কৃত্রিম হাত পেলেন সেই জিহাদি কনে
jugantor
কৃত্রিম হাত পেলেন সেই জিহাদি কনে

  যুগান্তর ডেস্ক  

০১ আগস্ট ২০২১, ২২:২৫:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

কৃত্রিম হাত পেয়েছেন বিমান হামলায় হাত হারানো ব্রিটিশ জিহাদি সামিয়া হুসাইন। সামিয়া সিরিয়ায় আইএস যোদ্ধাকে বিয়ে করায়তাকে জিহাদি কনে হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

সিরিয়ার রাক্কা শহরে একটি অস্ত্রের দোকানে বিমান হামলায় নিজের হাত হারিয়েছিলেন সামিয়া। ওই অস্ত্রের দোকানের পাশেই বাস করতেন তিনি।

২০১৫ সালে আইএসে যোগ দেন ২৭ বছর বয়সী তরুণী সামিয়া। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে ব্রিটেনে ফিরে আসলে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

সামিয়ার কৃত্রিম হাতের খরচ কারা জুগিয়েছে তা জানা যায়নি। তবে ব্রিটিশ ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের তরফ থেকে হাতটি লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে সামিয়ার এক আত্মীয় জানিয়েছেন।

সামিয়ার জন্ম ও বেড়ে ওঠা লন্ডনে। ২০১২ সালে তিনি এ লেভেল শেষ করে কেনিয়ায় তার সৎ বাবার কাছে চলে যান। রাজধানী নাইরোবিতে ২০১৪ সাংবাদিকতায় স্নাতকে ভর্তি হন তিনি। ওই সময়ই সিরিয়া ও ইরাকে খেলাফত প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছিল আইএস।

আইএসেরর প্রোপাগান্ডায় ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত হন সামিয়া। ২০১৫ সালে কেনিয়া ছেড়ে তিনি সিরিয়ায় চলে যান। প্রথমে তিনি সিরিয়ার মানবিজ শহরে আইএসের নারী সদস্যদের জন্য স্থাপিত অতিথিশালা ‘মাধাফা’য় ছিলেন।মানজিবে তখন বিপুল সংখ্যক ব্রিটিশ জিহাদি থাকায় শহরটিকে লিটল লন্ডন হিসেবে ডাকা হতো।

আইএসের কোনো সদস্যের সাথে বিয়ে হওয়ার আগ পর্যন্ত নতুন আসা নারীদের ‘মাধাফা’য় থাকতে হতো। আবু সোলাইমান নামে এক আইএস যোদ্ধার সাথে বিয়ে হওয়ার পর ছয়মাস মানজিবের ছিলেন সামিয়া। পরে ওই দম্পতি রাক্কা শহরে চলে আসেন। সেখানেই বিমান হামলায় মারাত্মক আহত হন তিনি।

আহতাবস্থায় সাত মাস তাকে হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল। তার একটি স্তনও বোমার আঘাতে নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। তিনি পায়ের আঘাত পেয়েছিলেন।

সিরিয়ায় আইএসের সর্বশেষ ঘাঁটি বাঘৌজ থেকে ২০১৯ সালে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর সেখানকার আল-হোল কারা ক্যাম্পে ছিলেন সামিয়া। পরে তিনি আইএস ছেড়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর তাকে ব্রিটেনে ফিরিয়ে আনা হয়।

এদিকে সামিয়ার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ প্রত্যাহার করা হলেও তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

কৃত্রিম হাত পেলেন সেই জিহাদি কনে

 যুগান্তর ডেস্ক 
০১ আগস্ট ২০২১, ১০:২৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কৃত্রিম হাত পেয়েছেন বিমান হামলায় হাত হারানো ব্রিটিশ জিহাদি সামিয়া হুসাইন। সামিয়া সিরিয়ায় আইএস যোদ্ধাকে বিয়ে করায় তাকে জিহাদি কনে হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

সিরিয়ার রাক্কা শহরে একটি অস্ত্রের দোকানে বিমান হামলায় নিজের হাত হারিয়েছিলেন সামিয়া। ওই অস্ত্রের দোকানের পাশেই বাস করতেন তিনি।

২০১৫ সালে আইএসে যোগ দেন ২৭ বছর বয়সী তরুণী সামিয়া। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে ব্রিটেনে ফিরে আসলে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

সামিয়ার কৃত্রিম হাতের খরচ কারা জুগিয়েছে তা জানা যায়নি। তবে ব্রিটিশ ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের তরফ থেকে হাতটি লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে সামিয়ার এক আত্মীয় জানিয়েছেন।

সামিয়ার জন্ম ও বেড়ে ওঠা লন্ডনে। ২০১২ সালে তিনি এ লেভেল শেষ করে কেনিয়ায় তার সৎ বাবার কাছে চলে যান। রাজধানী নাইরোবিতে ২০১৪ সাংবাদিকতায় স্নাতকে ভর্তি হন তিনি। ওই সময়ই সিরিয়া ও ইরাকে খেলাফত প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছিল আইএস।

আইএসেরর প্রোপাগান্ডায় ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত হন সামিয়া। ২০১৫ সালে কেনিয়া ছেড়ে তিনি সিরিয়ায় চলে যান। প্রথমে তিনি সিরিয়ার মানবিজ শহরে আইএসের নারী সদস্যদের জন্য স্থাপিত অতিথিশালা ‘মাধাফা’য় ছিলেন।মানজিবে তখন বিপুল সংখ্যক ব্রিটিশ জিহাদি থাকায় শহরটিকে লিটল লন্ডন হিসেবে ডাকা হতো।

আইএসের কোনো সদস্যের সাথে বিয়ে হওয়ার আগ পর্যন্ত নতুন আসা নারীদের ‘মাধাফা’য় থাকতে হতো। আবু সোলাইমান নামে এক আইএস যোদ্ধার সাথে বিয়ে হওয়ার পর ছয়মাস মানজিবের ছিলেন সামিয়া। পরে ওই দম্পতি রাক্কা শহরে চলে আসেন। সেখানেই বিমান হামলায় মারাত্মক আহত হন তিনি।

আহতাবস্থায় সাত মাস তাকে হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল। তার একটি স্তনও বোমার আঘাতে নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। তিনি পায়ের আঘাত পেয়েছিলেন।

সিরিয়ায় আইএসের সর্বশেষ ঘাঁটি বাঘৌজ থেকে ২০১৯ সালে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর সেখানকার আল-হোল কারা ক্যাম্পে ছিলেন সামিয়া। পরে তিনি আইএস ছেড়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর তাকে ব্রিটেনে ফিরিয়ে আনা হয়।

এদিকে সামিয়ার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ প্রত্যাহার করা হলেও তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন