যে কারণে প্রতিবেশীরা ধরে যুবকের নাক-কান কাটলেন!
jugantor
যে কারণে প্রতিবেশীরা ধরে যুবকের নাক-কান কাটলেন!

  অনলাইন ডেস্ক  

২৫ জুলাই ২০২১, ১২:২০:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

পরকীয়ায় ধরা পড়ে পাকিস্তানে এক যুবকের নাক ও কান দুই-ই কাটা গেল।

প্রতিবেশীরা দলবল নিয়ে তার ওপর চড়াও হন এবং ছুরি দিয়ে নাক ও কান কেটে দেন। খবর দ্য ডনের।

অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জেরায় তিনি অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছেন বলে জানিয়েছে পাঞ্জাব প্রদেশের পুলিশ।

লাহোর থেকে ৩৭৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পাঞ্জাব প্রদেশের মুজফ্ফরগড়ে ঘটে এ ঘটনা।

পুলিশ জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার কাজ সেরে বাড়ি ফিরছিলেন মহম্মদ আকরাম। সেই সময় কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে তার ওপর চড়াও হন পাড়ারই বাসিন্দা আবদুল কাইয়ুম।

প্রথমে তাদের মধ্যে বচসা বাধে। কেন তার স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন, তা নিয়ে আকরামকে হেনস্তা করতে শুরু করেন তারা।

সবাই মিলে আকরামকে একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে চেপে ধরে ছুরি দিয়ে তার নাক ও কান কেটে দেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গুরুতর জখম অবস্থায় মুলতানের নিশতর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আকরাম। কাইয়ুমকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং জেরায় তিনি অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তার বাকি সহযোগীদের খোঁজ চলছে।

উল্লেখ্য, পরিবারের সম্মানরক্ষার নামে (অনার কিলিং) প্রতি বছর পাকিস্তানে এক হাজারের বেশি নারী এবং ৬০০ থেকে ৮০০ পুরুষ খুন হন।

যে কারণে প্রতিবেশীরা ধরে যুবকের নাক-কান কাটলেন!

 অনলাইন ডেস্ক 
২৫ জুলাই ২০২১, ১২:২০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পরকীয়ায় ধরা পড়ে পাকিস্তানে এক যুবকের নাক ও কান দুই-ই কাটা গেল।

প্রতিবেশীরা দলবল নিয়ে তার ওপর চড়াও হন এবং ছুরি দিয়ে নাক ও কান কেটে দেন। খবর দ্য ডনের।

 অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জেরায় তিনি অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছেন বলে জানিয়েছে পাঞ্জাব প্রদেশের পুলিশ।

লাহোর থেকে ৩৭৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পাঞ্জাব প্রদেশের মুজফ্ফরগড়ে ঘটে এ ঘটনা।

পুলিশ জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার কাজ সেরে বাড়ি ফিরছিলেন মহম্মদ আকরাম। সেই সময় কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে তার ওপর চড়াও হন পাড়ারই বাসিন্দা আবদুল কাইয়ুম।

প্রথমে তাদের মধ্যে বচসা বাধে। কেন তার স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন, তা নিয়ে আকরামকে হেনস্তা করতে শুরু করেন তারা।

সবাই মিলে আকরামকে একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে চেপে ধরে ছুরি দিয়ে তার নাক ও কান কেটে দেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গুরুতর জখম অবস্থায় মুলতানের নিশতর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আকরাম। কাইয়ুমকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং জেরায় তিনি অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তার বাকি সহযোগীদের খোঁজ চলছে।

উল্লেখ্য, পরিবারের সম্মানরক্ষার নামে (অনার কিলিং) প্রতি বছর পাকিস্তানে এক হাজারের বেশি নারী এবং ৬০০ থেকে ৮০০ পুরুষ খুন হন।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন