ডোমের চাকরিতে দুই হাজার আবেদন
jugantor
ডোমের চাকরিতে দুই হাজার আবেদন

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৪ জুলাই ২০২১, ১৯:৩৫:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

ডোমের চাকরিতে দুই হাজার আবেদন

হাসপাতালের লাশ কাটা ঘরে ছয় জনকে ‘ডোম’ হিসাবে নিয়োগ করা হবে জানিয়ে বিজ্ঞাপন দিয়েছিল কলকাতার নীলরতন সরকার মেডিকেল কলেজ (এনআরএস) কর্তৃপক্ষ। সেই কাজ করতে চেয়ে কমপক্ষে দুই হাজার আবেদনপত্র জমা পড়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আবেদনকারীদের মধ্যে অধিকাংশই উচ্চশিক্ষিত। ইঞ্জিনিয়ারসহ বিভিন্ন বিষয়ের স্মাতকোত্তররাও রয়েছেন ওই তালিকায়। খবর আনন্দবাজারের।

হাসপাতালের ডোমের চাকরির জন্য আবেদন চেয়ে গত ডিসেম্বরেই বিজ্ঞাপনটি দিয়েছিলেন এনআরএস কর্তৃপক্ষ। ছয়টি শূন্যপদ। ন্যূনতম যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি পাশ। তা ছাড়া প্রার্থী ডোমের পরিবারের সঙ্গে যুক্ত হলে বা তার লাশঘরে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার পাবেন বলেও জানিয়েছিলেন এনআরএস কর্তৃপক্ষ।

তবে আবেদনকারীরা সেই সব শর্তের পরোয়া করেননি। বরং প্রচুর স্মাতক এবং স্মাতকোত্তর ডিগ্রিধারী ওই কাজ করতে চেয়ে আবেদন করেছেন বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত কর্তাব্যক্তিরা।

এনআরএসের প্রিন্সিপাল শৈবাল কুমার মুখোপাধ্যায় বিষয়টিকে স্বাভাবিক হিসেবেই দেখছেন। ইন্ডিয়া টাইমসকে তিনি বলেন, ‘আট হাজার আবেদন হয়নি। দু’হাজারের মতো আবেদন জমা পড়েছে।’

ডোম পদে এত সংখ্যক উচ্চ শিক্ষিতের আবেদন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ অনেকেই আবেদন করেছেন। এটা স্বাভাবিক।’

তিনি স্বাভাবিক বললেও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পশ্চিমবঙ্গের নাগরিক সমাজ। কোনো পেশাকে ছোট না করেও শিক্ষার মূল্য তলানিতে এসে ঠেকা নিয়ে চিন্তিত অনেকেই। উচ্চ শিক্ষিত ছেলেমেয়েদের বেকারত্বের হার দিন দিন বাড়ছে। আর এই আবেদনের ঘটনা তার সাম্প্রতিক উদাহরণ বলেই মনে করছেন তারা।


ডোমের চাকরিতে দুই হাজার আবেদন

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৪ জুলাই ২০২১, ০৭:৩৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ডোমের চাকরিতে দুই হাজার আবেদন
ছবি: সংগৃহীত

হাসপাতালের লাশ কাটা ঘরে ছয় জনকে ‘ডোম’ হিসাবে নিয়োগ করা হবে জানিয়ে বিজ্ঞাপন দিয়েছিল কলকাতার নীলরতন সরকার মেডিকেল কলেজ (এনআরএস) কর্তৃপক্ষ। সেই কাজ করতে চেয়ে কমপক্ষে দুই হাজার আবেদনপত্র জমা পড়েছে। 

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আবেদনকারীদের মধ্যে অধিকাংশই উচ্চশিক্ষিত। ইঞ্জিনিয়ারসহ বিভিন্ন বিষয়ের স্মাতকোত্তররাও রয়েছেন ওই তালিকায়। খবর আনন্দবাজারের।

হাসপাতালের ডোমের চাকরির জন্য আবেদন চেয়ে গত ডিসেম্বরেই বিজ্ঞাপনটি দিয়েছিলেন এনআরএস কর্তৃপক্ষ। ছয়টি শূন্যপদ। ন্যূনতম যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি পাশ। তা ছাড়া প্রার্থী ডোমের পরিবারের সঙ্গে যুক্ত হলে বা তার লাশঘরে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার পাবেন বলেও জানিয়েছিলেন এনআরএস কর্তৃপক্ষ। 

তবে আবেদনকারীরা সেই সব শর্তের পরোয়া করেননি। বরং প্রচুর স্মাতক এবং স্মাতকোত্তর ডিগ্রিধারী ওই কাজ করতে চেয়ে আবেদন করেছেন বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত কর্তাব্যক্তিরা।

এনআরএসের প্রিন্সিপাল শৈবাল কুমার মুখোপাধ্যায় বিষয়টিকে স্বাভাবিক হিসেবেই দেখছেন। ইন্ডিয়া টাইমসকে তিনি বলেন, ‘আট হাজার আবেদন হয়নি। দু’হাজারের মতো আবেদন জমা পড়েছে।’ 

ডোম পদে এত সংখ্যক উচ্চ শিক্ষিতের আবেদন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ অনেকেই আবেদন করেছেন। এটা স্বাভাবিক।’ 

তিনি স্বাভাবিক বললেও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পশ্চিমবঙ্গের নাগরিক সমাজ। কোনো পেশাকে ছোট না করেও শিক্ষার মূল্য তলানিতে এসে ঠেকা নিয়ে চিন্তিত অনেকেই। উচ্চ শিক্ষিত ছেলেমেয়েদের বেকারত্বের হার দিন দিন বাড়ছে। আর এই আবেদনের ঘটনা তার সাম্প্রতিক উদাহরণ বলেই মনে করছেন তারা।


 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর