প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতির পাওয়ার পর যা বললেন ইব্রাহিম রাইসি
jugantor
প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতির পাওয়ার পর যা বললেন ইব্রাহিম রাইসি

  অনলাইন ডেস্ক  

০৩ আগস্ট ২০২১, ২০:৪৫:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

ইব্রাহিম রাইসিকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

ইরানের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য ইব্রাহিম রাইসিকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।

মঙ্গলবার তেহরানে এক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে ইব্রাহিম রাইসিকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রত্যয়ন করেন তিনি। এর মাধ্যমে আগামী চার বছরের জন্য প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ করার আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পেলেন দেশটির সাবেক প্রধান বিচারপতি ইব্রাহিম রাইসি।

অনুমোদন পাওয়ার পর ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক জারি করা কঠোর নিষেধাজ্ঞা তোলার শপথ নিয়েছেন। এছাড়া ইরানের অসন্তুষ্ট নাগরিকদের সঙ্গেসরকারেরযে দূরত্ব রয়েছে সেটা দূর করারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। তবে ইরানপশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে সংযুক্ত হয়েভবিষ্যৎ গড়বে নাবলেও মন্তব্য করেছেনতিনি।

আগামী বৃহস্পতিবার ইরানের জাতীয় সংসদে প্রেসিডেন্ট রাইসি আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেবেন। ওই অনুষ্ঠানে বিশ্বের ৭৩টি দেশেরঅতিথি উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

কাতারভিত্তিক আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইরানের অষ্টমএই প্রেসিডেন্ট ২০১৫ সালের পরমাণু শান্তি চুক্তি পুনরুদ্ধারে আলোচনা চালু রাখারঘোষণা দিয়েছেন।

ইব্রাহিম রাইসি বলেন, আমরা অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রেরনিষ্ঠুর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য লেগে থাকব। তবে আমরা ইরানের জীবিকা এবং অর্থনীতি পশ্চিমাদের কোনো শর্তের মধ্যে বাধবো না।

এর আগে গত জুনে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় ইরান ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তিতে ফিরতে বিশ্ব শক্তিধর ৫ দেশের সঙ্গে ছষ্ঠ দফা আলোচনায় বসে।

ইরানের নতুন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর আলোচনা শুরু করতে আবার দিন নির্ধারণ করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত ১৮ জুন অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কট্টরপন্থি হিসেবে পরিচিত বিচার বিভাগের সাবেক প্রধান ইব্রাহিম রাইসি বিজয় লাভ করেন।

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ইরানে এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে। মাত্র ৪৮ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। ইব্রাহিম রাইসি দুই কোটি ৮৯ লাখ ৩৩ হাজার ৪ ভোট পেয়েছেন।

নিজেকে দুর্নীতি, অদক্ষতা ও অভিজাতদের ঘোর বিরোধী হিসেবে প্রকাশ করা রাইসি রাজনৈতিক দিক থেকে শিয়া ইসলামি কট্টরপন্থার সমর্থক।

দেশের গণতন্ত্রপন্থিদের পাশাপাশি তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও পাশ্চাত্য দেশগুলোরও কঠোর সমালোচক। তবে সম্প্রতি নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের অর্থনীতি প্রায় পঙ্গু হয়ে যাওয়ার উপক্রম হওয়ায় বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও পাশ্চাত্যের বিষয়ে সুর নরম করেছেন তিনি।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতির পাওয়ার পর যা বললেন ইব্রাহিম রাইসি

 অনলাইন ডেস্ক 
০৩ আগস্ট ২০২১, ০৮:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ইব্রাহিম রাইসিকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি
ইব্রাহিম রাইসিকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ছবি: রয়টার্স

ইরানের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য ইব্রাহিম রাইসিকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।

মঙ্গলবার তেহরানে এক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে ইব্রাহিম রাইসিকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রত্যয়ন করেন তিনি। এর মাধ্যমে আগামী চার বছরের জন্য প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ করার আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পেলেন দেশটির সাবেক প্রধান বিচারপতি ইব্রাহিম রাইসি।

অনুমোদন পাওয়ার পর ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক জারি করা কঠোর নিষেধাজ্ঞা তোলার শপথ নিয়েছেন। এছাড়া ইরানের অসন্তুষ্ট নাগরিকদের সঙ্গে সরকারের যে দূরত্ব রয়েছে সেটা দূর করারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। তবে ইরান পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে ভবিষ্যৎ গড়বে না বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

আগামী বৃহস্পতিবার ইরানের জাতীয় সংসদে প্রেসিডেন্ট রাইসি আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেবেন। ওই অনুষ্ঠানে বিশ্বের ৭৩টি দেশের অতিথি উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে। 

কাতারভিত্তিক আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইরানের অষ্টম এই প্রেসিডেন্ট ২০১৫ সালের পরমাণু শান্তি চুক্তি পুনরুদ্ধারে আলোচনা চালু রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।

ইব্রাহিম রাইসি বলেন, আমরা অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রের নিষ্ঠুর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য লেগে থাকব। তবে আমরা ইরানের জীবিকা এবং অর্থনীতি পশ্চিমাদের কোনো শর্তের মধ্যে বাধবো না।

এর আগে গত জুনে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় ইরান ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তিতে ফিরতে বিশ্ব শক্তিধর ৫ দেশের সঙ্গে ছষ্ঠ দফা আলোচনায় বসে।

ইরানের নতুন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর আলোচনা শুরু করতে আবার দিন নির্ধারণ করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত ১৮ জুন অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কট্টরপন্থি হিসেবে পরিচিত বিচার বিভাগের সাবেক প্রধান ইব্রাহিম রাইসি বিজয় লাভ করেন। 

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ইরানে এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে। মাত্র ৪৮ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। ইব্রাহিম রাইসি দুই কোটি ৮৯ লাখ ৩৩ হাজার ৪ ভোট পেয়েছেন।

নিজেকে দুর্নীতি, অদক্ষতা ও অভিজাতদের ঘোর বিরোধী হিসেবে প্রকাশ করা রাইসি রাজনৈতিক দিক থেকে শিয়া ইসলামি কট্টরপন্থার সমর্থক। 

দেশের গণতন্ত্রপন্থিদের পাশাপাশি তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও পাশ্চাত্য দেশগুলোরও কঠোর সমালোচক। তবে সম্প্রতি নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের অর্থনীতি প্রায় পঙ্গু হয়ে যাওয়ার উপক্রম হওয়ায় বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও পাশ্চাত্যের বিষয়ে সুর নরম করেছেন তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর