দুই দেশ থেকে নিজের রাষ্ট্রদূতদের তলব করেছে ফ্রান্স
jugantor
দুই দেশ থেকে নিজের রাষ্ট্রদূতদের তলব করেছে ফ্রান্স

  অনলাইন ডেস্ক  

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:২০:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র মিলে যে জোট গঠন করেছে তার বিষয়ে আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ায় দায়িত্ব পালন করা নিজের রাষ্ট্রদূতদের ডেকেছে ফ্রান্স। খবর আলজাজিরার।

১৫ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলিয়া ফ্রান্সের সঙ্গে সাবমেরিন সংক্রান্ত চুক্তি বাতিল করে। এতেই ক্ষেপেছে ফ্রান্স।

ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-ইভেস লে ড্রায়ান একে ‘অগ্রহণযোগ্য আচরণ’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে রাষ্ট্রদূতদের ডেকে পাঠানোর বিষয়ে শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেন, প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর নির্দেশে তাদের ডেকে পাঠানো হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া ১৫ সেপ্টেম্বর যে ঘোষণা দিয়েছে তার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে রাষ্ট্রদূতদের জরুরি তলব করা হয়েছে।

হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা শুক্রবার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ফ্রান্সের এ সিদ্ধান্তে দুঃখ প্রকাশ করছে। একই সঙ্গে দুদেশের মধ্যে বৈপরীত্য নিরসনে কাজ করে যাবে যুক্তরাষ্ট্র।

শনিবার অস্ট্রেলিয়াও ফ্রান্সের এ সিদ্ধান্তে দুঃখপ্রকাশ করেছে। ফ্রান্সের সঙ্গে সম্পর্ককে গুরুত্ব দেয় অস্ট্রেলিয়া এবং বিভিন্ন ইস্যুতে প্যারিসের সঙ্গে কাজ করতে চায়।

এর আগে বুধবার অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতারা এক ভার্চুয়াল সভায় নতুন এ জোট গঠনের ঘোষণা দেন।

ভার্চুয়াল সভায় অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এ নতুন জোটকে তাদের সম্পর্ক জোরদারে ‘ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য অস্ট্রেলিয়াকে পরমাণু চালিত সাবমেরিন নির্মাণের প্রযুক্তি দিয়ে সহযোগিতা করবে।

দুই দেশ থেকে নিজের রাষ্ট্রদূতদের তলব করেছে ফ্রান্স

 অনলাইন ডেস্ক 
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:২০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র মিলে যে জোট গঠন করেছে তার বিষয়ে আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ায় দায়িত্ব পালন করা নিজের রাষ্ট্রদূতদের ডেকেছে ফ্রান্স। খবর আলজাজিরার।

১৫ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলিয়া ফ্রান্সের সঙ্গে সাবমেরিন সংক্রান্ত চুক্তি বাতিল করে। এতেই ক্ষেপেছে ফ্রান্স।

ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-ইভেস লে ড্রায়ান একে ‘অগ্রহণযোগ্য আচরণ’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে রাষ্ট্রদূতদের ডেকে পাঠানোর বিষয়ে শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেন, প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর নির্দেশে তাদের ডেকে পাঠানো হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়,  যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া ১৫ সেপ্টেম্বর যে ঘোষণা দিয়েছে তার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে রাষ্ট্রদূতদের জরুরি তলব করা হয়েছে।

হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা শুক্রবার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ফ্রান্সের এ সিদ্ধান্তে দুঃখ প্রকাশ করছে। একই সঙ্গে দুদেশের মধ্যে বৈপরীত্য নিরসনে কাজ করে যাবে যুক্তরাষ্ট্র।

শনিবার অস্ট্রেলিয়াও ফ্রান্সের এ সিদ্ধান্তে দুঃখপ্রকাশ করেছে। ফ্রান্সের সঙ্গে সম্পর্ককে গুরুত্ব দেয় অস্ট্রেলিয়া এবং বিভিন্ন ইস্যুতে প্যারিসের সঙ্গে কাজ করতে চায়।

এর আগে বুধবার অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতারা এক ভার্চুয়াল সভায় নতুন এ জোট গঠনের ঘোষণা দেন।

ভার্চুয়াল সভায় অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এ নতুন জোটকে তাদের সম্পর্ক জোরদারে ‘ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য অস্ট্রেলিয়াকে পরমাণু চালিত সাবমেরিন নির্মাণের প্রযুক্তি দিয়ে সহযোগিতা করবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন