তালেবান সরকারের আগামী দুই বছর কেমন হবে?
jugantor
তালেবান সরকারের আগামী দুই বছর কেমন হবে?

  সরোয়ার আলম, চিফ রিপোর্টার, আনাদোলু নিউজ, তুরস্ক  

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:০৮:৪২  |  অনলাইন সংস্করণ

মঙ্গলবার কাবুল বিমানবন্দরে তালেবানের বদর ৩১৩ কমান্ডো। ছবি: এএফপি

তালেবানের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে আগামী দুই বছর। দেশের মধ্যে এবং দেশের বাইরে থেকে যারা তালেবানকে সমর্থন করে না অথবা নিরপেক্ষ ভূমিকায় আছে তারা এই দুই বছর তালেবান সরকারকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখবে, সরকারের কাজকর্ম প্রতিটা পদক্ষেপের ওপর কড়া নজর রাখবে।

যদিও তারা কিছু পশ্চিমা মূল্যবোধ চাপিয়ে দিতে চাইবে। তবে আফগানিস্তানের এখন গণতন্ত্র, বাক স্বাধীনতা আর নারী অধিকারের চেয়েও বড় দরকারি জিনিষ হচ্ছে দুর্নীতি রোধ, আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা এবং শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা।

এগুলো করতে না পারলে ইসলামী শরিয়ত আর খেলাফত প্রতিষ্ঠার স্বপ্নে বিভোর হয়ে কোনোলাভ নেই। আর তালেবান কালো পতাকা বাহিনী আর তাদের খেলাফত প্রতিষ্ঠা নিয়ে অনেক কথাবর্তা শোনা যায় বিভিন্ন মাধ্যমে।

আসলে যারা তুরস্কের রাষ্ট্রপতি এরদোগানকে খলিফার আসনে বসিয়ে তুরস্ক একটা খেলাফত প্রতিষ্ঠা করবে বলে দিবা স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং সেগুলো মানুষের মাঝে ছড়িয়েছিলেন, তারাই এখন আবার তালেবানকে ইমাম মেহেদির সৈন্যদের আসনে বসিয়ে খোরাসান থেকে খেলাফত প্রতিষ্ঠার দিবাস্বপ্ন দেখছেন আরসাধারণ মানুষকে সেই অবাস্তব স্বপ্নগুলো দেখাচ্ছেন।

এখন যেমন এরদোয়ানকে নিয়ে অনেকেই আবার গালাগালি করছেন। কয়েকবছর পরে এই তালেবান নিয়েও তারাই আবার গালাগালি করবেন।

সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে তালেবান সরকার প্রতিষ্ঠা করছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে যেমন একটা আশার সঞ্চার হয়েছে তেমনি উৎকণ্ঠাও আছে। এই আশা পূরণ করা আর উৎকণ্ঠা দূর করার দায়িত্ব এখন তালেবানের। দেখা যাক তারা দেশ পরিচালনায় কতোটা বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে পারে।

তালেবান সরকারের আগামী দুই বছর কেমন হবে?

 সরোয়ার আলম, চিফ রিপোর্টার, আনাদোলু নিউজ, তুরস্ক 
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:০৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মঙ্গলবার কাবুল বিমানবন্দরে তালেবানের বদর ৩১৩ কমান্ডো। ছবি: এএফপি
মঙ্গলবার কাবুল বিমানবন্দরে তালেবানের বদর ৩১৩ কমান্ডো। ছবি: এএফপি

তালেবানের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে আগামী দুই বছর। দেশের মধ্যে এবং দেশের বাইরে থেকে যারা তালেবানকে সমর্থন করে না অথবা নিরপেক্ষ ভূমিকায় আছে তারা এই দুই বছর তালেবান সরকারকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখবে, সরকারের কাজকর্ম প্রতিটা পদক্ষেপের ওপর কড়া নজর রাখবে।

যদিও তারা কিছু পশ্চিমা মূল্যবোধ চাপিয়ে দিতে চাইবে। তবে আফগানিস্তানের এখন গণতন্ত্র, বাক স্বাধীনতা আর নারী অধিকারের চেয়েও বড় দরকারি জিনিষ হচ্ছে দুর্নীতি রোধ, আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা এবং শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা।

এগুলো করতে না পারলে ইসলামী শরিয়ত আর খেলাফত প্রতিষ্ঠার স্বপ্নে বিভোর হয়ে কোনো লাভ নেই। আর তালেবান কালো পতাকা বাহিনী আর তাদের খেলাফত প্রতিষ্ঠা নিয়ে অনেক কথাবর্তা শোনা যায় বিভিন্ন মাধ্যমে। 

আসলে যারা তুরস্কের রাষ্ট্রপতি এরদোগানকে খলিফার আসনে বসিয়ে তুরস্ক একটা খেলাফত প্রতিষ্ঠা করবে বলে দিবা স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং সেগুলো মানুষের মাঝে ছড়িয়েছিলেন, তারাই এখন আবার তালেবানকে ইমাম মেহেদির সৈন্যদের আসনে বসিয়ে খোরাসান থেকে খেলাফত প্রতিষ্ঠার দিবাস্বপ্ন দেখছেন আর সাধারণ মানুষকে সেই অবাস্তব স্বপ্নগুলো দেখাচ্ছেন।

এখন যেমন এরদোয়ানকে নিয়ে অনেকেই আবার গালাগালি করছেন। কয়েকবছর পরে এই তালেবান নিয়েও তারাই আবার গালাগালি করবেন।  

সবচেয়ে  বড় কথা হচ্ছে তালেবান সরকার প্রতিষ্ঠা করছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে যেমন একটা আশার সঞ্চার হয়েছে তেমনি উৎকণ্ঠাও আছে। এই আশা পূরণ করা আর উৎকণ্ঠা দূর করার দায়িত্ব এখন তালেবানের। দেখা যাক তারা দেশ পরিচালনায় কতোটা বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে পারে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : আফগানিস্তানে তালেবানের পুনরুত্থান