আত্মপ্রতিকৃতির দাম ২৫৬ কোটি!
jugantor
আত্মপ্রতিকৃতির দাম ২৫৬ কোটি!

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৫২:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

নিলামে তোলা হচ্ছে ফ্রিদা কাহলোর একটি আত্মপ্রতিকৃতি।মেক্সিকোর শিল্পীর এই আত্মপ্রতিকৃতি রেকর্ড বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৫৬ কোটি টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে বলে বুধবার একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

নিলামকারী প্রতিষ্ঠান সোথবি'স এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ’দিয়েগো এবং আমি’ শিরোনামে ওই বিশ্বখ্যাত আত্মপ্রতিকৃতি ফ্রিদার সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হওয়া ছবি হতে যাচ্ছে। এর আগে ২০১৬ সালে ৮০ লাখ ডলারে বিক্রি হয়েছিল ফ্রিদার আরেকটি শিল্পকর্ম।

১৯৪৯ সালে মৃত্যুর মাত্র পাঁচ বছর আগে এই আত্মপ্রতিকৃতি আঁকার কাজ শেষ করেছিলেন তিনি। ১৯৪০ এর দশকে এটিই তার আঁকা শেষ আত্মপ্রতিকৃতি।

মেক্সিকান ম্যুরালিস্ট দিয়েগো রিভেরা ছিলেন ফ্রিদার দ্বিতীয় স্বামী। ১৯৪০ সালে বিচ্ছেদের এক বছরের মাথায় দিয়েগোকে ফের বিয়ে করেন ফ্রিদা। অ্যাজটেক ও পূর্ব পুরাণ থেকে শুরু করে ঔষধি এবং উদ্ভিদবিদ্যার মতো বিষয়গুলো ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল ফ্রিদার ওপর।

নিজের অসুস্থতা আর দিয়েগোর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ব্যক্তিজীবনেও দ্বিধায় ছিলেন ফ্রিদা। নিজের ব্যক্তিগত এই বিষয়গুলোই আত্মপ্রতিকৃতিতে তুলে ধরেছিলেন মেক্সিকান এই শিল্পী।

ফ্রিদা কাহলোকে বলা হয় মেক্সিকোর আধুনিক চিত্রকলার সবচেয়ে মেধাবী এবং গুরুত্বপূর্ণ শিল্পী।

মেক্সিকোর নিজস্ব ঐতিহ্যের প্রতীক এবং নারীবাদীদের কাছে নারীর অভিজ্ঞতা ও সৌন্দর্যের সাহসী প্রকাশের জন্য ফ্রিদা কাহলো আলোচিত ও সমাদৃত। তবে তিনি যথেষ্ট বিতর্কিতও ছিলেন।

ফ্রিদা কাহলোর জন্ম ১৯০৭ সালে। দুটি ঘটনা তার জীবনে গভীরভাবে ছাপ ফেলেছিল।

ছয় বছর বয়সে পোলিওতে তার একটি পা খাটো হয়ে গিয়েছিল। এরপর ১৮ বছর বয়সে এক ভয়ংকর দুর্ঘটনা ঘটে তার জীবনে, যাতে তাকে প্রায় ৩০টি অপারেশন করাতে হয়েছিল।

এই সময়টি ছিল মূলত একজন অসাধারণ শিল্পীর ক্যারিয়ার শুরুর সময়, কিন্তু এই সময়টাতেই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছিল ক্রমেই।

এক পর্যায়ে ১৯৫৩ সালে তার পা দুটি কেটে ফেলতে হয়েছিল। মেক্সিকোতে ফ্রিদা কাহলোর বাড়িটির নাম ছিল 'লা কাসা আসুল' বা নীল বাড়ি।

ফ্রিদার প্রত্যেকটি আত্মপ্রতিকৃতিতেই নিজের জীবনের অবস্থা গভীরভাবে ছাপ ফেলেছিল।

আত্মপ্রতিকৃতির দাম ২৫৬ কোটি!

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৫২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নিলামে তোলা হচ্ছে ফ্রিদা কাহলোর একটি আত্মপ্রতিকৃতি। মেক্সিকোর শিল্পীর এই আত্মপ্রতিকৃতি রেকর্ড বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৫৬ কোটি টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে বলে বুধবার একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

নিলামকারী প্রতিষ্ঠান সোথবি'স এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ’দিয়েগো এবং আমি’ শিরোনামে ওই বিশ্বখ্যাত আত্মপ্রতিকৃতি ফ্রিদার সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হওয়া ছবি হতে যাচ্ছে। এর আগে ২০১৬ সালে ৮০ লাখ ডলারে বিক্রি হয়েছিল ফ্রিদার আরেকটি শিল্পকর্ম। 

১৯৪৯ সালে মৃত্যুর মাত্র পাঁচ বছর আগে এই আত্মপ্রতিকৃতি আঁকার কাজ শেষ করেছিলেন তিনি। ১৯৪০ এর দশকে এটিই তার আঁকা শেষ আত্মপ্রতিকৃতি।

মেক্সিকান ম্যুরালিস্ট দিয়েগো রিভেরা ছিলেন ফ্রিদার দ্বিতীয় স্বামী। ১৯৪০ সালে বিচ্ছেদের এক বছরের মাথায় দিয়েগোকে ফের বিয়ে করেন ফ্রিদা। অ্যাজটেক ও পূর্ব পুরাণ থেকে শুরু করে ঔষধি এবং উদ্ভিদবিদ্যার মতো বিষয়গুলো ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল ফ্রিদার ওপর।

নিজের অসুস্থতা আর দিয়েগোর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ব্যক্তিজীবনেও দ্বিধায় ছিলেন ফ্রিদা। নিজের ব্যক্তিগত এই বিষয়গুলোই আত্মপ্রতিকৃতিতে তুলে ধরেছিলেন মেক্সিকান এই শিল্পী। 

ফ্রিদা কাহলোকে বলা হয় মেক্সিকোর আধুনিক চিত্রকলার সবচেয়ে মেধাবী এবং গুরুত্বপূর্ণ শিল্পী। 

মেক্সিকোর নিজস্ব ঐতিহ্যের প্রতীক এবং নারীবাদীদের কাছে নারীর অভিজ্ঞতা ও সৌন্দর্যের সাহসী প্রকাশের জন্য ফ্রিদা কাহলো আলোচিত ও সমাদৃত। তবে তিনি যথেষ্ট বিতর্কিতও ছিলেন।

ফ্রিদা কাহলোর জন্ম ১৯০৭ সালে। দুটি ঘটনা তার জীবনে গভীরভাবে ছাপ ফেলেছিল।

ছয় বছর বয়সে পোলিওতে তার একটি পা খাটো হয়ে গিয়েছিল। এরপর ১৮ বছর বয়সে এক ভয়ংকর দুর্ঘটনা ঘটে তার জীবনে, যাতে তাকে প্রায় ৩০টি অপারেশন করাতে হয়েছিল।

এই সময়টি ছিল মূলত একজন অসাধারণ শিল্পীর ক্যারিয়ার শুরুর সময়, কিন্তু এই সময়টাতেই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছিল ক্রমেই।

এক পর্যায়ে ১৯৫৩ সালে তার পা দুটি কেটে ফেলতে হয়েছিল। মেক্সিকোতে ফ্রিদা কাহলোর বাড়িটির নাম ছিল 'লা কাসা আসুল' বা নীল বাড়ি। 

ফ্রিদার প্রত্যেকটি আত্মপ্রতিকৃতিতেই নিজের জীবনের অবস্থা গভীরভাবে ছাপ ফেলেছিল।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন