তাইগ্রের বিদ্রোহীদের দখলে ঐতিহাসিক লালিবেলা শহর
jugantor
তাইগ্রের বিদ্রোহীদের দখলে ঐতিহাসিক লালিবেলা শহর

  অনলাইন ডেস্ক  

০৬ আগস্ট ২০২১, ১১:৫৬:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

ইথিওপিয়ার আমহারা অঞ্চলের ঐতিহাসিক শহর লালিবেলা দখলে নিয়েছেন তাইগ্রের বিদ্রোহীরা। এ শহরে রয়েছে ইউনেস্কো ঘোষিত একটি বিশ্ব ঐতিহ্য সাইট।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি এ তথ্য জানায়।

খবরে বলা হয়, লালিবেলায় রয়েছে ১৩ শতকে পাথর কেটে নির্মিত একটি চার্চ, যা লাখো অর্থডক্স খ্রিস্টানের কাছে পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচিত।

স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে খবরে আরও বলা হয়, শহরটিতে তাইগ্রের বিদ্রোহীদের অগ্রযাত্রায় ভীত হয়ে পালাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

লালিবেলার ডেপুটি মেয়র ম্যান্ডেফ্রো তাদেসে বলেন, লালিবেলা শহরের দখল নিয়ে নিয়েছেন তাইগ্রের বিদ্রোহীরা। যদিও এখানে কোনো গোলাগুলির ঘটনা ঘটেনি। তবু বাসিন্দারা এখান থেকে পালিয়ে যাচ্ছেন। আমি চার্চের নিরাপত্তা নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন।

তাইগ্রে অঞ্চলে গত বছরের নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে সংঘাত ছড়িয়ে গেছে আমহারা এবং আফার অঞ্চলেও। সংঘাতের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন লাখো মানুষ।

এসব মৃত্যু ও বাস্তুচ্যুতির ঘটনার জন্য তাইগ্রের বিদ্রোহী এবং দেশটির সেনাবাহিনী ও তার সহযোগীরা একে অপরকে দায়ী করে আসছেন।

২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আবি আহমেদ ক্ষমতায় আসার পর ইথিওপিয়ার রাজনৈতিক অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটতে থাকে। ইরিত্রিয়ার সঙ্গে সংঘাতের অবসান ঘটে তারই হাত ধরে, যা তাকে এনে দিয়েছে নোবেল শান্তি পুরস্কার। কিন্তু টাইগ্রে অঞ্চলে তিনি শান্তি ফেরাতে ব্যর্থ হন। সেখানে বিদ্রোহীদের দমনে গত নভেম্বরে সেনাবাহিনী পাঠানোর পর থেকে রক্তক্ষয়ী সংঘাত চলছে।

আরও পড়ুন>>ইথিওপিয়ায় সাড়ে ৩ লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষে: জাতিসংঘ

তাইগ্রের বিদ্রোহীদের দখলে ঐতিহাসিক লালিবেলা শহর

 অনলাইন ডেস্ক 
০৬ আগস্ট ২০২১, ১১:৫৬ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ইথিওপিয়ার আমহারা অঞ্চলের ঐতিহাসিক শহর লালিবেলা দখলে নিয়েছেন তাইগ্রের বিদ্রোহীরা। এ শহরে রয়েছে ইউনেস্কো ঘোষিত একটি বিশ্ব ঐতিহ্য সাইট।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি এ তথ্য জানায়।

খবরে বলা হয়, লালিবেলায় রয়েছে ১৩ শতকে পাথর কেটে নির্মিত একটি চার্চ, যা লাখো অর্থডক্স খ্রিস্টানের কাছে পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচিত।

স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে খবরে আরও বলা হয়, শহরটিতে তাইগ্রের বিদ্রোহীদের অগ্রযাত্রায় ভীত হয়ে পালাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। 

লালিবেলার ডেপুটি মেয়র ম্যান্ডেফ্রো তাদেসে বলেন, লালিবেলা শহরের দখল নিয়ে নিয়েছেন তাইগ্রের বিদ্রোহীরা। যদিও এখানে কোনো গোলাগুলির ঘটনা ঘটেনি। তবু বাসিন্দারা এখান থেকে পালিয়ে যাচ্ছেন। আমি চার্চের নিরাপত্তা নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। 

তাইগ্রে অঞ্চলে গত বছরের নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে সংঘাত ছড়িয়ে গেছে আমহারা এবং আফার অঞ্চলেও। সংঘাতের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন লাখো মানুষ।

এসব মৃত্যু ও বাস্তুচ্যুতির ঘটনার জন্য তাইগ্রের বিদ্রোহী এবং দেশটির সেনাবাহিনী ও তার সহযোগীরা একে অপরকে দায়ী করে আসছেন।

২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আবি আহমেদ ক্ষমতায় আসার পর ইথিওপিয়ার রাজনৈতিক অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটতে থাকে।  ইরিত্রিয়ার সঙ্গে সংঘাতের অবসান ঘটে তারই হাত ধরে, যা তাকে এনে দিয়েছে নোবেল শান্তি পুরস্কার। কিন্তু টাইগ্রে অঞ্চলে তিনি শান্তি ফেরাতে ব্যর্থ হন।  সেখানে বিদ্রোহীদের দমনে গত নভেম্বরে সেনাবাহিনী পাঠানোর পর থেকে রক্তক্ষয়ী সংঘাত চলছে।

আরও পড়ুন>> ইথিওপিয়ায় সাড়ে ৩ লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষে: জাতিসংঘ

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন