ইসরাইল উৎকণ্ঠায়, পরমাণু অস্ত্র তৈরির শেষ ধাপে ইরান
jugantor
ইসরাইল উৎকণ্ঠায়, পরমাণু অস্ত্র তৈরির শেষ ধাপে ইরান

  অনলাইন ডেস্ক  

২৬ জুলাই ২০২১, ১৪:৪০:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

ইরানের পরমাণু কর্মসূচির অগ্রগতিতে চরম আতঙ্কে আছে ইহুদিবাদী রাষ্ট্র ইসরাইল।

দেশটির গোয়েন্দা প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরান পরমাণু বোমা বানানোর শেষ ধাপে রয়েছে। খবর স্পুটনিকের।

রোববার এ গোয়েন্দা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় ইসরাইলের গণমাধ্যমে। এতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রকে বহুবার বলা হয়েছে ইসরাইলের এ উদ্বেগের কথা।

ভিয়েনায় ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে গত এপ্রিল থেকে ৫ ক্ষমতাধর দেশের সঙ্গে দেনদরবার চলছে।কিন্তু ইরানের এক কথা— আগে তার দেশের ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করুক যুক্তরাষ্ট্র, তার পর আলোচনা।

পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ইরানের সঙ্গে ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রসহ ৬ জাতির যে চুক্তি হয়েছিল, তা থেকে ২০১৮ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার দেশকে বের করে নিয়ে যান।

এর পর থেকেই ঘোষণা দিয়ে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা বাড়াতে থাকে ইরান।

ইরানের এই অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করতে ইরানের শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানীকে হত্যা এবং পরমাণু স্থাপনায় একাধিক হামলা চালিয়েছে ইসরাইল।

প্রথমে এসব ব্যাপারে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করলেও পরে সাবেক মোসাদপ্রধান ইয়োশি কোহেন তার চাকরিচ্যুতির পর হামলায় ইসরাইল জড়িত বলে প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন।

সর্বশেষ গত সপ্তাহে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তার সরকারকে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে উৎকণ্ঠার কথা জানান।

ইরানকে থামাতে বারবার যুক্তরাষ্ট্রের দ্বারস্থ হচ্ছে ইহুদিবাদী দেশটি। কারণ ইরান পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী হওয়া মানে ইসরাইলের অস্তিত্ব হুমকির মুখে।

ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞাসহ নানা ধরনের চাপ প্রয়োগ করলেও পরমাণু কর্মসূচি থেকে পিছু হটেনি তেহরান।

ইরানের সোজা কথা— বহু বছর ধরেই ইসরাইল পরমাণু বোমার অধিকারী। নিরপরাধ ফিলিস্তিনিদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালানো দখলদার এ দেশটি পরমাণু অস্ত্রের মালিক হতে পারলে ইরানের দোষ কোথায়?

ইসরাইল উৎকণ্ঠায়, পরমাণু অস্ত্র তৈরির শেষ ধাপে ইরান

 অনলাইন ডেস্ক 
২৬ জুলাই ২০২১, ০২:৪০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ইরানের পরমাণু কর্মসূচির অগ্রগতিতে চরম আতঙ্কে আছে ইহুদিবাদী রাষ্ট্র ইসরাইল।

দেশটির গোয়েন্দা প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরান পরমাণু বোমা বানানোর শেষ ধাপে রয়েছে। খবর স্পুটনিকের।

রোববার এ গোয়েন্দা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় ইসরাইলের গণমাধ্যমে। এতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রকে বহুবার বলা হয়েছে ইসরাইলের এ উদ্বেগের কথা।  

ভিয়েনায় ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে গত এপ্রিল থেকে ৫ ক্ষমতাধর দেশের সঙ্গে দেনদরবার চলছে।কিন্তু ইরানের এক কথা— আগে তার দেশের ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করুক যুক্তরাষ্ট্র, তার পর আলোচনা।

পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ইরানের সঙ্গে ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রসহ ৬ জাতির যে চুক্তি হয়েছিল, তা থেকে ২০১৮ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার দেশকে বের করে নিয়ে যান।

এর পর থেকেই ঘোষণা দিয়ে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা বাড়াতে থাকে ইরান।

ইরানের এই অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করতে ইরানের শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানীকে হত্যা এবং পরমাণু স্থাপনায় একাধিক হামলা চালিয়েছে ইসরাইল।

প্রথমে এসব ব্যাপারে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করলেও পরে সাবেক মোসাদপ্রধান ইয়োশি কোহেন তার চাকরিচ্যুতির পর হামলায় ইসরাইল জড়িত বলে প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন।

সর্বশেষ গত সপ্তাহে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তার সরকারকে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে উৎকণ্ঠার কথা জানান।

ইরানকে থামাতে বারবার যুক্তরাষ্ট্রের দ্বারস্থ হচ্ছে ইহুদিবাদী দেশটি। কারণ ইরান পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী হওয়া মানে ইসরাইলের অস্তিত্ব হুমকির মুখে।

ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞাসহ নানা ধরনের চাপ প্রয়োগ করলেও পরমাণু কর্মসূচি থেকে পিছু হটেনি তেহরান।

ইরানের সোজা কথা— বহু বছর ধরেই ইসরাইল পরমাণু বোমার অধিকারী। নিরপরাধ ফিলিস্তিনিদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালানো দখলদার এ দেশটি পরমাণু অস্ত্রের মালিক হতে পারলে ইরানের দোষ কোথায়?

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ইরানের পরমাণু সমঝোতা