কান্দাহারে ঘরবাড়ি ছেড়েছে ২২ হাজার পরিবার
jugantor
কান্দাহারে ঘরবাড়ি ছেড়েছে ২২ হাজার পরিবার

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৫ জুলাই ২০২১, ১৯:৩৮:৪৭  |  অনলাইন সংস্করণ

কান্দাহারে ঘরবাড়ি ছেড়েছে ২২ হাজার পরিবার

কান্দাহার প্রদেশে তালেবানের হামলা ও হত্যাযজ্ঞ থেকে বাঁচতে প্রায় ২২ হাজার পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। রোববার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন আফগান কর্মকর্তারা।

মার্কিন সেনা প্রত্যাহার ঘোষণার পর গত মে মাসের শুরুতে কান্দাহারসহ উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে হামলা জোরদার করে তালেবান। ইতোমধ্যে বহু এলাকা দখল করে নিয়েছে তারা।

দখল করা এলাকায় নাগরিকদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন চালানো হচ্ছে। গত সপ্তাহেই অন্তত ৩৩ জনকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আফগানিস্তান ইন্ডিপেনডেন্ট হিউম্যান রাইটস কমিশন (এআইএইচআরসি)।

রোববার কান্দাহার প্রাদেশিক শরণার্থী বিভাগের প্রধান দোস্ত মোহাম্মদ দারিয়াব বলেন, ‘সংঘাতের মাঝে গত এক মাসে প্রায় ২২ হাজার পরিবার উদ্বাস্তু হয়েছে।’

এদিকে তালেবানের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে আফগানিস্তানের ৩৪ প্রদেশের মধ্যে ৩১টিতেই নৈশকালীন কারফিউ জারি করেছে দেশটির সরকার।

শনিবার দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে— সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে এবং তালেবানের হামলা প্রতিহত করতে দেশের ৩১ প্রদেশে নৈশকালীন কারফিউ জারি করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আহমাদ জিয়া জানিয়েছেন, শনিবার থেকে স্থানীয় সময় রাত ১০টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত এ কারফিউ চলবে।

কারফিউ জারির কারণ, অনেক বছর ধরেই যুদ্ধরত এলাকাগুলো দিনেরবেলা দখল করেছিল আফগান বাহিনী, আর অধিকাংশ ক্ষেত্রে তালেবান বিজয় পেয়েছে রাতের বেলা।

গত মে মাস থেকে আফগানিস্তানের বিস্তীর্ণ অঞ্চল দখল করতে শুরু করে তালেবান। মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো সেনারা দেশটি ছেড়ে যাওয়ার পরই কৌশলগত সীমান্তগুলো তারা দখল করে ফেলেন।

কান্দাহারে ঘরবাড়ি ছেড়েছে ২২ হাজার পরিবার

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৫ জুলাই ২০২১, ০৭:৩৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কান্দাহারে ঘরবাড়ি ছেড়েছে ২২ হাজার পরিবার
ছবি: সংগৃহীত

কান্দাহার প্রদেশে তালেবানের হামলা ও হত্যাযজ্ঞ থেকে বাঁচতে প্রায় ২২ হাজার পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। রোববার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন আফগান কর্মকর্তারা। 

মার্কিন সেনা প্রত্যাহার ঘোষণার পর গত মে মাসের শুরুতে কান্দাহারসহ উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে হামলা জোরদার করে তালেবান। ইতোমধ্যে বহু এলাকা দখল করে নিয়েছে তারা। 

দখল করা এলাকায় নাগরিকদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন চালানো হচ্ছে। গত সপ্তাহেই অন্তত ৩৩ জনকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আফগানিস্তান ইন্ডিপেনডেন্ট হিউম্যান রাইটস কমিশন (এআইএইচআরসি)। 

রোববার কান্দাহার প্রাদেশিক শরণার্থী বিভাগের প্রধান দোস্ত মোহাম্মদ দারিয়াব বলেন, ‘সংঘাতের মাঝে গত এক মাসে প্রায় ২২ হাজার পরিবার উদ্বাস্তু হয়েছে।’ 

এদিকে তালেবানের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে আফগানিস্তানের ৩৪ প্রদেশের মধ্যে ৩১টিতেই নৈশকালীন কারফিউ জারি করেছে দেশটির সরকার।

শনিবার দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে— সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে এবং তালেবানের হামলা প্রতিহত করতে দেশের ৩১ প্রদেশে নৈশকালীন কারফিউ জারি করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আহমাদ জিয়া জানিয়েছেন, শনিবার থেকে স্থানীয় সময় রাত ১০টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত এ কারফিউ চলবে।

কারফিউ জারির কারণ, অনেক বছর ধরেই যুদ্ধরত এলাকাগুলো দিনেরবেলা দখল করেছিল আফগান বাহিনী, আর অধিকাংশ ক্ষেত্রে তালেবান বিজয় পেয়েছে রাতের বেলা।

গত মে মাস থেকে আফগানিস্তানের বিস্তীর্ণ অঞ্চল দখল করতে শুরু করে তালেবান। মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো সেনারা দেশটি ছেড়ে যাওয়ার পরই কৌশলগত সীমান্তগুলো তারা দখল করে ফেলেন।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর