ছাগলকে ধর্ষণের পর হত্যা, পাঁচ জনকে খুঁজছে পাকিস্তান পুলিশ
jugantor
ছাগলকে ধর্ষণের পর হত্যা, পাঁচ জনকে খুঁজছে পাকিস্তান পুলিশ

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৮ জুলাই ২০২১, ১৮:০৮:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

ছাগলকে ধর্ষণের পর হত্যা, পাঁচ জনকে খুঁজছে পাকিস্তান পুলিশ

পাকিস্তানের ওকারা শহরে একটি ছাগলকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে পাঁচ ব্যক্তিকে গ্রেফতারের জন্য খুঁজছে পুলিশ।

দেশটির পুলিশ বলছে, শহরের সাতঘরা এলাকায় অভিযুক্তরা ছাগলটিকে ধর্ষণ করে হত্যার পর পালিয়ে যায়।

সাতঘরা পুলিশ স্টেশনের একজন কর্মকর্তা মুহাম্মদ উসমান বিবিসিকে বলেন, ছাগলটির মৃতদেহ উদ্ধার করে একটি পশু হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে ময়নাতদন্ত করে নিশ্চিত হওয়া গেছে, ‘ছাগলটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে।’

আজহার হোসেন নামে একজন ব্যাক্তি পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন যে, তার পোষা ছাগলটিকে একদল ব্যক্তি যৌন নিপীড়ন ও নির্যাতন করে। নির্যাতনের কারণে ছাগলটির মৃত্যু হয়।

পুলিশ বলছে, হাসপাতালের প্রতিবেদন পাওয়ার পর তারা একটি মামলা লিপিবদ্ধ করেছেন।

আজহার হোসেন পুলিশকে বলেছেন, তার ছাগলটির মূল্য ছিল ৬০ হাজার পাকিস্তানি রুপি। ছাগলটি তার ঘরের সামনে বাঁধা ছিল। অভিযুক্তরা বাঁধন খুলে একটি ফাঁকা স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে ছাগলটিকে ধর্ষণ করে তারা। তারা ছাগলটিকে নির্যাতনও করে।

আজহার হোসেন পুলিশকে বলেন, ঘরের সামনে ছাগলটিকে বাঁধা না দেখতে পেয়ে তিনি ক’জন বন্ধুকে নিয়ে খুঁজতে বের হন। এক পর্যায়ে তারা দেখতে পান অভিযুক্তরা ছাগলটিকে নির্যাতন করছে। দূর থেকে তাদের দেখতে পেয়ে অভিযুক্তরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। আজহার হোসেন যখন ছাগলটির কাছে পৌঁছান, ততক্ষণে সেটি মরে গেছে।

এ ঘটনায় পুলিশের কাছে তিনজন অভিযুক্তের নাম উল্লেখ করেন তিনি। বাকী অভিযুক্তরা অজ্ঞাতনামা।

এ ঘটনায় পাকিস্তানের দণ্ডবিধির ৪২৯ ও ৩৭৭ ধারায় মামলা করা হয়েছে।

পুলিশের কর্মকর্তা মুহাম্মদ উসমান বিবিসিকে বলেছেন, একজন মানুষের সঙ্গে এ ধরণের অপরাধ ঘটলে যতটা গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হতো, এই ক্ষেত্রেও সেই একই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হবে।


ছাগলকে ধর্ষণের পর হত্যা, পাঁচ জনকে খুঁজছে পাকিস্তান পুলিশ

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৮ জুলাই ২০২১, ০৬:০৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ছাগলকে ধর্ষণের পর হত্যা, পাঁচ জনকে খুঁজছে পাকিস্তান পুলিশ
ছবি: বিবিসি

পাকিস্তানের ওকারা শহরে একটি ছাগলকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে পাঁচ ব্যক্তিকে গ্রেফতারের জন্য খুঁজছে পুলিশ।

দেশটির পুলিশ বলছে, শহরের সাতঘরা এলাকায় অভিযুক্তরা ছাগলটিকে ধর্ষণ করে হত্যার পর পালিয়ে যায়।

সাতঘরা পুলিশ স্টেশনের একজন কর্মকর্তা মুহাম্মদ উসমান বিবিসিকে বলেন, ছাগলটির মৃতদেহ উদ্ধার করে একটি পশু হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে ময়নাতদন্ত করে নিশ্চিত হওয়া গেছে, ‘ছাগলটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে।’

আজহার হোসেন নামে একজন ব্যাক্তি পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন যে, তার পোষা ছাগলটিকে একদল ব্যক্তি যৌন নিপীড়ন ও নির্যাতন করে। নির্যাতনের কারণে ছাগলটির মৃত্যু হয়।

পুলিশ বলছে, হাসপাতালের প্রতিবেদন পাওয়ার পর তারা একটি মামলা লিপিবদ্ধ করেছেন।

আজহার হোসেন পুলিশকে বলেছেন, তার ছাগলটির মূল্য ছিল ৬০ হাজার পাকিস্তানি রুপি। ছাগলটি তার ঘরের সামনে বাঁধা ছিল। অভিযুক্তরা বাঁধন খুলে একটি ফাঁকা স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে ছাগলটিকে ধর্ষণ করে তারা। তারা ছাগলটিকে নির্যাতনও করে।

আজহার হোসেন পুলিশকে বলেন, ঘরের সামনে ছাগলটিকে বাঁধা না দেখতে পেয়ে তিনি ক’জন বন্ধুকে নিয়ে খুঁজতে বের হন। এক পর্যায়ে তারা দেখতে পান অভিযুক্তরা ছাগলটিকে নির্যাতন করছে। দূর থেকে তাদের দেখতে পেয়ে অভিযুক্তরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। আজহার হোসেন যখন ছাগলটির কাছে পৌঁছান, ততক্ষণে সেটি মরে গেছে।

এ ঘটনায় পুলিশের কাছে তিনজন অভিযুক্তের নাম উল্লেখ করেন তিনি। বাকী অভিযুক্তরা অজ্ঞাতনামা।

এ ঘটনায় পাকিস্তানের দণ্ডবিধির ৪২৯ ও ৩৭৭ ধারায় মামলা করা হয়েছে।

পুলিশের কর্মকর্তা মুহাম্মদ উসমান বিবিসিকে বলেছেন, একজন মানুষের সঙ্গে এ ধরণের অপরাধ ঘটলে যতটা গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হতো, এই ক্ষেত্রেও সেই একই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হবে।


 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন