বিদেশি হস্তক্ষেপ মেনে নেবেন না তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট সাঈদ
jugantor
বিদেশি হস্তক্ষেপ মেনে নেবেন না তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট সাঈদ

  অনলাইন ডেস্ক  

১১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:০৫:৫৩  |  অনলাইন সংস্করণ

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সংকট সমাধানে সাংবিধানিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পশ্চিমা দেশগুলোর অব্যাহত চাপের মধ্যে তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট জানিয়ে দিলেন, তার দেশ বিদেশি হস্তক্ষেপ মেনে নেবে না।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট এ কথা বলেন। খবর রয়টার্সের।

তার ক্ষমতা দখলকে বিরোধীরা ‘অভ্যুত্থান’ হিসেবে আখ্যা দিলেও সাঈদ তা অস্বীকার করেন। প্রেসিডেন্টের দাবি, দেশকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার জন্য এমন পদক্ষেপের প্রয়োজন ছিল।

বিবৃতিতে কায়েস সাঈদ বলেন, তিউনিসিয়ার সার্বভৌমত্ব এবং তার জনগণের পছন্দ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়নি এবং কোনো পক্ষের সঙ্গে আলোচনার বিষয় হবে না।

শুক্রবার তিউনিসে সফর করেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান জোসেফ বোরেল। তিনি বলেন, কায়েস সাঈদকে তিউনিসিয়া নিয়ে ইউরোপের উদ্বেগের বিষয় জানানো হয়েছে।

দেশটিতে নতুন সরকার প্রধান নিয়োগ ও সাংবিধানিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সম্প্রতি জি-সেভেনের দেশুগুলোর রাষ্ট্রদূতরা সাঈদের প্রতি আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করার পর প্রায় ছয় সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও এখনও কায়েস সাঈদ নতুন কোনো সরকার গঠন করেননি বা এ সম্পর্কে তার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার বিষয়ে কিছুই জানাননি।

২০১৯ সালে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট কায়েস সাঈদ ২৫ জুলাই তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করে পার্লামেন্ট স্থগিত করার পর ক্ষমতা দখলে নেন। এরপর থেকেই দেশটিতে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। সাঈদের এ পদক্ষেপ দেশটিকে সাংবিধানিক সংকটের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। একই সঙ্গে দেশটির গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

বিদেশি হস্তক্ষেপ মেনে নেবেন না তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট সাঈদ

 অনলাইন ডেস্ক 
১১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:০৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সংকট সমাধানে সাংবিধানিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পশ্চিমা দেশগুলোর অব্যাহত চাপের মধ্যে তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট জানিয়ে দিলেন, তার দেশ বিদেশি হস্তক্ষেপ মেনে নেবে না।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট এ কথা বলেন। খবর রয়টার্সের।

তার ক্ষমতা দখলকে বিরোধীরা ‘অভ্যুত্থান’ হিসেবে আখ্যা দিলেও সাঈদ তা অস্বীকার করেন। প্রেসিডেন্টের দাবি, দেশকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার জন্য এমন পদক্ষেপের প্রয়োজন ছিল।

বিবৃতিতে কায়েস সাঈদ বলেন, তিউনিসিয়ার সার্বভৌমত্ব এবং তার জনগণের পছন্দ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়নি এবং কোনো পক্ষের সঙ্গে আলোচনার বিষয় হবে না।

শুক্রবার তিউনিসে সফর করেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান জোসেফ বোরেল। তিনি বলেন, কায়েস সাঈদকে তিউনিসিয়া নিয়ে ইউরোপের উদ্বেগের বিষয় জানানো হয়েছে।

দেশটিতে নতুন সরকার প্রধান নিয়োগ ও সাংবিধানিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সম্প্রতি জি-সেভেনের দেশুগুলোর রাষ্ট্রদূতরা সাঈদের প্রতি আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করার পর প্রায় ছয় সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও এখনও কায়েস সাঈদ নতুন কোনো সরকার গঠন করেননি বা এ সম্পর্কে তার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার বিষয়ে কিছুই জানাননি।

২০১৯ সালে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট কায়েস সাঈদ ২৫ জুলাই তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করে পার্লামেন্ট স্থগিত করার পর ক্ষমতা দখলে নেন। এরপর থেকেই দেশটিতে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। সাঈদের এ পদক্ষেপ দেশটিকে সাংবিধানিক সংকটের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। একই সঙ্গে দেশটির গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন