গৃহকর্তার ওপর অভিমান করে একই পরিবারের ৪ জনের আত্মহত্যা
jugantor
গৃহকর্তার ওপর অভিমান করে একই পরিবারের ৪ জনের আত্মহত্যা

  অনলাইন ডেস্ক  

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৩৪:১৮  |  অনলাইন সংস্করণ

আত্মহত্যা

রাগের মাথায় বাড়ি ছাড়েন গৃহকর্তা। পাঁচদিন পর ফিরে এসে দেখেন স্ত্রী, ছেলে, দুই মেয়ে ও নাতনি মারা গেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের বেঙ্গালুরুতে। খবর আনন্দাবাজার পত্রিকার।

পুলিশ বলছে, এক পরিবারের চার সদস্য আত্মহত্যা করেছেন। অনাহারে মৃত্যু হয়েছে ৯ মাসের এক শিশুরও।

এছাড়া পরিবারের আরেক শিশুকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিন দিন ধরে মৃতদেহের সঙ্গে ঘরের মধ্যেই ছিল দুবছরের ওই শিশু।

বেঙ্গালুরু পুলিশের কর্মকর্তা সঞ্জীব এম পাতিল বলেন, বাড়ির মধ্যে আমরা পাঁচটি মৃতদেহ উদ্ধার করেছি। এক শিশুকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে দেখে মনে হচ্ছে চার জন আত্মহত্যা করেছেন। না খেতে পেয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, তিনদিন আগে তাদের মৃত্যু হয়েছে। দেহগুলোতে পচন ধরেছে। মৃতদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, পাঁচদিন আগে গৃহকর্তা এইচ শঙ্করের সঙ্গে তার মেয়ের ঝগড়া হয়। এরপর রাগের মাথায় বাড়ি ছেড়ে চলে যান তিনি।

রাগ কমলে বাড়িতে ফোন করেন শঙ্কর নামের ওই ব্যক্তি। বেশ কয়েকবার ফোন করলেও কেউ ফোন তোলেননি। শুক্রবার তিনি বাড়ি ফিরে আসেন।

ঘরে ঢুকে স্ত্রী (৫০), ছেলে (২৭) ও দুই মেয়ের (৩৫ ও ৩৩) ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান শঙ্কর। ঘরের মেঝেতে ৯ মাস বয়সি নাতনির লাশ পড়েছিল। আরেক নাতনি অবশ্য বেঁচে ছিল। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে বেঙ্গালুরু পুলিশ।

গৃহকর্তার ওপর অভিমান করে একই পরিবারের ৪ জনের আত্মহত্যা

 অনলাইন ডেস্ক 
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৩৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আত্মহত্যা
ঘটনাস্থলে পুলিশ কর্মকর্তারা। ছবি- টুইটার

রাগের মাথায় বাড়ি ছাড়েন গৃহকর্তা। পাঁচদিন পর ফিরে এসে দেখেন স্ত্রী, ছেলে, দুই মেয়ে ও নাতনি মারা গেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের বেঙ্গালুরুতে। খবর আনন্দাবাজার পত্রিকার। 

পুলিশ বলছে, এক পরিবারের চার সদস্য আত্মহত্যা করেছেন। অনাহারে মৃত্যু হয়েছে ৯ মাসের এক শিশুরও। 

এছাড়া পরিবারের আরেক শিশুকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিন দিন ধরে মৃতদেহের সঙ্গে ঘরের মধ্যেই ছিল দুবছরের ওই শিশু। 

বেঙ্গালুরু পুলিশের কর্মকর্তা সঞ্জীব এম পাতিল বলেন, বাড়ির মধ্যে আমরা পাঁচটি মৃতদেহ উদ্ধার করেছি। এক শিশুকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে দেখে মনে হচ্ছে চার জন আত্মহত্যা করেছেন। না খেতে পেয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। 

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে  হচ্ছে, তিনদিন আগে তাদের মৃত্যু হয়েছে। দেহগুলোতে পচন ধরেছে। মৃতদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, পাঁচদিন আগে গৃহকর্তা এইচ শঙ্করের সঙ্গে তার মেয়ের ঝগড়া হয়। এরপর রাগের মাথায় বাড়ি ছেড়ে চলে যান তিনি। 

রাগ কমলে বাড়িতে ফোন করেন শঙ্কর নামের ওই ব্যক্তি। বেশ কয়েকবার ফোন করলেও কেউ ফোন তোলেননি। শুক্রবার তিনি বাড়ি ফিরে আসেন। 

ঘরে ঢুকে স্ত্রী (৫০), ছেলে (২৭) ও দুই মেয়ের (৩৫ ও ৩৩) ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান শঙ্কর। ঘরের মেঝেতে ৯ মাস বয়সি নাতনির লাশ পড়েছিল। আরেক নাতনি অবশ্য বেঁচে ছিল। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

এ ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে বেঙ্গালুরু পুলিশ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন