মিয়ানমারে প্রতিরোধ বাহিনীর সঙ্গে সেনাবাহিনীর সংঘর্ষে নিহত ২০
jugantor
মিয়ানমারে প্রতিরোধ বাহিনীর সঙ্গে সেনাবাহিনীর সংঘর্ষে নিহত ২০

  অনলাইন ডেস্ক  

১১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:২০:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

মিয়ানমারের জান্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ প্রতিরোধ বাহিনী (পিপল ডিফেন্স ফোর্স) সদস্য নিহত হয়েছে।

গত জুলাইয়ের পর সেনাবাহিনীর সঙ্গে এ পর্যন্ত আন্দোলনকারীদের যতগুলো সংঘর্ষ হয়েছে- শুক্রবারে এ সংঘাত সবচেয়ে ভয়াবহ বলে বর্ণনা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর আরব নিউজের।

এলাকাবাসী জানায়, শুক্রবার ভোরে ৪টি সামরিক গাড়িতে করে শতাধিক সেনা সদস্য মেইন থার ও আশপাশের আরও পাঁচটি গ্রামে অভিযান চালায়।

এ সময় সেনাবাহিনীর সঙ্গে পিপল ডিফেন্স ফোর্সের ব্যপক সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় কমপক্ষে ২০ জন নিহত হয়েছেন। এদের বেশিরভাগই তরুণ।

ঘরে তৈরি শিকারের বন্দুক ব্যবহার করে জান্তাবাহিনীর সঙ্গে লড়াই করে চলেছে পিপল ডিফেন্স ফোর্সের সদস্যরা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মাইনথরের এক বাসিন্দা বলেন, ‘আমার গ্রামের ২০ জনেরও বেশি লোককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।’

সংঘর্ষের পর সৈন্যরা বেশ কয়েকটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

প্রতিবেশী থার লিন গ্রামের এক বাসিন্দা জানান, যুদ্ধের শব্দে স্থানীয়রা পালিয়ে স্থানীয় মঠ বা জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছে।

মিয়ানমারে প্রতিরোধ বাহিনীর সঙ্গে সেনাবাহিনীর সংঘর্ষে নিহত ২০

 অনলাইন ডেস্ক 
১১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:২০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মিয়ানমারের জান্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ প্রতিরোধ বাহিনী (পিপল ডিফেন্স ফোর্স) সদস্য নিহত হয়েছে।

গত জুলাইয়ের পর সেনাবাহিনীর সঙ্গে এ পর্যন্ত আন্দোলনকারীদের যতগুলো সংঘর্ষ হয়েছে- শুক্রবারে এ সংঘাত সবচেয়ে ভয়াবহ বলে বর্ণনা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর আরব নিউজের।

এলাকাবাসী জানায়, শুক্রবার ভোরে ৪টি সামরিক গাড়িতে করে শতাধিক সেনা সদস্য মেইন থার ও আশপাশের আরও পাঁচটি গ্রামে অভিযান চালায়।

এ সময় সেনাবাহিনীর সঙ্গে পিপল ডিফেন্স ফোর্সের ব্যপক সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় কমপক্ষে ২০ জন নিহত হয়েছেন। এদের বেশিরভাগই তরুণ।

ঘরে তৈরি শিকারের বন্দুক ব্যবহার করে জান্তাবাহিনীর সঙ্গে লড়াই করে চলেছে পিপল ডিফেন্স ফোর্সের সদস্যরা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মাইনথরের এক বাসিন্দা বলেন, ‘আমার গ্রামের ২০ জনেরও বেশি লোককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।’

সংঘর্ষের পর সৈন্যরা বেশ কয়েকটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

প্রতিবেশী থার লিন গ্রামের এক বাসিন্দা জানান, যুদ্ধের শব্দে স্থানীয়রা পালিয়ে স্থানীয় মঠ বা জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : রোহিঙ্গা বর্বরতা