ভ্যাকসিন নিলে সিঙ্গাপুরে কোয়ারেন্টিন ছাড়াই যাতায়াত
jugantor
ভ্যাকসিন নিলে সিঙ্গাপুরে কোয়ারেন্টিন ছাড়াই যাতায়াত

  রাশিদুল ইসলাম জুয়েল, সিঙ্গাপুর থেকে  

২৭ জুলাই ২০২১, ০২:০২:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

সোমবার (২৬ জুলাই) সংসদে অর্থমন্ত্রী লরেন্স ওয়াং বলেছেন, সেপ্টেম্বরের প্রথম থেকে সিঙ্গাপুর আসার পরে ১৪ দিনের স্ট্যান্ড হোম নোটিশ (এসএইচএন) না দিয়েই ভ্যাকসিনযুক্ত ব্যক্তিদের ভ্রমণের জন্য বর্ডার পুনরায় চালু করা হবে। সামনের সপ্তাহে পুনরায় খোলার জন্য রোডম্যাপটি তুলে ধরবেন।

সিঙ্গাপুর কোভিড-১৯ মাল্টি-মন্ত্রণালয়ের টাস্কফোর্সের সহ-সভাপতিত্বকারী মি. ওয়াং বলেছেন, রেস্তোরাঁগুলোতে খাবার খাওয়া বা জিমে যাওয়ার মতো কার্যক্রমের বর্তমান নিয়ন্ত্রণগুলো আগস্টের প্রথমদিকে সহজ করা যেতে পারে। তবে কেবলমাত্র পুরোপুরি ভ্যাকসিনযুক্ত লোকদের জন্যই।

আগস্টের শুরুতে, টাস্কফোর্স বিদ্যমান ব্যবস্থা এবং সংক্রমণের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবে। ততক্ষণে জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ এবং প্রায় তিন-চতুর্থাংশ সিনিয়ররা দুটি ভ্যাকসিন ডোজ পেয়ে যাবে। যদি সংক্রমণ ক্লাস্টারগুলো নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং হাসপাতালে ভর্তির হার কম থাকে, তবে কিছু ব্যবস্থা সহজ করা যায়। তবে এই সহজকরণ কেবল টিকা দেওয়া ব্যক্তিদের জন্যই হবে, কারণ তারা আরও সুরক্ষিত।

কেউ ১০০ জনেরও বেশি লোকজনের সঙ্গে বড় সামাজিক অনুষ্ঠান বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বা রেস্তোরাঁয় খাবার খেতে বা জিমে যেতে চান, তাকে পুরোপুরি টিকা নিতে হবে। সিঙ্গাপুর আশা করে যে, সেপ্টেম্বরের প্রথম দিকে প্রায় ৮০ শতাংশ লোক পুরোপুরি টিকা গ্রহণ করবে।

মি. ওয়াং বলেন, এরপর আমরা বৃহত্তর গ্রুপগুলোকে একত্রিত হওয়ার অনুমতি প্রদানসহ আরও বিধিনিষেধগুলো কমিয়ে আনতে সক্ষম হব। বিশেষত যদি তাদের সম্পূর্ণ টিকা দেওয়া হয়। সিঙ্গাপুর বিশেষ করে ভ্যাকসিনযুক্ত ব্যক্তিদের জন্য পুনরায় বর্ডার খুলতে শুরু করবে। কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এমন দেশ বা অঞ্চলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে এটি শুরু হবে।

সম্পূর্ণ ভ্যাকসিনযুক্ত ব্যক্তিরা সিঙ্গাপুরে ফিরে আসার পরে হোটেলে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে না থেকেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করতে পারবেন। এর বাইরেও সিঙ্গাপুর ক্রমবর্ধমান ব্যবস্থাগুলো সহজ করতে থাকবে। কোভিড-১৯ আক্রান্ত সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা করা হলেও মূল ফোকাস আর প্রতিদিনের আক্রান্ত সংখ্যার দিকে থাকবে না। বরং ফোকাস থাকবে সংক্রমিত ব্যক্তিদের জন্য পরিপূরক অক্সিজেন বা নিবিড় পরিচর্যা প্রয়োজন।

মি. ওয়াং বলেছেন, সিঙ্গাপুরকেও প্রস্তুত থাকতে হবে করোনাভাইরাসের যে নতুন রূপগুলো আরও মারাত্মক প্রকোপ ঘটাতে পারে; যা সময়ে সময়ে নিষেধাজ্ঞাগুলো মানতে বাধ্য করতে পারে।

ভ্যাকসিন নিলে সিঙ্গাপুরে কোয়ারেন্টিন ছাড়াই যাতায়াত

 রাশিদুল ইসলাম জুয়েল, সিঙ্গাপুর থেকে 
২৭ জুলাই ২০২১, ০২:০২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সোমবার (২৬ জুলাই) সংসদে অর্থমন্ত্রী লরেন্স ওয়াং বলেছেন, সেপ্টেম্বরের প্রথম থেকে সিঙ্গাপুর আসার পরে ১৪ দিনের স্ট্যান্ড হোম নোটিশ (এসএইচএন) না দিয়েই ভ্যাকসিনযুক্ত ব্যক্তিদের ভ্রমণের জন্য বর্ডার পুনরায় চালু করা হবে। সামনের সপ্তাহে পুনরায় খোলার জন্য রোডম্যাপটি তুলে ধরবেন। 

সিঙ্গাপুর কোভিড-১৯ মাল্টি-মন্ত্রণালয়ের টাস্কফোর্সের সহ-সভাপতিত্বকারী মি. ওয়াং বলেছেন, রেস্তোরাঁগুলোতে খাবার খাওয়া বা জিমে যাওয়ার মতো কার্যক্রমের বর্তমান নিয়ন্ত্রণগুলো আগস্টের প্রথমদিকে সহজ করা যেতে পারে। তবে কেবলমাত্র পুরোপুরি ভ্যাকসিনযুক্ত লোকদের জন্যই।

আগস্টের শুরুতে, টাস্কফোর্স বিদ্যমান ব্যবস্থা এবং সংক্রমণের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবে। ততক্ষণে জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ এবং প্রায় তিন-চতুর্থাংশ সিনিয়ররা দুটি ভ্যাকসিন ডোজ পেয়ে যাবে। যদি সংক্রমণ ক্লাস্টারগুলো নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং হাসপাতালে ভর্তির হার কম থাকে, তবে কিছু ব্যবস্থা সহজ করা যায়। তবে এই সহজকরণ কেবল টিকা দেওয়া ব্যক্তিদের জন্যই হবে, কারণ তারা আরও সুরক্ষিত।

কেউ ১০০ জনেরও বেশি লোকজনের সঙ্গে বড় সামাজিক অনুষ্ঠান বা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বা রেস্তোরাঁয় খাবার খেতে বা জিমে যেতে চান, তাকে পুরোপুরি টিকা নিতে হবে। সিঙ্গাপুর আশা করে যে, সেপ্টেম্বরের প্রথম দিকে প্রায় ৮০ শতাংশ লোক পুরোপুরি টিকা গ্রহণ করবে। 

মি. ওয়াং বলেন, এরপর আমরা বৃহত্তর গ্রুপগুলোকে একত্রিত হওয়ার অনুমতি প্রদানসহ আরও বিধিনিষেধগুলো কমিয়ে আনতে সক্ষম হব। বিশেষত যদি তাদের সম্পূর্ণ টিকা দেওয়া হয়। সিঙ্গাপুর বিশেষ করে ভ্যাকসিনযুক্ত ব্যক্তিদের জন্য পুনরায় বর্ডার খুলতে শুরু করবে। কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এমন দেশ বা অঞ্চলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে এটি শুরু হবে।

সম্পূর্ণ ভ্যাকসিনযুক্ত ব্যক্তিরা সিঙ্গাপুরে ফিরে আসার পরে হোটেলে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে না থেকেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করতে পারবেন। এর বাইরেও সিঙ্গাপুর ক্রমবর্ধমান ব্যবস্থাগুলো সহজ করতে থাকবে। কোভিড-১৯ আক্রান্ত সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা করা হলেও মূল ফোকাস আর প্রতিদিনের আক্রান্ত সংখ্যার দিকে থাকবে না। বরং ফোকাস থাকবে সংক্রমিত ব্যক্তিদের জন্য পরিপূরক অক্সিজেন বা নিবিড় পরিচর্যা প্রয়োজন।

মি. ওয়াং বলেছেন, সিঙ্গাপুরকেও প্রস্তুত থাকতে হবে করোনাভাইরাসের যে নতুন রূপগুলো আরও মারাত্মক প্রকোপ ঘটাতে পারে; যা সময়ে সময়ে নিষেধাজ্ঞাগুলো মানতে বাধ্য করতে পারে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর