পুলিশের সহায়তায় মুসলিম প্রেমিকের বিয়ে ঠেকালেন তরুণী
jugantor
পুলিশের সহায়তায় মুসলিম প্রেমিকের বিয়ে ঠেকালেন তরুণী

  যুগান্তর ডেস্ক  

৩০ জুলাই ২০২১, ১৬:৫৬:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

পুলিশের সহায়তায় মুসলিম প্রেমিকের বিয়ে ঠেকালেন তরুণী

মুসলিম যুবক আজমল আহমেদের (২৫) সাথে দীর্ঘদিন ধরে প্রেম করছিলেন হিন্দু তরুণী সন্তোষ কুমারী (২২)। কিন্তু সন্তোষকে না জানিয়েই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছিলেন আজমল। পুলিশকে নিয়ে বিয়ের আসরে হানা দিয়ে প্রেমিক আজমলকে নিয়ে এসে বিয়ে করেন সন্তোষ।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ভারতের রাজধানী দিল্লিতে সন্তোষের সাথে পরিচয় হয় উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা আজমলের । ধীরে ধীরে তাদের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। এক সময় তারা একসাথে থাকতেও শুরু করেন। কিন্তু আজমল উত্তর প্রদেশে নিজ বাড়িতে ফিরে বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

সন্তোষ বিষয়টি টের পেয়ে উত্তর প্রদেশে গিয়ে পুলিশের কাছে সাধারণ ডায়রি করেন। পুলিশ বিয়ের আসর থেকে আজমলকে ধরে থানায় নিয়ে আসে। অভিযোগে সন্তোষ লিখেছিলেন, আজমলের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক চলছে। দিল্লিতে ফিরে গিয়ে তিনি আজমলকে বিয়ে করতে চান।

আজমলকে থানায় আনার পর স্থানীয় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (ভিএইচপি) একটি দল গিয়ে সন্তোষকে মুসলিম যুবককে বিয়ে না করার ব্যাপারে বোঝানোর চেষ্টা করেন। তবে সন্তোষ জানান, তিনি স্বেচ্ছায় আজমলকে বিয়ে করতে চান।

সন্তোষ বিয়ে করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সদস্যরা নাখোশ হন। পুলিশ একটা ‘ভুল’ বিষয়ের সমর্থনে ‘নীরব দর্শক’ হিসেবে ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ তোলেন তারা।

এদিকে আজমলের পরিবারের তরফ থেকে কোনো অভিযোগ না আসায় পুলিশ ওই যুগলকে ছেড়ে দেন। দিল্লিতে ফিরে বিয়ে করেন তারা।

পুলিশের সহায়তায় মুসলিম প্রেমিকের বিয়ে ঠেকালেন তরুণী

 যুগান্তর ডেস্ক 
৩০ জুলাই ২০২১, ০৪:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পুলিশের সহায়তায় মুসলিম প্রেমিকের বিয়ে ঠেকালেন তরুণী
ছবি : প্রতীকী

মুসলিম যুবক আজমল আহমেদের (২৫) সাথে দীর্ঘদিন ধরে প্রেম করছিলেন হিন্দু তরুণী সন্তোষ কুমারী (২২)। কিন্তু সন্তোষকে না জানিয়েই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছিলেন আজমল। পুলিশকে নিয়ে বিয়ের আসরে হানা দিয়ে প্রেমিক আজমলকে নিয়ে এসে বিয়ে করেন সন্তোষ।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ভারতের রাজধানী দিল্লিতে সন্তোষের সাথে পরিচয় হয় উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা আজমলের । ধীরে ধীরে তাদের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। এক সময় তারা একসাথে থাকতেও শুরু করেন। কিন্তু আজমল উত্তর প্রদেশে নিজ বাড়িতে ফিরে বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। 

সন্তোষ বিষয়টি টের পেয়ে উত্তর প্রদেশে গিয়ে পুলিশের কাছে সাধারণ ডায়রি করেন। পুলিশ বিয়ের আসর থেকে আজমলকে ধরে থানায় নিয়ে আসে। অভিযোগে সন্তোষ লিখেছিলেন, আজমলের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক চলছে। দিল্লিতে ফিরে গিয়ে তিনি আজমলকে বিয়ে করতে চান।

আজমলকে থানায় আনার পর স্থানীয় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (ভিএইচপি) একটি দল গিয়ে সন্তোষকে মুসলিম যুবককে বিয়ে না করার ব্যাপারে বোঝানোর চেষ্টা করেন। তবে সন্তোষ জানান, তিনি স্বেচ্ছায় আজমলকে বিয়ে করতে চান।

সন্তোষ বিয়ে করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সদস্যরা নাখোশ হন। পুলিশ একটা ‘ভুল’ বিষয়ের সমর্থনে ‘নীরব দর্শক’ হিসেবে ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ তোলেন তারা।

এদিকে আজমলের পরিবারের তরফ থেকে কোনো অভিযোগ না আসায় পুলিশ ওই যুগলকে ছেড়ে দেন। দিল্লিতে ফিরে বিয়ে করেন তারা। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন