‘কাবুলে ড্রোন হামলা, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমা চাওয়া যথেষ্ঠ নয়’
jugantor
‘কাবুলে ড্রোন হামলা, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমা চাওয়া যথেষ্ঠ নয়’

  অনলাইন ডেস্ক  

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৫৩:৫৩  |  অনলাইন সংস্করণ

কাবুল

যুক্তরাষ্ট্র গত মাসে আফগানিস্তানে ড্রোন হামলায় ভুলবশত ১০ বেসামরিক নাগরিক হত্যার ঘটনা স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়ার পর নিহতের স্বজনরা বলছেন, শুধুমাত্র ক্ষমা চাওয়া যথেষ্ট নয়। তারা ঘটনার ন্যায় বিচার দাবি করেছেন।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, নিহতের শোকাহত স্বজনরা অপরাধীকে জবাবদিহি করার পাশাপাশি, আর্থিক ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন দাবি করেছেন।

আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের আগের দিন যুক্তরাষ্ট্র আইএস সন্দেহে একটি গাড়িতে মধ্যপ্রাচ্য থেকে ড্রোনের মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে। এই হামলায় ৭ শিশুসহ ১০ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়।

শুক্রবার মার্কিন নৌবাহিনীর কমান্ডার জেনারেল ম্যাকেঞ্জি ওই ড্রোন হামলাকে ‘মর্মান্তিক ভুল’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ওই হামলা চালানোর ঘটনায় তালেবানের থেকে কোনো গোয়েন্দা তথ্য নেওয়া হয়নি।


নিহতদের মধ্যে একজনের নাম জামাইরি আকমাদি। কাবুল বিমানবন্দর থেকে তিন কিলোমিটার দূরে তার গাড়িতে ড্রোন হামলা চালানো হয়। মার্কিন বাহিনী প্রথমে বলেছিল, গাড়িটি বিস্ফোরকদ্রব্যে ভর্তি ছিল।

নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে আরেকজনছিলেন আহমাদ নাসের। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীর দোভাষী হিসেবে কাজ করতেন। অন্য একজন আন্তর্জাতিক সংস্থায় কাজ করতেন। যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য তাদের কাছে ভিসাও ছিল।

ওই হামলায় ইমার আহমাদির ৩ বছর বয়সের কন্যা সন্তান নিহত হয়। শনিবার অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের কাছে এক সাক্ষাৎকারে সন্তানহারা এই বাবা, যারাড্রোন হামলা চালিয়েছেতদন্ত করে তাদেরশাস্তি দাবি করেন।

ইমরা আহমাদি বলেন, আমাদের কাছে শুধুমাত্র ক্ষমা চাওয়া যথেষ্ট নয়। যারা এই কাজটি (হামলা) করেছে যুক্তরাষ্ট্রের উচিত তাদের খুঁজে বের করা।

‘কাবুলে ড্রোন হামলা, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমা চাওয়া যথেষ্ঠ নয়’

 অনলাইন ডেস্ক 
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কাবুল
হামলাস্থলে দাঁড়িয়ে নিহতের শোকাতুর স্বজনরা । ছবি: এএফপি

যুক্তরাষ্ট্র গত মাসে আফগানিস্তানে ড্রোন হামলায় ভুলবশত ১০ বেসামরিক নাগরিক হত্যার ঘটনা স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়ার পর নিহতের স্বজনরা বলছেন, শুধুমাত্র ক্ষমা চাওয়া যথেষ্ট নয়। তারা ঘটনার ন্যায় বিচার দাবি করেছেন। 

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, নিহতের শোকাহত স্বজনরা অপরাধীকে জবাবদিহি করার পাশাপাশি, আর্থিক ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন দাবি করেছেন।

আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের আগের দিন যুক্তরাষ্ট্র আইএস সন্দেহে একটি গাড়িতে মধ্যপ্রাচ্য থেকে ড্রোনের মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে। এই হামলায় ৭ শিশুসহ ১০ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়।

শুক্রবার মার্কিন নৌবাহিনীর কমান্ডার জেনারেল ম্যাকেঞ্জি ওই ড্রোন হামলাকে ‘মর্মান্তিক ভুল’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ওই হামলা চালানোর ঘটনায় তালেবানের থেকে কোনো গোয়েন্দা তথ্য নেওয়া হয়নি।


নিহতদের মধ্যে একজনের নাম জামাইরি আকমাদি। কাবুল বিমানবন্দর থেকে তিন কিলোমিটার দূরে তার গাড়িতে ড্রোন হামলা চালানো হয়। মার্কিন বাহিনী প্রথমে বলেছিল, গাড়িটি বিস্ফোরকদ্রব্যে ভর্তি ছিল।

নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে আরেকজন ছিলেন আহমাদ নাসের। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীর দোভাষী হিসেবে কাজ করতেন। অন্য একজন আন্তর্জাতিক সংস্থায় কাজ করতেন। যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য তাদের কাছে ভিসাও ছিল।

ওই হামলায় ইমার আহমাদির ৩ বছর বয়সের কন্যা সন্তান নিহত হয়। শনিবার অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের কাছে এক সাক্ষাৎকারে সন্তানহারা এই বাবা, যারা ড্রোন হামলা চালিয়েছে তদন্ত করে তাদের শাস্তি দাবি করেন।  

ইমরা আহমাদি বলেন, আমাদের কাছে শুধুমাত্র ক্ষমা চাওয়া যথেষ্ট নয়। যারা এই কাজটি (হামলা) করেছে যুক্তরাষ্ট্রের উচিত তাদের খুঁজে বের করা। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন