে নির্মিত এ ভবনটি ধসে যাওয়ার আগে সংস্কারকাজ চলছিল বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

কুকুর, ক্যামেরা, সোনার, ইনফ্রারেড স্ক্যানার ও ভারি যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে গত এক মাস ধরে উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপে খুঁজে দেখছেন, ভেতরে জীবিত কারও উপস্থিতি পাওয়া যায় কিনা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন