লুজান চুক্তির ৯৮তম বার্ষিকীতে যা বললেন এরদোগান
jugantor
লুজান চুক্তির ৯৮তম বার্ষিকীতে যা বললেন এরদোগান

  অনলাইন ডেস্ক  

২৫ জুলাই ২০২১, ০২:১৫:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

লুজান চুক্তির ৯৮তম বার্ষিকী উদযাপন করেছে তুরস্ক। এ চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়েছে বর্তমান তুরস্কের সীমানা। দিবসকে কেন্দ্র করে একটি বিবৃতি দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান।

তুরস্কের যোগাযোগ অধিদপ্তরের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানায় দেশটির গণমাধ্যম ডেইলি সাবাহ।

বিবৃতিতে এরদোগান বলেন, তুরস্ক আরও বেশি শক্তিশালী, আরও বেশি স্বাবলম্বী এবং অর্থনৈতিক-সামরিক-রাজনৈতিক-কূটনৈতিক সবক্ষেত্রে আরও বেশি সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে ২০২৩ সালে এ চুক্তির ১০০ বছর উদযাপন করবে।

‘দেশের ঐক্য ও অখণ্ডতাকে অক্ষুণ্ন রাখা এবং দেশে শান্তি ও কল্যাণের ধারা বজায় রাখতে আমরা শত্রুদের ষড়যন্ত্র অব্যাহতভাবে প্রতিহত করে চলেছি’, যোগ করেন এরদোগান।

লুজান চুক্তির বার্ষিকী উপলক্ষ্যে দেওয়া বিবৃতিতে তুর্কি প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, তুরস্ক ‘হুমকি, ভয় দেখানো এবং ব্ল্যাকমেলিংয়ের কাছে’ মাথা নত করবে না এবং আন্তর্জাতিক আইন থেকে উদ্ভূত তার অধিকার রক্ষা করবে।

১৯২৩ সালের ২৪জুলাই স্বাক্ষরিত হয় লুজান চুক্তি।চুক্তিটি সুইজারল্যান্ডের লুজান শহরেসই হয়েছে। তাই লুজানশহরেরনামে রাখা হয় চুক্তিটির নাম। চুক্তিতে একদিকে ছিলেন উসমানীয় সাম্রাজ্যের উত্তরসূরি তুরস্কের প্রতিনিধিরা। অন্যদিকে ছিলেন ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান, গ্রিস, রোমানিয়া এবং যুগোস্লাভিয়ার প্রতিনিধিরা।

আরও পড়ুন>>তুরস্কের লুজান শান্তি চুক্তি

লুজান চুক্তির ৯৮তম বার্ষিকীতে যা বললেন এরদোগান

 অনলাইন ডেস্ক 
২৫ জুলাই ২০২১, ০২:১৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

লুজান চুক্তির ৯৮তম বার্ষিকী উদযাপন করেছে তুরস্ক।  এ চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়েছে বর্তমান তুরস্কের সীমানা।  দিবসকে কেন্দ্র করে একটি বিবৃতি দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান।

তুরস্কের যোগাযোগ অধিদপ্তরের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানায় দেশটির গণমাধ্যম ডেইলি সাবাহ।

বিবৃতিতে এরদোগান বলেন, তুরস্ক আরও বেশি শক্তিশালী, আরও বেশি স্বাবলম্বী এবং অর্থনৈতিক-সামরিক-রাজনৈতিক-কূটনৈতিক সবক্ষেত্রে আরও বেশি সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে ২০২৩ সালে এ চুক্তির ১০০ বছর উদযাপন করবে।

‘দেশের ঐক্য ও অখণ্ডতাকে অক্ষুণ্ন রাখা এবং দেশে শান্তি ও কল্যাণের ধারা বজায় রাখতে আমরা শত্রুদের ষড়যন্ত্র অব্যাহতভাবে প্রতিহত করে চলেছি’, যোগ করেন এরদোগান।

লুজান চুক্তির বার্ষিকী উপলক্ষ্যে দেওয়া বিবৃতিতে তুর্কি প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, তুরস্ক ‘হুমকি, ভয় দেখানো এবং ব্ল্যাকমেলিংয়ের কাছে’ মাথা নত করবে না এবং আন্তর্জাতিক আইন থেকে উদ্ভূত তার অধিকার রক্ষা করবে।

১৯২৩ সালের ২৪ জুলাই স্বাক্ষরিত হয় লুজান চুক্তি। চুক্তিটি সুইজারল্যান্ডের লুজান শহরে সই হয়েছে। তাই লুজান শহরের নামে রাখা হয় চুক্তিটির নাম। চুক্তিতে একদিকে ছিলেন উসমানীয় সাম্রাজ্যের উত্তরসূরি তুরস্কের প্রতিনিধিরা। অন্যদিকে ছিলেন ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান, গ্রিস, রোমানিয়া এবং যুগোস্লাভিয়ার প্রতিনিধিরা।

আরও পড়ুন>> তুরস্কের লুজান শান্তি চুক্তি

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর