সিরিয়ায় সেনা নিহত হওয়ার ঘটনায় তুরস্কের হুশিয়ারি
jugantor
সিরিয়ায় সেনা নিহত হওয়ার ঘটনায় তুরস্কের হুশিয়ারি

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৫ জুলাই ২০২১, ১৮:২৯:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

সিরিয়ায় সেনা নিহত হওয়ায় ঘটনায় তুরস্কের হুশিয়ারি

সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে অতর্কিত হামলায় দুই সেনা নিহত হওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তুরস্ক। এ ঘটনায় অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

শনিবার সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলের আল-বাব এলাকায় তুরস্কের সেনাদের গাড়িবহরে অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটে। এতে নিহত হয়েছে সাঁজোয়া যানে থাকা তুরস্কের দুই সেনা, আহত হয়েছে আরও দুইজন।

হামলার পর তাৎক্ষণিকভাবে গুলি ছুড়ে জবাব দিয়েছে তুর্কি সেনারা। এক টুইট বার্তায় তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় হুশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, ‘সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে’।

তুরস্ক এ ঘটনার জন্য কুর্দি বিদ্রোহীদের সন্দেহ করছে। সিরিয়ার অভ্যন্তরে এমন ঘটনায় আসাদ সরকারের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। হামলার দায় স্বীকার করেনি কোনো গোষ্ঠী।

তুরস্ক যে এলাকায় ২০১৬ সালে আইএস এবং কুর্দিশ পিপলস প্রোটেকশন গ্রুপ (ওয়াইপিজি)- এর বিরুদ্ধে ‘অপারেশন ইউফ্রেটিস শিল্ড’ চালিয়েছিল সে এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। ওয়াইপিজিকে আঙ্কারা সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে।

সিরিয়ার উত্তরাংশ, ইরাকের উত্তরাংশ ও ইরানের উত্তরাংশ এই তিন রাষ্ট্রের উত্তরাংশ সংলগ্ন তুরস্কের বিস্তীর্ণ এলাকায় কুর্দিদের আবাসস্থল। কুর্দিরা পৃথক একটি জাতি। তবে চার রাষ্ট্রের ভেতরেই তাদের আবাসভূমির অবস্থান। যে কারণে ৭৫ বছর ধরে সংগ্রাম করার পরও তারা পৃথক জাতিসত্তা নিয়ে একটা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি।

সিরিয়ায় সেনা নিহত হওয়ার ঘটনায় তুরস্কের হুশিয়ারি

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৫ জুলাই ২০২১, ০৬:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সিরিয়ায় সেনা নিহত হওয়ায় ঘটনায় তুরস্কের হুশিয়ারি
ছবি: আল জাজিরা

সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে অতর্কিত হামলায় দুই সেনা নিহত হওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তুরস্ক। এ ঘটনায় অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। 

শনিবার সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলের আল-বাব এলাকায় তুরস্কের সেনাদের গাড়িবহরে অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটে। এতে নিহত হয়েছে সাঁজোয়া যানে থাকা তুরস্কের দুই সেনা, আহত হয়েছে আরও দুইজন।

হামলার পর তাৎক্ষণিকভাবে গুলি ছুড়ে জবাব দিয়েছে তুর্কি সেনারা। এক টুইট বার্তায় তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় হুশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, ‘সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে’।

তুরস্ক এ ঘটনার জন্য কুর্দি বিদ্রোহীদের সন্দেহ করছে। সিরিয়ার অভ্যন্তরে এমন ঘটনায় আসাদ সরকারের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। হামলার দায় স্বীকার করেনি কোনো গোষ্ঠী।

তুরস্ক যে এলাকায় ২০১৬ সালে আইএস এবং কুর্দিশ পিপলস প্রোটেকশন গ্রুপ (ওয়াইপিজি)- এর বিরুদ্ধে ‘অপারেশন ইউফ্রেটিস শিল্ড’ চালিয়েছিল সে এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। ওয়াইপিজিকে আঙ্কারা সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে।

সিরিয়ার উত্তরাংশ, ইরাকের উত্তরাংশ ও ইরানের উত্তরাংশ এই তিন রাষ্ট্রের উত্তরাংশ সংলগ্ন তুরস্কের বিস্তীর্ণ এলাকায় কুর্দিদের আবাসস্থল। কুর্দিরা পৃথক একটি জাতি। তবে চার রাষ্ট্রের ভেতরেই তাদের আবাসভূমির অবস্থান। যে কারণে ৭৫ বছর ধরে সংগ্রাম করার পরও তারা পৃথক জাতিসত্তা নিয়ে একটা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি। 
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন