পেয়ারা বিক্রি করছেন এএসপি, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল
jugantor
পেয়ারা বিক্রি করছেন এএসপি, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

  অনলাইন ডেস্ক  

২৫ জুলাই ২০২১, ২১:১৩:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

মুর্শিদাবাদের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তন্ময় সরকার

সকালে বাজার করতে এসেছিলেন একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার। তখনই তাকে এক পেয়ারা বিক্রেতা বলে ওঠেন, ‘‘দাদা, আমার ভ্যানটি একটু দেখবেন। আমি খেয়ে আসি।’

আবেদনে সাড়া দেন তন্ময় সরকার নামের ওই পুলিশ সুপার। তিনি ভ্যানের দিকে শুধু নজরই রাখেননি, বিক্রিও শুরু করেছেন। ক্রেতারা যাতে ফিরে না যান, তাই নিজের হাতে তুলে নিয়েছেন দাঁড়িপাল্লা।

ভারতের মুর্শিদাবাদের বহরমপুর শহরে এমন ঘটনা ঘটেছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের পেয়ারা বিক্রির সেই ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়, প্রায় ২০ মিনিট এভাবে দাঁড়িপাল্লায় মেপে পেয়ারা বিক্রি করতে দেখা গিয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে। পুরো ঘটনায় অবাক সেই বিক্রেতা।

তিনি বলেন, ‘আমি প্রতিদিন এই এলাকায় পেয়ারা বিক্রি করি। শনিবার সকালেও দোকান খুলে বসেছিলেন। আমি না চিনেই তাকে পেয়ারার ভ্যানটি দেখতে বলি। আমি তখন জানতাম না উনি এতবড় একজন পুলিশ অফিসার। উনি যে নিঃশব্দে আমার দাবি মেনে নেবেন, ভাবতেই পারিনি। তবে আমি খুশি উনি এভাবে আমার ভ্যান থেকে পেয়ারা বিক্রি করায়।’

পেয়ারা বিক্রি করছেন এএসপি, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

 অনলাইন ডেস্ক 
২৫ জুলাই ২০২১, ০৯:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মুর্শিদাবাদের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তন্ময় সরকার
মুর্শিদাবাদের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তন্ময় সরকার। ছবি: আনন্দবাজার পত্রিকা

সকালে বাজার করতে এসেছিলেন একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার। তখনই তাকে এক পেয়ারা বিক্রেতা বলে ওঠেন, ‘‘দাদা, আমার ভ্যানটি একটু দেখবেন। আমি খেয়ে আসি।’ 

আবেদনে সাড়া দেন  তন্ময় সরকার নামের ওই পুলিশ সুপার। তিনি ভ্যানের দিকে শুধু নজরই রাখেননি, বিক্রিও শুরু করেছেন। ক্রেতারা যাতে ফিরে না যান, তাই নিজের হাতে তুলে নিয়েছেন দাঁড়িপাল্লা।

ভারতের মুর্শিদাবাদের বহরমপুর শহরে এমন ঘটনা ঘটেছে। 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের পেয়ারা বিক্রির সেই ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়, প্রায় ২০ মিনিট এভাবে দাঁড়িপাল্লায় মেপে পেয়ারা বিক্রি করতে দেখা গিয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে। পুরো ঘটনায় অবাক সেই বিক্রেতা। 

তিনি বলেন, ‘আমি প্রতিদিন এই এলাকায় পেয়ারা বিক্রি করি। শনিবার সকালেও দোকান খুলে বসেছিলেন। আমি না চিনেই তাকে পেয়ারার ভ্যানটি দেখতে বলি। আমি তখন জানতাম না উনি এতবড় একজন পুলিশ অফিসার। উনি যে নিঃশব্দে আমার দাবি মেনে নেবেন, ভাবতেই পারিনি। তবে আমি খুশি উনি এভাবে আমার ভ্যান থেকে পেয়ারা বিক্রি করায়।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর