ওমান সাগরে জাহাজ ছিনতাইয়ে অবসান হলো যেভাবে
jugantor
ওমান সাগরে জাহাজ ছিনতাইয়ে অবসান হলো যেভাবে

  অনলাইন ডেস্ক  

০৪ আগস্ট ২০২১, ২১:৫৯:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

কয়েক দিন আগে এই ওমান উপসাগরে ইসরাইলি মালিকানাধীন একটি জাহাজে ড্রোন হামলা করা হয়

ওমান উপসাগরে পানামার পতাকাবাহী একটি ট্যাংকার ছিনতাইয়ের পর সেটিকে ইরানের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তবেবর্তমানেএমভি অ্যাসফাল্ট প্রিন্সেসনামে সেইজাহাজটি নিরাপদেআছে। যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা বলেছে, জাহাজটি থেকে অস্ত্রধারীরা নেমে গেছে।

যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেটিএমও) এক টুইট বার্তায় জানিয়েছে, জাহাজ থেকে সশস্ত্র ব্যক্তিরা নেমে গেছেন। সামুদ্রিক যানটি বর্তমানে নিরাপদ আছে। ছিনতাইয়ের ঘটনার অবসান ঘটেছে।

এর আগে নৌযানের অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান লয়েডস লিস্ট মেরিটাইম ইন্টেলিজেন্স জানায়, অস্ত্রধারীরা জাহাজটি ওঠার পর সেটি ইরানের বন্দরে নোঙরের নির্দেশ দেয়। পরে ফুজাইরাহ থেকে ৬০ মাইল পূর্ব দিক থেকে জাহাজটি হরমুজ প্রণালিরদিকে নিয়ে যাওয়া হয়।

হরমুজ প্রণালিপারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। নৌপথে পাঁচ ভাগের এক ভাগ জ্বালানি তেল এইপ্রণালিদিয়ে আনা-নেওয়া করা হয়।

তবে জাহাজটি কারা হরমুজ প্রণালিরদিকে নিয়ে যাচ্ছিল সেটি এখনও পরিষ্কার নয়। বিশ্লেকরা ধারণা করছেন, এর পেছনে ইরানের হাত থাকতে পারে। যদিও এ অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে ইরান। রেভল্যুশনারি গার্ড বলছে, তেহরানের বিরুদ্ধে শত্রুতামূলকপদক্ষেপের অংশ হিসেবে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ছিনতাই হওয়া ট্যাংকারটির নাম এমভি অ্যাসফাল্ট প্রিন্সেস। এটিতে বিটুমিন বহন করা হয়।

কয়েক দিন আগে এই ওমান উপসাগরে ইসরাইলি মালিকানাধীন একটি জাহাজে ড্রোন হামলা করা হয়। এতে জাহাজের দুই ক্রু নিহত হন। তারা যুক্তরাজ্য ও রোমানিয়ার নাগরিক। এ নিয়ে ইরানের সঙ্গে পশ্চিমা দেশগুলোর উত্তেজনা চলছে। কারণ, ওই হামলার জন্যও ইরানকে দায়ী করছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইসরাইল।

এমভি অ্যাসফাল্ট প্রিন্সেস ছিনতাইয়ের বিষয়ে বিবিসির নিরাপত্তাবিষয়ক প্রতিবেদক ফ্রাঙ্ক গার্ডনার বলেন, জাহাজটিরমালিক দুবাইভিত্তিক একটি কোম্পানি। দুই বছর আগে এ প্রতিষ্ঠানের একটি জাহাজছিনতাই করেছিল ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড।

ফ্রাঙ্ক গার্ডনার বলেন, এমভি অ্যাসফাল্ট প্রিন্সেস হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের একটু আগে সেটিতে ৯ জনসশস্ত্র ব্যক্তি ওঠেন। তারাই এটি ছিনতাই করেন।

এদিকে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ট্যাংকার ছিনতাইয়ের বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনাটিকে খুবই বিরক্তিকর বলে উল্লেখ করেছে হোয়াইট হাউস।

ওমান সাগরে জাহাজ ছিনতাইয়ে অবসান হলো যেভাবে

 অনলাইন ডেস্ক 
০৪ আগস্ট ২০২১, ০৯:৫৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কয়েক দিন আগে এই ওমান উপসাগরে ইসরাইলি মালিকানাধীন একটি জাহাজে ড্রোন হামলা করা হয়
কয়েক দিন আগে এই ওমান উপসাগরে ইসরাইলি মালিকানাধীন একটি জাহাজে ড্রোন হামলা করা হয়। ছবি: রয়টার্স

ওমান উপসাগরে পানামার পতাকাবাহী একটি ট্যাংকার ছিনতাইয়ের পর সেটিকে ইরানের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তবে বর্তমানে এমভি অ্যাসফাল্ট প্রিন্সেস নামে সেই জাহাজটি নিরাপদে আছে। যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা বলেছে, জাহাজটি থেকে অস্ত্রধারীরা নেমে গেছে।

যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেটিএমও) এক টুইট বার্তায় জানিয়েছে, জাহাজ থেকে সশস্ত্র ব্যক্তিরা নেমে গেছেন। সামুদ্রিক যানটি বর্তমানে নিরাপদ আছে। ছিনতাইয়ের ঘটনার অবসান ঘটেছে।

এর আগে নৌযানের অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান লয়েডস লিস্ট মেরিটাইম ইন্টেলিজেন্স জানায়, অস্ত্রধারীরা জাহাজটি ওঠার পর সেটি ইরানের বন্দরে নোঙরের নির্দেশ দেয়। পরে ফুজাইরাহ থেকে ৬০ মাইল পূর্ব দিক থেকে জাহাজটি হরমুজ প্রণালির দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।

হরমুজ প্রণালি পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। নৌপথে পাঁচ ভাগের এক ভাগ জ্বালানি তেল এই প্রণালি দিয়ে আনা-নেওয়া করা হয়।

তবে জাহাজটি কারা হরমুজ প্রণালির দিকে নিয়ে যাচ্ছিল সেটি এখনও পরিষ্কার নয়। বিশ্লেকরা ধারণা করছেন, এর পেছনে ইরানের হাত থাকতে পারে। যদিও এ অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে ইরান। রেভল্যুশনারি গার্ড বলছে, তেহরানের বিরুদ্ধে শত্রুতামূলক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ছিনতাই হওয়া ট্যাংকারটির নাম এমভি অ্যাসফাল্ট প্রিন্সেস। এটিতে বিটুমিন বহন করা হয়।

কয়েক দিন আগে এই ওমান উপসাগরে ইসরাইলি মালিকানাধীন একটি জাহাজে ড্রোন হামলা করা হয়। এতে জাহাজের দুই ক্রু নিহত হন। তারা যুক্তরাজ্য ও রোমানিয়ার নাগরিক। এ নিয়ে ইরানের সঙ্গে পশ্চিমা দেশগুলোর উত্তেজনা চলছে। কারণ, ওই হামলার জন্যও ইরানকে দায়ী করছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইসরাইল।

এমভি অ্যাসফাল্ট প্রিন্সেস ছিনতাইয়ের বিষয়ে বিবিসির নিরাপত্তাবিষয়ক প্রতিবেদক ফ্রাঙ্ক গার্ডনার বলেন, জাহাজটির মালিক দুবাইভিত্তিক একটি কোম্পানি। দুই বছর আগে এ প্রতিষ্ঠানের একটি জাহাজ ছিনতাই করেছিল ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড।

ফ্রাঙ্ক গার্ডনার বলেন, এমভি অ্যাসফাল্ট প্রিন্সেস হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের একটু আগে সেটিতে ৯ জন সশস্ত্র ব্যক্তি ওঠেন। তারাই এটি ছিনতাই করেন।

এদিকে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ট্যাংকার ছিনতাইয়ের বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনাটিকে খুবই বিরক্তিকর বলে উল্লেখ করেছে হোয়াইট হাউস।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন