জিন্স পরায় পরিবারের সদস্যরা পিটিয়ে হত্যা করল কিশোরীকে
jugantor
জিন্স পরায় পরিবারের সদস্যরা পিটিয়ে হত্যা করল কিশোরীকে

  অনলাইন ডেস্ক  

২৭ জুলাই ২০২১, ১০:৫৪:৪৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ভারতের উত্তরপ্রদেশে জিন্স পরায় নেহা পাশান (১৭) নামে এক কিশোরীকে পিটিয়ে হত্যা করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

বিষয়টি নিয়ে দেশটিতে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। বর্বরোচিত এ ঘটনায় ভারতজুড়ে নিন্দার ঝড় বইছে। খবর বিবিসির।

দেশটির গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ঘটনাই প্রমাণ করে ভারতে নারী ও শিশুরা নিজ পরিবারে কতটা ঝুঁকিতে আছে।

নৃশংস এ ঘটনাটি গত সপ্তাহে উত্তরপ্রদেশের দেউরিয়া জেলার সাবরেজি খার্গ গ্রামে ঘটেছে।

নিহত কিশোরীর মা শকুনতলা দেবী পাশান জানান, জিন্স পরায় ক্ষিপ্ত হয়ে নেহাকে তার দাদা ও চাচারা নির্দয়ভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে।

মায়ের সঙ্গে নেহা

তিনি আরও বলেন, সেদিন নেহা সারা দিন উপবাস ছিল। সন্ধ্যায় ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে জিন্স ও টপ পরেছিল। তার দাদা তখন এ পোশাক পরতে বারণ করেছিল।

তার কথা না শোনায় নেহাকে বেধড়ক পিটিয়ে অচেতন অবস্থায় ফেলে রাখে। পরে তারা একটি অটোরিকশায় করে নেহার নিথর দেহটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

পরে তারা গ্রামের পাশে একটি সেতু থেকে নেহার মরদেহটি নদীতে ফেলে দেয়। বাড়ি এসে প্রচার করে নেহা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

পরে নদীতে ভাসমান এ মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ নিয়ে তদন্ত করে প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করে নেহার দাদা ও চাচাদের গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ কর্মকর্তা শ্রীয়াশ ত্রিপাঠি জানান, এ ঘটনায় আরও যারা জড়িত, তাদের গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

এদিকে মেয়ের এ করুণ মৃত্যুর খবরে নেহার দিনমজুর বাবা পাঞ্জাব থেকে বাড়ি ফিরে আসেন।

নেহার মা জানান, তার মেয়ে লেখাপড়া করে পুলিশ অফিসার হতে চেয়েছিল। কিন্তু নেহার সেই আশা আর পূরণ হলো না।

জিন্স পরায় পরিবারের সদস্যরা পিটিয়ে হত্যা করল কিশোরীকে

 অনলাইন ডেস্ক 
২৭ জুলাই ২০২১, ১০:৫৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ভারতের উত্তরপ্রদেশে জিন্স পরায় নেহা পাশান (১৭) নামে এক কিশোরীকে পিটিয়ে হত্যা করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

বিষয়টি নিয়ে দেশটিতে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। বর্বরোচিত এ ঘটনায় ভারতজুড়ে নিন্দার ঝড় বইছে। খবর বিবিসির।

দেশটির গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ঘটনাই প্রমাণ করে ভারতে নারী ও শিশুরা নিজ পরিবারে কতটা ঝুঁকিতে আছে।

নৃশংস এ ঘটনাটি গত সপ্তাহে উত্তরপ্রদেশের দেউরিয়া জেলার সাবরেজি খার্গ গ্রামে ঘটেছে।

নিহত কিশোরীর মা শকুনতলা দেবী পাশান জানান, জিন্স পরায় ক্ষিপ্ত হয়ে নেহাকে তার দাদা ও চাচারা নির্দয়ভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে।

                                                                                    মায়ের সঙ্গে নেহা

তিনি আরও বলেন, সেদিন নেহা সারা দিন উপবাস ছিল। সন্ধ্যায় ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে জিন্স ও টপ পরেছিল। তার দাদা তখন এ পোশাক পরতে বারণ করেছিল।

তার কথা না শোনায় নেহাকে বেধড়ক পিটিয়ে অচেতন অবস্থায় ফেলে রাখে। পরে তারা একটি অটোরিকশায় করে নেহার নিথর দেহটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

পরে তারা গ্রামের পাশে একটি সেতু থেকে নেহার মরদেহটি নদীতে ফেলে দেয়। বাড়ি এসে প্রচার করে নেহা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

পরে নদীতে ভাসমান এ মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ নিয়ে তদন্ত করে প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করে নেহার দাদা ও চাচাদের গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ কর্মকর্তা শ্রীয়াশ ত্রিপাঠি জানান, এ ঘটনায় আরও যারা জড়িত, তাদের গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

এদিকে মেয়ের এ করুণ মৃত্যুর খবরে নেহার দিনমজুর বাবা পাঞ্জাব থেকে বাড়ি ফিরে আসেন।

নেহার মা জানান, তার মেয়ে লেখাপড়া করে পুলিশ অফিসার হতে চেয়েছিল। কিন্তু নেহার সেই আশা আর পূরণ হলো না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন