পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে বাশার আল আসাদ, যে আলোচনা করলেন
jugantor
পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে বাশার আল আসাদ, যে আলোচনা করলেন

  অনলাইন ডেস্ক  

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৫২:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

বাশার আল আসাদ

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বৈঠক করেছেন। আল জাজিরার খবরে বলা হচ্ছে, সিরিয়ার সর্বশেষ বিদ্রোহী অধ্যুষিত এলাকা কিভাবে দখল করা যায়, দুই প্রেসিডেন্ট সেই আলোচনা করেছেন।

পুতিন ও বাশার আল আসাদ সর্বশেষ সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কতে বৈঠক করেছিলেন ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে। এরপর সোমবার রাতে ঘনিষ্ঠ মিত্র দুই দেশের প্রেসিডেন্ট বৈঠক করলেন।

বৈঠকে বাশার আল আসাদকে ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, তারদৃষ্টিতে সিরিয়ার প্রধান সমস্যা হলো, কিছু অঞ্চলে জাতিসংঘের অনুমোদন ওআসাদেরঅনুমতি ছাড়া বিদেশি সেনা অবস্থান করা।

সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে পুতিনের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের বৈঠককে ‘দীর্ঘ বৈঠক’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বৈঠকের পর দুই প্রেসিডেন্ট সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল আল মেকদাদ এবং রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী সার্জেই সোহাইগুর সঙ্গে আরেকটি বৈঠকে মিলিত হন। এই বৈঠকে দুই দেশের পারস্পারিক সম্পর্ক এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এক দশকের বেশি সময় ধরে সংঘাতপীড়িত সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ সর্বশেষ রাশিয়ায় এসেছিলেন ২০০৮ সালে। ওই সময় তিনি কৃষ্ণসাগরে পুতিনের গ্রীষ্মকালীন অবকাশযাপন কেন্দ্র‘সোচি’তে বৈঠক করেন।

২০১১ সালে আসাদবিরোধী বিদ্রোহকে কেন্দ্র করে দেশটিতে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধে লাখ লাখ মানুষ নিহত হয়েছে এবং বাস্তুচ্যুত হয়েছে কয়েক লাখ। রাশিয়া এই যুদ্ধের গতি ঘোরাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাশার আল আসাদকে রাশিয়া যুদ্ধ বিমান দিয়ে সহায়তা করেছে। রাশিয়ার সহায়তায় আসাদ সরকার বিদ্রোহীদের কাছ থেকে অনেক অঞ্চল উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন।

তবে সিরিয়ার এখনও উল্লেখযোগ্য অংশ বাশার আল আসাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে রয়ে গেছে। দেশটির উত্তর এবং উত্তরপশ্চিমের বিস্তৃত অঞ্চল তুরস্কের সেনা ও বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এছাড়া কুর্দি অধ্যুষিত পূর্ব এবং উত্তরপূর্বে আমেরিকার সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে।

সোমবার বৈঠকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে বলেন, দুই দেশের সেনাবাহিনীর প্রতিরোধের ফলেবিদ্রোহীপক্ষ ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। সিরিয়ার মোট অঞ্চলের ৯০ শতাংশ পুনরুদ্ধারে রাশিয়া ভূমিকা পালন করেছে।

সিরিয়ায় রাশিয়ার সেনাঘাঁটি রয়েছে এবং আসাদকে রাজনৈতিক ও সামরিক সহায়তা প্রদান করেছেন পুতিন। এই কারণে পশ্চিমা বিশ্ব রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে বাশার আল আসাদ, যে আলোচনা করলেন

 অনলাইন ডেস্ক 
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বাশার আল আসাদ
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের বৈঠক। ছবি: রয়টার্স

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বৈঠক করেছেন। আল জাজিরার খবরে বলা হচ্ছে, সিরিয়ার সর্বশেষ বিদ্রোহী অধ্যুষিত এলাকা কিভাবে দখল করা যায়, দুই প্রেসিডেন্ট সেই আলোচনা করেছেন।

পুতিন ও বাশার আল আসাদ সর্বশেষ সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কতে বৈঠক করেছিলেন ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে। এরপর সোমবার রাতে ঘনিষ্ঠ মিত্র দুই দেশের প্রেসিডেন্ট বৈঠক করলেন। 

বৈঠকে বাশার আল আসাদকে ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, তার দৃষ্টিতে সিরিয়ার প্রধান সমস্যা হলো, কিছু অঞ্চলে জাতিসংঘের অনুমোদন ও আসাদের অনুমতি ছাড়া বিদেশি সেনা অবস্থান করা। 

সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে পুতিনের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের বৈঠককে ‘দীর্ঘ বৈঠক’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বৈঠকের পর দুই প্রেসিডেন্ট সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল আল মেকদাদ এবং রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী সার্জেই সোহাইগুর সঙ্গে আরেকটি বৈঠকে মিলিত হন। এই বৈঠকে দুই দেশের পারস্পারিক সম্পর্ক এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
 
এক দশকের বেশি সময় ধরে সংঘাতপীড়িত সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ সর্বশেষ রাশিয়ায় এসেছিলেন ২০০৮ সালে। ওই সময় তিনি কৃষ্ণসাগরে পুতিনের গ্রীষ্মকালীন অবকাশযাপন কেন্দ্র ‘সোচি’তে বৈঠক করেন।
 
২০১১ সালে আসাদবিরোধী বিদ্রোহকে কেন্দ্র করে দেশটিতে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধে লাখ লাখ মানুষ নিহত হয়েছে এবং বাস্তুচ্যুত হয়েছে কয়েক লাখ। রাশিয়া এই যুদ্ধের গতি ঘোরাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাশার আল আসাদকে রাশিয়া যুদ্ধ বিমান দিয়ে সহায়তা করেছে। রাশিয়ার সহায়তায় আসাদ সরকার বিদ্রোহীদের কাছ থেকে অনেক অঞ্চল উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন।

তবে সিরিয়ার এখনও উল্লেখযোগ্য অংশ বাশার আল আসাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে রয়ে গেছে। দেশটির উত্তর এবং উত্তরপশ্চিমের বিস্তৃত অঞ্চল তুরস্কের সেনা ও বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এছাড়া কুর্দি অধ্যুষিত পূর্ব এবং উত্তরপূর্বে আমেরিকার সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে। 

সোমবার বৈঠকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে বলেন, দুই দেশের সেনাবাহিনীর প্রতিরোধের ফলে বিদ্রোহীপক্ষ ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। সিরিয়ার মোট অঞ্চলের ৯০ শতাংশ পুনরুদ্ধারে রাশিয়া ভূমিকা পালন করেছে। 

সিরিয়ায় রাশিয়ার সেনাঘাঁটি রয়েছে এবং আসাদকে রাজনৈতিক ও সামরিক সহায়তা প্রদান করেছেন পুতিন। এই কারণে পশ্চিমা বিশ্ব রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন