‘ওরা সংখ্যায় ছিল অনেক, কারও কিছু করার ছিল না’
jugantor
‘ওরা সংখ্যায় ছিল অনেক, কারও কিছু করার ছিল না’

  অনলাইন ডেস্ক  

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৫২:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

৬ সেপ্টেম্বর পাঞ্জশিরের রাজধানী বাজরাকের দখল নেয় তালেবান।

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল ঝড়ের বেগে বিনা রক্তপাতে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বিশ্বব্যাপী আলোচনায় এসেছিল তালেবান। কিন্তু একটিমাত্র প্রদেশই তাদের নিয়ন্ত্রণে নিতে ব্যাপক ঘাম ঝরাতে হয়েছে। রক্ত ঝরেছে অনেক। বিদ্রোহী গোষ্ঠী ও কাবুল থেকে পালিয়ে যাওয়া কিছু সেনাসদস্য পাঞ্জশির প্রদেশে ঘাঁটি গড়ে। নানা হুমকি দেয় তালেবান সরকারকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তালেবান কৌশলের কাছে পরাজিত হয়।

আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়, তালিবানবিরোধী ‘ন্যাশনাল রেজ়িসট্যান্স ফোর্সেস’ (এনআরএফ)-এর নেতা আহমেদ মাসুদ কিংবা আফগানিস্তানের সর্বশেষ ভাইস প্রেসিডেন্ট আমরুল্লাহ সালেহ লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেই চলেছেন। যদিও প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায় ক্রমশ মনে করা হচ্ছে, আফগানিস্তানের একমাত্র তালিবানমুক্ত প্রদেশটিও দখল হয়ে গিয়েছে।

পাঞ্জশিরের বাসিন্দা ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সমর্থক আব্দুল ওয়াজিদের বর্ণনা, সেপ্টেম্বরে উপত্যকায় প্রবেশ করেছে তালিবান বাহিনী। তিনি বলেন, ‘ওরা সংখ্যায় অনেক ছিল। কারও কিছু করার ছিল না। পাঞ্জশির যোদ্ধারা তিন দিন ধরে তালিবানকে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করেছিল। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিল পুরনো সরকারের যে সামান্য সেনাবাহিনী অক্ষত রয়েছে, তারাও। কিন্তু সকলে মিলেও তালিবানকে আটকানো সম্ভব হয়নি। ওদের কাছে অত্যাধুনিক অস্ত্র। আফগান বাহিনীর সমস্ত অস্ত্র এখন ওদের হাতে। তা দেখে সবাই হতবাক হয়ে গিয়েছিল। কী করব, মাথায় আসছিল না।

মালাসপা নামে পাঞ্জশিরের আর এক গ্রামের বাসিন্দা ৬৭ বছর বয়সি খোল মহম্মদ বলেন, ‘‘বিশাল বহর। হাজার হাজার গাড়িতে তালেবান ভরতি।

পাঞ্জশিরের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ৬ সেপ্টেম্বর পাঞ্জশিরের রাজধানী বাজরাকের দখল নেয় তালেবান। আপাতত পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তবে সব কিছুই চলছে তালিবানের নির্দেশনায়।

‘ওরা সংখ্যায় ছিল অনেক, কারও কিছু করার ছিল না’

 অনলাইন ডেস্ক 
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৫২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
৬ সেপ্টেম্বর পাঞ্জশিরের রাজধানী বাজরাকের দখল নেয় তালেবান।
৬ সেপ্টেম্বর পাঞ্জশিরের রাজধানী বাজরাকের দখল নেয় তালেবান। ফাইল ছবি

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল ঝড়ের বেগে বিনা রক্তপাতে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বিশ্বব্যাপী আলোচনায় এসেছিল তালেবান। কিন্তু একটিমাত্র প্রদেশই তাদের নিয়ন্ত্রণে নিতে ব্যাপক ঘাম ঝরাতে হয়েছে। রক্ত ঝরেছে অনেক। বিদ্রোহী গোষ্ঠী ও কাবুল থেকে পালিয়ে যাওয়া কিছু সেনাসদস্য পাঞ্জশির প্রদেশে ঘাঁটি গড়ে। নানা হুমকি দেয় তালেবান সরকারকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তালেবান কৌশলের কাছে পরাজিত হয়। 

আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়, তালিবানবিরোধী ‘ন্যাশনাল রেজ়িসট্যান্স ফোর্সেস’ (এনআরএফ)-এর নেতা আহমেদ মাসুদ কিংবা আফগানিস্তানের সর্বশেষ ভাইস প্রেসিডেন্ট আমরুল্লাহ সালেহ লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেই চলেছেন। যদিও প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায় ক্রমশ মনে করা হচ্ছে, আফগানিস্তানের একমাত্র তালিবানমুক্ত প্রদেশটিও দখল হয়ে গিয়েছে।

পাঞ্জশিরের বাসিন্দা ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সমর্থক আব্দুল ওয়াজিদের বর্ণনা, সেপ্টেম্বরে উপত্যকায় প্রবেশ করেছে তালিবান বাহিনী। তিনি বলেন, ‘ওরা সংখ্যায় অনেক ছিল। কারও কিছু করার ছিল না। পাঞ্জশির যোদ্ধারা তিন দিন ধরে তালিবানকে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করেছিল। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিল পুরনো সরকারের যে সামান্য সেনাবাহিনী অক্ষত রয়েছে, তারাও। কিন্তু সকলে মিলেও তালিবানকে আটকানো সম্ভব হয়নি। ওদের কাছে অত্যাধুনিক অস্ত্র। আফগান বাহিনীর সমস্ত অস্ত্র এখন ওদের হাতে। তা দেখে সবাই হতবাক হয়ে গিয়েছিল। কী করব, মাথায় আসছিল না।

মালাসপা নামে পাঞ্জশিরের আর এক গ্রামের বাসিন্দা ৬৭ বছর বয়সি খোল মহম্মদ বলেন, ‘‘বিশাল বহর। হাজার হাজার গাড়িতে তালেবান ভরতি।

পাঞ্জশিরের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ৬ সেপ্টেম্বর পাঞ্জশিরের রাজধানী বাজরাকের দখল নেয় তালেবান। আপাতত পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তবে সব কিছুই চলছে তালিবানের নির্দেশনায়। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : আফগানিস্তানে তালেবানের পুনরুত্থান