কাবুলে আকাশপথে ব্যাপক সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছে আমিরাত
jugantor
কাবুলে আকাশপথে ব্যাপক সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছে আমিরাত

  অনলাইন ডেস্ক  

১১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:০৩:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

সংযুক্ত আরব আমিরাত

তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর কাবুলে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

আল-আরাবিয়ার খবরে বলা হয়েছে, মুসলিমবিশ্বের অন্যতম শীর্ষসমৃদ্ধ দেশ ‘সংযুক্ত আরব আমিরাত’ যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠতম মিত্র। কাতার কুয়েত ও বাহরাইনের পাশাপাশি এই দেশটি যুক্তরাষ্ট্রকে কাবুল থেকে সেনা ও আফগান জনগণকে সরিয়ে নিতে সহায়তা করেছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক বিমানবন্দর নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালক সাইফ ইব্রাহিম মোয়ারাফি বলেন, গত ৩ সেপ্টেম্বর থেকে আরব আমিরাত সরকার আফগানিস্তানে মানবিক সহায়তার জন্য ‘এয়ার ব্রিজ’ স্থাপন করেছে।

তিনি বলেন, সেই থেকে এখন পর্যন্ত আমরা দৈনিক ১১টি ফ্লাইট গ্রহণ করছি, ২৫৫ টন খাদ্য ও মেডিকেল সহায়তা পরিচালনা করেছি।

শনিবারও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুইটি বিমান আফগানিস্তানে মেডিকেল, রান্নার তেল, পাওডার মিল্কসহ খাদ্য প্যাকেজ আনলোড করে।

তালেবানের ক্ষমতা দখলের পর আফগানিস্তান থেকে যে ১ লাখ ২০ হাজার মানুষ পালিয়েছে তার দুই তৃতীয়াংশ সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারে অবতরণ করে। সেখান থেকে তারা যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশে যায়।

উপসাগরীয় অঞ্চলগুলোর মধ্যে সবেচেয়ে বেশি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে কাতারে। এই দেশটি তালেবান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রধান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতায় ফেরার পর যুক্তরাষ্ট্রসহ অধিকাংশ দেশ কাবুল থেকে দূতাবাস কাতারে স্থানান্তরিত করেছে।

১৯৯৬-২০০১ সালে তালেবান সরকারকে যে তিনটি দেশ স্বীকৃতি দিয়েছিল তার অন্যতম ছিল সংযুক্ত আমিরাত। আফগানিস্তানের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি কাবুল থেকে পালিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আশ্রয় নিয়েছে।

সূত্র: আল আরাবিয়া

কাবুলে আকাশপথে ব্যাপক সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছে আমিরাত

 অনলাইন ডেস্ক 
১১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সংযুক্ত আরব আমিরাত
সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি বিমান খাদ্য ও মেডিকেল সহায়তাসহ কাবুল বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ছবি: এএফপি

তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর কাবুলে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

আল-আরাবিয়ার খবরে বলা হয়েছে, মুসলিমবিশ্বের অন্যতম শীর্ষ সমৃদ্ধ দেশ ‘সংযুক্ত আরব আমিরাত’ যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠতম মিত্র। কাতার কুয়েত ও বাহরাইনের পাশাপাশি এই দেশটি যুক্তরাষ্ট্রকে কাবুল থেকে সেনা ও আফগান জনগণকে সরিয়ে নিতে সহায়তা করেছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক বিমানবন্দর নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালক সাইফ ইব্রাহিম মোয়ারাফি বলেন, গত ৩ সেপ্টেম্বর থেকে আরব আমিরাত সরকার আফগানিস্তানে মানবিক সহায়তার জন্য ‘এয়ার ব্রিজ’ স্থাপন করেছে। 

তিনি বলেন, সেই থেকে এখন পর্যন্ত আমরা দৈনিক ১১টি ফ্লাইট গ্রহণ করছি, ২৫৫ টন খাদ্য ও মেডিকেল সহায়তা পরিচালনা করেছি।

শনিবারও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুইটি বিমান আফগানিস্তানে মেডিকেল, রান্নার তেল, পাওডার মিল্কসহ খাদ্য প্যাকেজ আনলোড করে। 

তালেবানের ক্ষমতা দখলের পর আফগানিস্তান থেকে যে ১ লাখ ২০ হাজার মানুষ পালিয়েছে তার দুই তৃতীয়াংশ সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারে অবতরণ করে। সেখান থেকে তারা যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশে যায়। 

উপসাগরীয় অঞ্চলগুলোর মধ্যে সবেচেয়ে বেশি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে কাতারে। এই দেশটি তালেবান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রধান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতায় ফেরার পর যুক্তরাষ্ট্রসহ অধিকাংশ দেশ কাবুল থেকে দূতাবাস কাতারে স্থানান্তরিত করেছে। 

১৯৯৬-২০০১ সালে তালেবান সরকারকে যে তিনটি দেশ স্বীকৃতি দিয়েছিল তার অন্যতম ছিল সংযুক্ত আমিরাত। আফগানিস্তানের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি কাবুল থেকে পালিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আশ্রয় নিয়েছে।

সূত্র: আল আরাবিয়া

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন